বিচার হোক, গনতন্ত্র পুঁজারীদের বিচার হোক ;
ধর্মতত্ত্ব উপাসনালয়, যারা নীতি ভিক্ষায় প্রসারিত
হতে পারে ধনকুব বংশনালয়, নেতা নেত্রী স্বভাবজাত সমাজপতি ;
কাক চক্ষু কাকের অন্তর কালো নয়, পৃথিবীটা ফাঁসির মঞ্চই;
বন্দনা করা পৃথিবীর মানুষগুলোর অভ্যেস মিথ্যে বলা
নিজের ভালোয় অন্যের পিছনে তাকানো, অন্যের পশ্চাৎ মারা;
আমার সভ্যতায় আমি বিচার ছুড়ি, জানি যত অন্যায় তত আইন
অপরাধে মিলে আদালতের বেঁচে থাকা, নিম্নজীবীদের বলী
আমার কাঠচক্ষু বার্নিশ হয়, আবার কার্নিশে দেখি চোখের জলে সাঁতরায় ল্যাদা পোঁক;
আপন নিঃশ্বাস উপচে পড়তে দেখো, কারো কারো মৃত্যু সুখের সংবাদ ;
কিন্তু সেই কেউ কেউ কোনোদিন মরেনা, বরঞ্চ আরো জন্ম দিয়ে যায় তার মতো অজস্র কেউ;
বিচার হোক, যারা ঈশ্বরকে পুঁজা করে তারি খোলস প্রাচুর্যে ঢেলে দেয়
জানি অর্থের পুঁজা নতুন কোনো ধর্ম নয়;
এটা প্রত্যেকটা ব্যাংক উপাসনলয়, পত্যেকটা হীন পথ
অন্যায়, রাহাজানি এমনকি চুমোচুমি মেখে শরীর বিক্রি করে কামাই ;
যাক, শ্বেত বর্ণের চামড়ার মূল্যটা ভেসে যাক
যারা ভরেছে ধনকুব, তারা হাট থেকে কিনে নিলো এক ঝাক সুন্দরী ;
বিচার হোক সব দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের, যারা গরীবের বিচিতে লাথি মেরে খায়
যারা সাম্রাজ্যকে পুঁজা করে বেশ্যালয়ে যায়, তাদের বিচার হোক শূন্যতায় ;


পৃথিবীর সব কানন ফুলে ভরা নেই, কোথাও কেউ নগ্ন হয়ে শুয়ে থাকা জীবনের প্রশান্তি;
অমরত্ব রয় নিজেকে বড় প্রভাবশালী রাখলে, যার প্রভুত্ব স্বীকার করতেই হয়;
যুদ্ধ শেষে হিংস্র মানব নিজেকে মহামানব বানিয়ে নেয়
যার হাতের অভ্যেস খারাপ সেই জানায় তার হাত সবচেয়ে বড় ;
এই পৃথিবীতে কোনো কিছুই সত্যি হয় না - বারংবার সেটাই সত্যি হয়
যেটা রাজা মশাইর খুব প্রয়োজন ;
হাস্যকর গরীবের মামলার মতো রক্তবেঁচা টাকা ভ্যাটে করে খায় রাষ্ট্রকেনা জনৈক সরকার -
এই পৃথিবীতে কোনো দিন বিচার হয়না অপরাধের ;
যদিওবা হয় - গরীবের সস্তা খাদ্য চুরির, অথবা প্রভু মানেনি বলে আজন্ম নির্যাতন ;
বারংবার মৃত্যু কল্পনায়, ঈশ্বর যদি থাকেন, তবে তাকে একটা অনুরোধ হয়-  আমাদের কেন পাঠাও, এতো বঞ্চিত করে
মানুষ হয়ে মানুষের উপাসনা করাতে
বিচারহীন এই কাননে, শুধু নির্যাতন সইতে ;
এর চাইতে তো নিজস্য নরকে রেখে দিতে পারো, কেন তামাশা করো অস্তিত্ব নিয়ে?
আমরা তোমার সৃষ্টি বলেই কি অপরাধী?