আমি আবারও আরেকটি ঝাঁঝালো মিছিল দেখতে চাই
যার তাকবীর শ্লোগানে মুখরিত হবে রাজপথ মেঠো পথ।
প্রতিটা উচ্চারণে কাঁপবে সমগ্র শহর
বন্দর সুবিশাল অট্টালিকার কঠিন ইট পথার।
আমি আবারও আরেকটি ঝাঁঝালো মিছিল দেখতে চাই
যার দীপ্তময় শ্লোগানে জেগে ওঠবে নিদ্রালু
তার চোখের ঘুম চলে যাবে নিমিষেই আর অপ্রতিভু আত্মা প্রতিভু হয়ে তীব্র বেগে ছুটবে দিগন্ত থেকে দিগন্তে।
স্বাধিকার আদায়ে ধরবে বজ্রমুষ্টি,
হিংসার কঠিন দেয়াল ভেঙে চুরমার হয়ে
সত‍্যাশ্রিত আত্মার ভিতর হবে প্রবেশাধিকার আর এক এক করে মিথ‍্যে বেসাতির সুরম‍্য অট্টালিকার কঙ্ক্রিট ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাবে ভেঙে চুরে।
আমি আবারও আরেকটি ঝাঁঝালো মিছিল দেখতে চাই
যার সুতীব্র নি;শ্বাসে ক্ষয়ে ক্ষয়ে ঝরে পড়বে মুনাফিকির আত্মার বিবর্ণ রঙ বাহার।
সযতনে আঁকা দেবতার ছবি দিবে ভেঙে গুড়িয়ে কেননা নিজ নির্মিত ঐ দেবতার পূজো সে করে তাকে বড় বানাতে পারেনা।
সে শুধু ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে মূক বধির হয়ে।
আমি চাই ঐ মৃত দেবতার পিঠে লাথি মারুক আজিকার জ্ঞানে সমৃদ্ধ সকল তারুণ‍্য জনতা।
আমি আবারও আরেকটি ঝাঁঝালো মিছিল দেখতে চাই যার হুংকারে ভয়ে থর থর করবে বেয়োনেড খোচানো সেই সব ভয়ংকর আসামীগুলো নষ্টগুলো খাটাশগুলো পরলোভীগুলো।
আমি চাই তাদের আত্মচিৎকারে পাহাড় উপত‍্যকা কাঁপিয়ে ওঠুক আর তাদের মুখ থেকে বাঁচাও বাঁচাও চিৎকারময় ধ্বণি চারিদিকে প্রকাশিত হোক সফলভাবে।
আমি আবারও এরেকটি ঝাঁঝালো মিছিল দেখতে চাই যেখানে ক্রয়ক্ষমতাহীন দ্রব‍্যমূল‍্যের উর্ধ্বগতির বিরুদ্ধে দীপ্ত ও দৃঢ়তার সাথে আওয়াজ তোলক আমার স্বাধীন দেশের পরাধীন জনগণ।
ন‍্যার্যাধিকার যেখানে লুটেরা লোপাট করছে দিন দিন প্রতিদিন রাত্রি নিশি সেখানেই এখন দরকার বলীষ্ঠ  প্রতিবাদি কন্ঠ।
আমি আবারও আরেকটি ঝাঁঝালো মিছিল দেখতে চাই যেখানে প্রতিটি অন‍্যায়ের প্রতিবাদ হবে লৌহমানবের প্রতিবাদের ন‍্যায়।
ন‍্যায়ের আদলে ন‍্যায় প্রতিষ্ঠা না করা পর্যন্ত কেউ ছাড়বে না পথ মাঠ ঘাঠ সড়ক।বীরের শৌর্যে বীরত্ব দেখানোর মধ‍্যেই বিজয়ের সুফল ছিনিয়ে আনা যায় না হয় ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকলে বোবা বলবে।
চতুরতামী ছাড়া এখন চলাই সম্ভব নয়।
আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ তই হওয়া উচিৎ।
সুন্দরের হরিৎ আভায় সমস্ত প্রকৃতি তখনই সাজে যখন বর্ষার শ্রাবনের তীব্র ধারা বর্ষণে সব আবর্জনা ধুয়ে মুছে নিয়ে যায়।
আমি আবারও আরেকটি ঝাঁঝালো শ্লোগান দেখতে চাই যেখানে আবালবৃদ্ধ জনতা হাতে হাত মিলিয়ে বুকে বুক মিলিয়ে নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার ধ্বণি উচ্চারণে ফাটিয়ে দেবে আকাশ পাতাল আর স্বৈরাচার সেই শব্দ শুনে হবে আতংকিত হয়ে গুহার ভিতর পালিয়ে বাঁচতে চাইবে।
কিন্তু চারিদিক থেকে চলবে ঘেরাও এর হিড়িক।
তারা দাঁতে দাঁত দিয়ে মাটি খুড়ে খুড়ে সুরঙ্গ বানাবে অজানা কোন দেশে যেতে কিন্তু শাবল বরিষ্ঠ বীর মুজাহীদ তাদের টুঁটীচেপে ধরে টেনে হিচড়ে নিয়ে আনবে মানূষের কাছে আর প্রকাশ‍্য আদালতে করবে তাদের বিচার।
আমি শুধু সেই অপেক্ষার প্রহরগুনছি।
১০|১১|২০২১