জানি আমার রক্তে মিশে আছে বিষ, এটা এই অভ্যন্তরীণ ভূখণ্ডের ছায়ায় ;
নোংরা শাসনাবলীর গুণকীর্তি, এখানে অক্ষরে অক্ষরে ক্রন্দন নামে প্রসবের ;
আমাকে আক্ষরিক কোনো এক বন্ধনে বাধা যাবেনা,
আমি সাংস্কৃতিক এক সভায় উল্লেখ্য নামিক ভাষণের মতো!
প্রাণ সসের রক্ত মাখা রং, পঁচা টমেটোর যেথায় নিস্তেজতা -
এখানে মানুষ্য বালাইয়ে আমিও আছি, দেখতে শুনতে মন্দনা -
কিন্তু পঁচা নিস্তেজতা আমাকে মৃত্যুর স্বাদ দিচ্ছে মননে!


এক নিসাড় মৃত্যুর মহল যত্রতত্র, প্রেমিকার স্তনে বালিশ করে ঘুমিয়ে পড়ছে সব প্রেমিক;
ক্রিকেটের বন্দনায় চাপা পড়ে যাচ্ছে অনেক বৃহৎ অপকৃত্তি ;
সবি যেন আলুর বোস্তায় বোমার বানিজ্য- কী এক উৎকন্ঠা শূন্য বাতাসের!


আমার রক্তে মিশে গেছে নতজানুর পরমানু - আমি বড় ভাই, বড় ভাই করে কলেজে পারা দিচ্ছি ;
মোটা অঙ্কের বেসরকারি বেতনটার অগ্রিম কিছু অংশ, সিন্ডিকেট করে চলে যাচ্ছে ছাত্রসংঘঠনের পকেটে ;
আমার বাবা আসাদগেটে বসে যে পনেরো হাজার টাকার স্বপ্ন দেখলো-
একটা ছেলের ভবিস্যতের প্রথম পদার্পন-
সেও জানলোনা এর সিংহভাগ চলে গেছে ক্ষমতার জৌলুশে;
রোজ ভ্যাট নামক কতো অবাধ পাত্রে পাত্রী দান, রোজ চাঁদা ময় নিম্নজীবির দোকান ;
রোজ নতুন নতুন আইন, জাতী পিতার অবাধ্য সন্তান!


আমার রক্তে মিশে গেছে উচ্চ যান্ত্রিক গানের মাদকতা, উচ্চ কোনো ফ্যাশনাবলী -
অতপর মা বাবার যে সময়ের পারফেক্ট প্লেস, দূরাশায় কারো আঁকা সেথা বিদ্যাশ্রম;
আমার মা রোজ ফোন করে ছেলেটার শরীরের খবর নেয়, কোনোদিন বাদ রাখেনা -
অথচ মা দেখি টুক টুকিয়ে একা চলে যায়, কোথায় কি জোগাড় করবে রান্নার জন্য;
কতিপয় কোথায় কোন অতলে বসে আমি মৃত্যু চিবাচ্ছি মগজ দিয়ে -
দেখছি ঝুলানো ফ্যান, রেখটানা স্টিলের স্কেল, পিয়াজ কাটা ছুরি এবং উচু এই বিল্ডিং এর ভাড়ায় থাকা কোনো এক মেসের রুম থেকে অনেক নিচে ইটের কিছু খোয়া এবং সারি ;
খুব টুকরো মুহুর্তে মৃত্যুর সাথে সঙ্গমটা অনেক রোমাঞ্চ হতো -
হয়তোবা যা অনেকের সাথে সাদৃশ্য কিন্তু এরপরেও থাকা -
মৃত্যু মৃত্যু শুধু পঁচে পঁচে, জলাশয়ের নোংরা নীতিতে, রাজনৈতিক এই অপকার্য মহলে ;