পাখির কাকলি রবে ভোর হতো যে রাজ্যে প্রতিদিন,
হয়তো সেই কাকলী শোনা যাবেনা আর কোন দিন।
রাতের আকাশে ফোটা তারার মেলা,
দেখা হবেনা আর হয়তো রাখাইনদের সেই খেলা।
সেই খানের মসজিদে দেয়া আল্লাহু আকবার ধ্বনি,
সব গুলো ধূলোয় মিশিয়ে দিয়েছে অংসান সূচী।
ফুলের সুগন্ধে মৌ মৌ করা সুবাস ওখানে নেই এখন আর,
সামরিক জান্ততার নিষ্ঠুর আঘাতে হয়ে গেছে মিছমার।
জুঁই চামেলী বেলী জবা গোলাপ আকাশী,
সূচীর ব্রাশ ফায়ারে তারা হয়ে গেছে বাতাসী।
নেই সৌরভ, নেই স্নিগদ্ধতা, নেই বর্নালী কোন আলো,
নিস্তব্ধতার আঁধার আবর্তে তা হয়েছে কালো।
কুঁড়িরা বৃন্তে জ্বলে গ্যাছে বারুত আগুনে,
শিশুদের মেরেছে সর্বনাশীর স্ট্যানগানে।
বোনের ইজ্জত নিয়েছে তারা,
কত স্ত্রীকে করেছে স্বামী হারা ;
হায়নাদের ছোবলে মরেছে কত জননী হায়!
পথে ঘাটে দেখছি কাঁদে কত বাবায়।
জন শূন্য রাখাইন রাজ্যে এখন আর নেই আজাহান,
বাবার কন্ঠে শুনি শুধু বাবাজান।
আমার দেশের মাটির মমতায় তাদের এখন,
আদর অনাদরে চলছে যতন।
ফুল পাখির গানে কি সুবাসে আবার উৎলে ওঠুক রাখাইন,
প্রার্থনা শুধু তাই হোক, তাই হোক শুধু এখন।
বিধ্বংস হোক অমানব তা ফুল পাখির কাছে,
আমাদে্র মানবতা থাকুক তাঁদের পাশে।
১৫/৯/২০১৭