এই শরতের বিকেল, অপেক্ষারত সব কল্পনা মেখেছে গায়ে-
রূপকথার আকাশ নীল কোনো জলে, নীল দীঘিতে মেখেছে ছায়া
হেটে যাওয়া ওপাশে ছাদে দেখছে কেউ, দূরের চোখে অনেক মায়াবী প্রেম ;
হৃদয়ের ক্ষত সারছে নতুন বিরহে, সব প্রেমের সমাপ্তি নতুন কোনো প্রেমে!
একপাশে রাস্তা, অল্প অল্প মানুষ - দীঘির পাশে দীঘি, নীল পুঁটি ভাসা ছবি
এক পাশে ছবি চেনা কলোরহের বন্দর - বাইরে মানুষ শান্ত মনের -
টাওয়ার গুলো থমকে : জ্বলছে মেঘ লাল রংয়ে
জ্বলছে বাতি ল্যাম্পপোস্টে - তবু হাসি জানিনা কোন মোহে!
আমাকে ডাকে অতিদূর বিরহের অপ্রিয় কোনো সম্পর্ক
আমাকে পুঁড়িয়ে ফেলে কতো স্মৃতি, নতুন গড়ে সংকল্প ;
আমি জানিনা আমার মৃতভষ্ম, রইবে কিনা এমন কোনো ছবি হয়ে
এই শরতের বিকেলে - যেমনটা আকাশের, যেমনটা জলের
যেমনটা ছাদে ওঠা কারো স্বাধীন অনুভূতি ;
সূর্য ডুবে গেছে, কতো কাজ শেষ হতে না হতে ;
কতো মানুষ মরে গেছে, বিদায় দিতে না দিতে ;
চেয়েছিনু প্রিয় খেজুর গাছের পাতার মতো মেলে ধরে
সূক্ষ্ম কাঁটা নিয়ে শরীরে, পরিচয় করিয়ে দিবো আমার জগৎ ;
যেখানে ভালো থাকা সময়ে সব থাক, মৌন ছবিগুলো ;
সেই দূরে দেখা কারো প্রেম, নতুন বিরহ হয়ে আসার আগে
সে হাসিখুশি পাড়ি জমাক স্বপ্নের বন্দরে ;
এ শরৎ শুধু ছবি হয়ে নয়, কারো কারো হৃদয় সাজায় মায়াবী ;
ভীষণ পোঁড়া দেহ অনুতাপের সময় দেয়, সেই সময়টুকোয় আর দেখা হয়না নতুন আকাশ
তবু চাওয়া হয়না নতুন কোনো সময়ে ফিরতে -
সব নতুনত্ব চলে আসে নিয়মে, নিজস্য বিয়োগ যেখানে ক্লাসিক আনুষ্ঠানিকতা ;
তাই এই শরৎ, তার আলোয়, তার প্রেমে, তার আকাশে থেকে যাক ;
আমি বিরহের মধ্যে ডুবে যাই, ওখানে অন্ধকার আছে
একটা সময় না সময় মিলে যাবোই!