( আজকের কবিতার আসরে , আসরের সক্রিয় কবি , সবার প্রিয় কবি শ্রদ্ধেয়  এম, এ, মতিন এর আজকের প্রকাশ (কষ্টের দেয়ালে অঙ্কিত) কবিতাটি পড়ে আমার এই কবিতাটি লেখা ,আমার এই ক্ষুদ্র  কবিতাটি শ্রদ্ধেয় কবি  এম, এ, মতিন এর  চরণে  উৎসর্গ করলাম।  )


( কবিতাটির মূলভাব : আমাদের দৈনন্দিন জীবনে , আমাদের আশে পাশে প্রতিনিয়ত অন্যায় অবিচার হচ্ছে।  এগুলো আমরা দেখছি ,  কিন্তু দেখেও না দেখার ভান করে এড়িয়ে চলছি।  
আমাদের সবার ভিতরে একাদিক মন  আছে,এর  মধ্যে একটা প্রতিবাদী মন।   যে প্রতিনিয়ত চিৎকার করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে। কিন্তু আমরা তাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখি , অলসতার কারনে অথবা নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে।
এভাবে নিজেকে বাঁচিয়ে রেখে কি লাভ  ? গুরু জনেরা একটা কথা বলে গিয়েছে ছাড়ছি দেশের মায়া কি ?
যেহেতু চলেই যাবো তাহলে এভাবে মরার মতো বেঁচে থেকে কি লাভ ?
আসুন আমাদের প্রতিবাদী মনকে জাগ্রত করুন  )


এই পথে হেটে যেতে আসিনি ,
এই পথে দৌড়াতেও আসিনি ,
এই পথকে চিনতে এসেছি।  


নতুন কোনো গন্তব্যের লোভে আসিনি ,
এসেছি নতুন দৃশ্য দেখতে।  


তোমরা যারা আছো নিন্দুক ,
তৈরী থেকো , তৈরী থেকো।  
তৈরী থেকো হাতে নিয়ে গোলা বারুদ বন্দুক।  


এই পথে সন্ন্যাসী হতে আসিনি ,
এই পথে ধ্বংস হতে আসিনি ,
এসেছি যুদ্ধ করতে।  


অন্যায়ের তলে মাথা রেখে
শান্তিতে ঘুমাতে জন্মাইনি  ,
অন্যায়ের তলে পিষে যাওয়া সেই নিপীড়িত -
মানুষের আকাশ ভাঙা আর্তনাদ ,
এক সমুদ্র কান্নার জল গড়ানোর গল্প শুনতে জন্মাইনি  ,
জন্ম নিয়েছি প্রত্যেকটা মানুষের এক এক ফোটা চোখের পানির
হিসাব চুক্তা  করতে।  


হেসো না , হেসো না ভাই ,
আমি কোনো আবেগী গল্প বলি নাই।  
আমি এখানে আবেগী হতে আসি নাই।  


আমি   প্রতিবাদী।  
তোমরা দেখোনি , আমি দেখেছি -
সেই ছেলে হারা মায়ের কান্নায় গড়ে উঠা নদী।  


আমি চুপ করে থাকি ,
তোমার চেতনায় চিৎকার করে তোমাকে ডাকি।  


আমি প্রতিবাদী , আমি মরা নদী।  
তোমার রক্তে করি বাস।  
তুমি রুখে দাঁড়ালেই আমি জেগে উঠি।  
তোমার চেতনাই প্রবাহিত হয় আমার নিঃশ্বাস ।


( কবিতার ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।)
( ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য )