চোখের পাতা মেলানো দুরূহ।
হেম বর্ণের সমিপে ধানের কলহ।
কুঞ্জর কুঞ্জে কহিল কাঙালির নবান্ন।
বসুধার ধার হলূদ কনকে আচ্ছন্ন।
তখনও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো একটা ধান
খেলা করছে।বিবাদের আড়ালে।
এক খাবল সূর্যের ফিকে আলো পড়ছিল।
বেহুলার মতো নাচছিল তালে তালে।
পাহাড়ের কোনাচ থেকে হাসিটা,
আনছিল একটা চকচকে সূর্য রশ্মি।
ধানের স্বল্প পীত পাতা গুলো,
এক দৃষ্টে তাকিয়ে আছে তাহার পানে।
আহাঃ, সেটাই কী ওখানের তাজমহল।
ধানের মাঝে মাঝেই ঘাসফড়িং এর
কর্কশ উল্লসিত দীর্ঘ রহস্যময় শব্দ।
আবার, কোনো কিছুর শব্দে সে নিস্তব্ধ।
ধানের অঙ্গে গোধূলি সন্ধ্যার একলা গন্ধ।
মাঠে মাঠে নবান্নের উৎসব কৃষকদের।
দ্যু সমান পৃথ্বী দিন মান ছাড়িল বেশ।
রহিয়া যায় চোখ পলকের নতুন ঈপ্সা।