চিনা সেই তাল গাছটা
     মায়ের বাপের বাড়ি
সেই ছোট্র বেলায় হেটে হেটে
সাত মাইল দিতাম পাড়ি।
খুব ভোরে কুয়াশা আড়ালে
      মা বলত উঠরে বাবা উঠ এসে,
                  বেরাতে যাব চল,
  বছর খানিক পর
                        তোর নানার দেশে।
কত অচেনা পথ  হারাতাম
  বলতাম মা পথ যদি হারাই
বাপু তুই আমার সাথে চল ,
কতনা এসেছি হারাবনা ঐ তো
সামনের পথটাই।
হাটতে হাটতে মাকে বলতাম

আর কত দেরি?
আরে আর বেশিনা বাপু
সামনের ঐ ত বাড়ি।
কত পুকুর  পার, বাড়ির উঠান,
একে বেকে চিকন আইলের তীর।
চলে গেছে সিমানা ছাড়িয়ে পথ,
       অচেনা গাঁ এর  শিশির।
মাকে বলতাম আর হাটতে,
পারতেছিনা
     মা আর কত দেরি ,
মা বলল ঐ দেখা যায় তালগাছটি
ওটাই বাড়ি।
মা বলল আর- একটু হাট,
   দেখবি একটা কালবাট।
লাম্পা  দরজা বড়  তালগাছ
সেইটা দেখেই চিনি আমার বাপের বাড়ি।
আজ মা বলেনা ভোর,
এসেছি বাপজি দরজা দোর,


সেই তালগাছটি চিরচেনা,
আকাশ পানে দাড়িয়ে  মানা একলা,
হয়না সেই পথে আর হাটা  পথটা
আজ  চির অচেনা|