মানুষের মধ্যে থেকে দেখো, আমাকে খুব খারাপ লাগে ;
এই খারাপ লাগার হয়তো একটাই কারণ হতে পারে,
যেমনটা আমি দুর্ভাগ্যবান!
ভাবো অনেক বড় মন্দ আমি, অপদার্থ থেকে বড় রকমারি মন্দের হাট ;
আমি তোষামোদে নেই - আমাকে পাবে বিচ্ছিন্ন অন্ধকারে ;
ইয়াবা গলে হৃদয়ে, কিছু মানুষ অপরাধ করে সৌখিনতায়;
আমি জানিনা সৌখিনতা আসে কোথ থেকে - যেখানে হৃদয় অপরাধের পুঁজারী ;
মানুষের মন কখনো মন্দির হয়না, এটা পবিত্র ডাস্টবিন
এখানে জমে বিরহ কাতর আবর্জনা - এবং কালো প্রিয় অন্ধকারাচ্ছন্নতা!
কোনো খুন করা, কোনো হরণ করা - নম্র বশিত কষ্ট দেওয়া
এমনটা সাবলিল খুব - কিন্তু যে অন্যায় রোজ হয় (?)
সেটাতো অব্যক্ত পরিণামে - যার নেই পরিণতি - যাতে আছে সর্বোচ্চ বিষাদ -
যার ধ্রুবতা কাঠিন্য ধরে রাখে - সেই অপরাধ রোজ রোজ অগনিত হিসাবে জমে ;
আমাদের আজবেলা কালবেলা আর কালো বেলা - স্মৃতিময় করে রাখি
মনের ন্যায় আবর্জনায় ; আমাদের দুয়েকটা লাশ
রাগের পর ছাপে মস্তিষ্কে - আমরা মুখে মুখে অনেক খুন করি;
কিন্তু অনেক আশা, অনেক স্বপ্নের যে খুন গুলো করি
নিজের অথবা কারো না কারো - তারতো কোনো বিচার হয় না,
হয়না প্রতিবাদ, হয়না ডাকনাম - শুধু প্রকাশ্য শারীরিক ব্যথাটাই মুখ্যগন্য ;
হৃদয় পোঁড়া ব্যথা খুব অগ্রগন্য নয়, অগ্রগন্য নয় আনুষ্ঠানিকতার বাইরে, ভিতরে ভিতরের খুব চাওয়া পাওয়া!
মানুষ খুব বাইরে দেখতে যায়, তারও বাইরে দেখতে যায়, তারও বাইরে
কিন্তু কখনো ভিতরে দেখেনা, আসলে প্রত্যেকটা খুনেরই বাইরের কারণ নাট্যবেলা
ভিতরটা কষ্টের পরিসীমা, আর যে খুন গুলো বস্তুগত শারীরিক নয়
তারতো আর বাইরে দেখার প্রশ্নই হয়না;
একটা মানুষের সঠিক বুঝ হলে কেন মরে যেতে চায়, এটা অবুঝেরা বুঝবেনা!