(১) কবিতা



    দিনরাত কবিতা লিখি- জানিনা দু'ছত্র কার '''' অন্তস্থলে জায়গা করে নিয়েছে।কে আমাকে নিয়ে দু'ছত্র লিখতে বসেছে।


           আমি যে হ্যামিলনের স্বপ্ন দেখি
আমি যে বইছি-ঝোপের স্বপ্ন দেখি-কেউ আমাকে নিয়ে দু'ছত্র  লিখতে বসেছে।


    দক্ষিণ সাগরের তীরে গেলে বাবলা পাখিকে বলব তুমি আমার নামে দু'ছত্র  লেখ।


    আমার প্রেমিকার ফুলদানীতে কোন ফুল শোভা পাবে কিনা জানিনা সে যদি..................


     যাকে একদিন ভালবেসে ___ লিখেছিলাম
সে যদি তার খোঁপার বেণীতে একছত্র গুঁজে রাখে।


জানি যা হবার হবে।শেষ প্রহরে দুটি ডানা যদি একটু মিষ্টান্ন বিলায় তবে এ জীবনের সার্থকতা ' গুঞ্জরণে' ঠাঁই করে নিবে।


    মালা পরবনা, হীরে' আংটি............  এজীবন শুধু____ হতে একটু নির্যাস নেওয়ার চেষ্টা করবে।



(২)আমার বাংলা ভূমি



    তোমাকে আমি ভালবেসেছি মনে প্রাণে।
                                                 তুমি যে সিন্ধুর সুধা দিনরাত আমার মন জুড়াও।
                                            
         আকাশে তিনটি তারা উদিত হলে তারা বলে _ কই, আমরা দেখিতে চাই।
    
        উত্তর বেবিলনে কোন পদ্মা বয়ে গিয়েছে কিনা জানিনা সে তার দুঃখ..............?
  
পাট, কঞ্চি পাতা, আর শিহরিত আঁখি নিয়ে তুমি যে চেয়ে থাক তোমার দুঃখ কে দেখবে?
  
    সাড়ে তিনহাত মাটিতে যেদিন শোব সেদিন বলব এ আমার আহলিকা ধন তোমরা আমাকে___ রাখ।


  যেতে যেতে পথে পথে কত গান গাই সব যে তোমার সুষমা গায়।


    এই নীহারিকা,  এই আকাশ কিছুই থাকবেনা যদি তুমি আমার না হও।



(৩) সে এক জোছনালতা
  

  জান বলে ডেকেও প্রাণ ভরেনা


   তুমি যে আমার আকাশের বিশালতা


  কত কাল তোমায় আমি চন্দ্রে দেখেছি
কতকাল সোনায় দেখেছি।


চন্দ্র-তারা, আকাশের হুর তুমি একটু নীল লহরী পর।


তুমি চুপ করে বসে থাক আকাশ কবিতা লিখুক।


    সেই যে সেই নদীতে (আমরা বাইতে) গিয়েছিলাম সেখানে আর যাবনা।


  ধরনী- তিলোত্তমা এক যে নঞ্জরিকা গাইবে আমরা শুধু চেয়ে থাকব।


  যার পরানে বাতাস বহিছে সে শুধু দেখবে এক নীল-তমা।


যেতে যেতে এই পথ যদি সা-গর হয়ে যায় তবে তুমি দেখবে এক নীহারিকা পাখি।


  জল- রীমা, সেতু- নাস সব এক আকাশকে ধূয়ো- ধূলি দিবে।


(৪) কই তুমি ঐশ্বিনী



  আজ আর তাকে দেখবনা; দেখব এক নীল পাহাড়- সেথায় এক__ রূপসী দিনরাত ধান ভানে।


তার কানে কানে কত কথা আমি বলিয়াছি তা ঐ আকাশ জানে।


শ্যামলের সপ্তডিঙ্গার সপ্তম বহরে তাকে আমি দেখেছি- সে যে বলত কথা ঐ ঐশ্বিনী নীহারিকার সুরে।


  তার সাথে গল্প করতে করতে আমি যে একদিন বেবিলন গিয়েছিলাম- সেথায় এক কঙ্কাবতী আমাকে লাল ঝাড়ু-পাখা উপহার দিয়েছিল।


    


    কত কথা আশ্বিণ মাসে' নবরত্নের সাথে তবুও এ কথা ফুরায়না।


           যদি গঙ্গাসাগরে যাই বেহুলাকে বলব তুমি একটু নেচে-নেচে ( জলে) আমাকে দেখাও।



   (৫) মশা- অনেক শক্তি


          সে কামড় দিতে আসে সামান্য হুল ফুটিয়ে


         সে যে বাঘকে পাগলে করে দেয়



    তার তর্জনীতে কত শক্তি তা ঐ "করোনা" জানে।


(৬) কলম



তুমি লেখ পৃথিবীর ইতিহাস; তোমার ইতিহাস কে লেখবে? তুমি যে নিজেই নিখিল-ইতিহাস।