একটা কফিন পরে থাকে, খালি শূন্য, দারুণ ;
বৃষ্টির চমকপ্রদ ফোঁটাগুলো নোনাসিক্ত, আবেগ প্রবণ;
চাইলেই এক হাজার বার আমি তোমায় লিখতে পারি,
হয়তো বৃষ্টির জল দিয়ে, কফিনের অভিমান দিয়ে - হয়তো নয়;
এবং সে আকাশে তোমায় জমা দিয়ে দিতে পারি, যা মেঘ হীন, গল্পবোনা, ইলশেগুড়ি, কতো কি!
একটা মনের খারাপ রেখো আজকের মতো, জীবনের মতো, দূরত্বের মতো -
আমার বেশ থাকতে বাধা নেই, বৃষ্টিতে পাখির ঘর, চালহীন চুলোয় জল, ছাউনি হীন চেনা ঘর;
মনের খারাপে শরীরে উষ্ণতা বেড়ে যাবে সিক্সটি নাইন - সম্ভাবনা অতলে - ভরাট চুম্বন ;
আমি প্রণয়ের ময়দানে গুম হওয়া শ্রমিক, নিশাচরে শূন্য, অলস খুন, হতচ্ছেরা!
সকল আশার ভাষা বিরহ দোকানে, হীন স্রোত, নোনা চেতনা, দূরহ স্বপ্ন ;
আমি জলে ভাসা নই, বুঝ হীন গতি , আকারে বেকার, অদ্ভুত প্রকৃতি;
সব চূড়ান্ত নামা পাড়ি দিয়ে তোমাকে মিথ্যে জানতে পারি -
তোমার প্রথম অস্পৃশ্যে নিজেকে অবাক করতে পারি-
খুব কষ্ট পেতে পারি, যখন বৃষ্টির জলে নিরহ প্রাণী সেজে ভিজি -
তবু অনাধি অক্ষর তোমাকে চাই, শুধু মেঘহীন আকাশে, বোকা হাওয়াতে -
তবু তুমি উষ্ণ প্রেমে কোথাও অস্থির - আর আমি ভাউণ্ডুলে ভাবনায় - ফাঁকা কফিনে নিজের ছায়া পড়তে দেখি-
যেটা বৃষ্টিতে মিশ্রিত নয় - জলে ভেজা - নড়বড়ে - হাহাকার লব্ধ!