সদ্য ফোটা পদ্ম পাতা তব যায় ঝরে,
কোন কিছু শুরু করা নাম শেষের তরে।।
দীপ্তমান দিবালক প্রভাত রাঙাতে তব ভোরে
গোধলীর নীল বর্ন নড়করা বেকে দুয়ারে।
কোন কিছু শুরু করা নাম শেষের তরে।।
জোয়ার উচ্ছাসে ফুর ফুর পুলে ভরা তীরে,
ভাটা চিকচিক জল শুস্কতায় ফাটল চিরে।
পুস্পিত বনে মুখে মুখরিত আসর উষ্ম হারা,
শেষ প্রহলোক প্রহরে ধূসর রূপ মলিন সাড়া।
উপেক্ষিত পথ এসো ওহে এসো ঘন তব হেসে,
নাগালের ধারকরা পড়ে পায় যায় ভেসে ভেসে।
বর্তমান যা নব মূতি শিহরে বেধে গেথে স্বর্নচূড়া
কালের সূচনা স্তম্ভ বিবিধ বানিয়ে দেয় পাহাড়া ,
কত কত আগমনি শুভ বার্তা নিয়ে পৌছল দ্বারে
ফুরিয়ে ফুরে ক্ষনিকের রঙমণ্জ পুনঃ অপেক্ষাকরে।
সময় কাল ঘন্টা মিনিট সেকেন্ড ঘূর্ণিপাকে পরপর,
আজো থেমে নয় কাটা সূর্যপথ শেষনেই স্তমভর ।
কতবেদে কতকাল সমবেদে কতপথ গেছে  মুছে,
কত সংসেজে গুঁজে বিবিধ মেখে অবলা কেঁদে গুছে।
ক মানবির সাক্ষ্য দেবে চন্দ্র গ্রহ তারা সূর্য লোকে,
কত জাদুঘরে কৃতি গড়িবে ভাস্কর রেখে কাঁদিবে শোকে।।
বর্তমান হল কিছু সাময়িকাল কেবল নির্দেশ পায়,
ক্ষনিক ক্ষন পরে অতীত নামে সৃত্মি বেশ ধরন জমায়।
বর্তমানের পা নরম কেঁপে একদা যা ভেঙে পরে, চিরশত্রু  অতিত শক্ত পায়ে দাঁড়িয়ে ঘুর ঘুর করে।
অতীত এক পায়ের পেছনে পা যা ফেলে আসা হয়,
বর্তমান যা সাধনা করে কভুও কুলে হয়ত ভীড়ায়।
কিছু অতীত আনন্দ অশ্রুজলে কিছু বেদনা মুলে,
কিছু অতীত দুরূহ বিরহের কিছু  নিস্তব্ধ কুলে।


বর্তমান আর অতীত খেলার খেলন খেলছে অবিরত,
বর্তমান যা নেচে উঠে ডুবে গিয়ে কেঁদে যাচ্ছে কত।