সফুর নামে এক প্রান্তিক কিশোর বলছি
এখন আমি বিনাদোষে অপরাধী, বেদনায় নীল
ভীষণ নির্যাতিত, মজলুম
নির্মম পীড়নে হারিয়ে গেছে
মেঘের আড়ালে লুকিয়ে থাকা গানগুলো
কান্নাগুলো ভেঙ্গে ফেলে পঞ্জর।


আসল ধর্ষকের বিচার চেয়ে হলাম
আপন বোনের ধর্ষক
আইনি মোড়কে নাচে কুৎসিত পশুগুলো
পিষ্ট করে বিভৎস অত্যাচারে, অকথ্য নির্যাতনে
স্বীকার করিয়ে নেয় দোষ।


এ কেমন নিপীড়ন! এ কেমন অবিচার!
একি জিঘাংসার ভয়ানক প্রয়োগ!
আইনের হাতে যালিমি খড়গ
আর অপরাধীর অবৈধ দম্ভ
নিরাপত্তার জিম্মাদার কেন দুরাত্মার সহযোগি!


তবে কি
সভ্যতা, মানবতা হেরে যাচ্ছে?
ন্যায্যতার হচ্ছে কি লয়?
অনাকাঙ্খিত প্রতাপে চলবে ক্ষমতার দর্প?
দেখতে হবে ক্ষমতাশালীর কর্তৃত্বের ভয়ানক মুখ?
দুর্বল কি সতত
হতে থাকবে নিপীড়িত-বঞ্চিত?


দুর্বৃত্তের হাতের শাসনে
নীতির ফানুস ওড়ে, বিচারিক দণ্ডে
অবিচার স্বাভাবিক, আপেক্ষিক হয়ে পড়ে ন্যায়বিচার
কালেভাদ্রে দেখা মেলে সুবিচার।


অনির্দিষ্টকাল চলেনা এমন
দেয়ালে পিঠ ঠেকলে ‍আইন চলে যায় হাতে হাতে
বিশৃঙ্খল ক্ষমাতার দর্পে
নৈরাজ্য ছড়িয়ে পড়ে সবখানে।


ফিরোজ, দিলকুশা ০৯/১২/২০১৫


(প্রকৃত ধর্ষককে বাঁচানোর লক্ষ্যে সিলেটের কিশোর সফুরকে তার নিজ বোনের ধর্ষক হিসাবে আইনের কাঠগড়ায় উপস্থাপনের ঘটনা অবলম্বনে)