শরতের প্রথম দিনের প্রথম সকালে
বালুচরে কাশফুলেরা জন্ম নিল
এ জন্ম কোন কাব্যিক জন্ম নয়
এ জন্ম যে স্বয়ং বর্ষার পরিসমাপ্তি।
সেই কাশফুলকে নিয়ে কবিতা হয়েছে
কিশোরী তার প্রিয়কে নিয়ে কাশবনে ঘুরতে গিয়েছে
দুষ্ট ছেলের দলও কাশবনের আড়ালে খেলায় মেতেছে
সূর্যের সাথে কাশফুলের শুভ দৃষ্টি হয়েছে
বুনো বাতাসে তারা দোল খেয়েছে
কিন্তু,নদীর জলের অগোচরে তারা বেড়ে উঠেছে
শৈশব,কৈশোর,যৌবন নদীর জলের অগোচরেই বালুচরে কাটিয়েছে;
বার্ধক্যে আবার সেই জলের অগোচরেই-
বালুচরের কোলে ঢলে পরেছে
হয়তো আজো সেখানেই তাদের সমাধি হয়েছে।