পৃথিবীর সব প্রান্ত ঘুরে ফিরে, দেখা মিলে এক রাশ অগোছালো নিশ্চুপ ব্যথার
যাকে ক্লান্ত অনুভূতি বলা যেতে পারে কিংবা অযাচিত জীবন নামক পরিহাস;
আমার জীবনে পাওয়া হয়ে গেছে সব  বিবর্তিত রং এবং অনেক আশ্রয় এর প্রতিকার ;
জীবনটাকে উপহাস বলা না গেলেও এখানে অদৃষ্টের কোনো ছাপ নেই,
যেমন নেই ঘুমন্ত স্বপ্নের কোনো বর্ধিত রূপ!
কখনো প্রশ্রয়ে চেয়ে দেখা হয়না বর্ণীল রূপকথা এবং কথিত সম্পর্কে নিজেকে বিস্তার স্বচ্ছন্দে,
পায়ে এক অদ্ভুত শিকল লেগে থাকে, যার বোঝা কঠিন - বেধে আছে নাকি ঝুলানো!
জীবনের প্রত্যেকটা অধ্যায় বিমৃষ্য, যেন পথের ধুলোরাও ভালো আছে ওদের মতো;
অথচ আমি সেই জন্মলগ্ন থেকে উপহাসে কিংবা নীরব পেইনে
এলোমেলো সূর্যে সাঁতার কাঁটছি, দাসিত এক চূড়ান্ত সত্যে ;
মাঝেমাঝে আকাশেরও ঘুম হয়, বুঝি ঘুমোয় সমস্ত অনুভূতি মুছে ফেলে-
কিন্তু সেই চেনা প্রত্যেকটা মুহুর্তে গোপনে নিজেকে বিলাই
সব পড়ে থাকা যান্ত্রিক মায়াহীন ফেলে দেওয়া দূষিত আলোয়!
আমি নিজেকে বিলাই হাজার বছরের পুরনো চাঁদের জ্যোৎস্নায়
যার কলঙ্কে নিজেও মুমূর্ষু থেকে মৃত হয়ে আজ!


জানি একদিন কথিত এই আশ্রয় রইবেনা, মৃত্যুরা আমাকে পাবে আধোপ্রান্ত ফ্রেশ ;
জানি ঘুম তখন আর কোনো বেহিসাবে মিলাবেনা - চুপচাপ চোখে লেগে থাকবে!
হঠাৎ মনে হবে কতো আমি খুঁজেছি এসব, অনেক আগে
সেই অগুছালো সূর্যের সময়ে, সেই নীরব কান্নালগ্ন সময়ে
অথচ এগুলো আজ বহমান, কিন্তু আজ কোনো বিমৃষ্যতা নেই ;