বিক্রমদা একবার পড়ার শিক্ষক ছিলো, আমিও ছিলুম, সে ছিলো, সেও ছিলো ;
রিনা বৌদি রোজ বের হতো, সবাই দেখতো হা করে!
পাশেপাশে হেটে আলগা কথা বলতো বালক, দেখতুম কতো মনযোগ ;
দূরের আমি, গলির পরেশ, আর সাধু পাশা, সদাই থাকতো খেয়াল ;
কখোন কোথায়, বৌদির সাথে বালক যায় - হিসেব থাকতো খেয়ালের ক্যালেন্ডারে!
বৌদির বাজারে চলা, দর্জি আপার কাছে পোশাক জমা দেওয়া
দরকারি ব্যাগটা বালকের হাতে, সেই মজা নিতুম হেসেহেসে;
কিন্তু বৌদি কি বলে, বালক কি চায় - বুঝিতাম যৌবনের প্রথম বয়সে
চারপাশে সংযোগী কতো বালক থাকতো লাইন দিয়ে ;
সকল হিংসে জ্বলেপুঁড়ে খেতো সকল বালক হৃদয়
আর সে বালক একাই মুচকে হেসে হেসে, মিনমিন করে বলতো কতো কথা
গভীর হেসে খুশে বৌদি সবি শুনতো, সবাই দেখতাম ;
একদিন কোনো এক পৌষের শীতে, সব মনোযোগীরা হারিয়েছিলো খেয়াল -
আমরা ছিলাম, ভরাট কৌতূহলপূর্ণ - দেখিলাম বালক যায় বৌদির সাথে ;
নিশ্চুপ বাসা, সন্ধে হওয়ার আগের বিকেল -
তিনমাথা একসাথে মিলে কতো জল্পনা - সাথে সাথে তারা বাসায় ঢুকে দরজা অফ;
চারিপাশের জানালা খুঁজি, কিছু বন্ধ কিছু খোলা -
একটা ম্যানেজ করিলাম - একজনের কাধে একজন উঠে
দেখলাম চুপিচপি তারা এক রুমেই আছে!
বাহ! ভালো লাইট, নাতুশ বালকের সুপ্ত রূপ
হরহামেশা বৌদির সাদা দেহ দেখে পড়ে গেলাম নিচে, শব্দহীন!
বেদ্দপ পরেশ আলতো করে বলে উঠলো, 'কিরে বালক, চান্স মিললো'
তাতেই হৈ হৈ কান্ড, বালক বিধে লুকোয় -
আমরা হাসতে হাসতে পালাই যতদূর!
সেই থেকে বালকের দেখা মিললে একটাই ডাক, 'কিরে বালক, চান্স মিললো!'
তা আজো পিছু ফিরে, কি এক কান্ড ছিলো সেইদিন!