আমি চিৎকার করে গান শুনি
চিৎকার করে গান গাই
গানে আনি প্রাণের সুখ
খুঁজি বিশ্বলোক প্রান্তিক মানুষ
প্রামের নোলক পড়া সেই গাঁয়ের বঁধু।।


শিহরণ জাগা সেই রাতে ইলোরামাখা স্বপ্ন বুকে
যে রাতে প্রথম স্বপ্নের জাল বুনে ছিলুন
আমি গ্রামের সহজসরল কিশোর হতে চেয়ে মাঠে চড়িয়ে বেড়িয়েছিলাম কিংবা বিপ্লব ভাই আর জুয়েল ভাইয়ের মতো গোলকিপার হতে চেয়ে কষ্ট দিয়েছিলাম প্রিয়তম পিতাকে মায়ে বকুনি খেয়ে নিজেকেই লুকিয়ে ছিলাম জংগলে।


আমি ইলোরার কাছে ভালোবাসা শিখেছি
পাহাড় কিংবা নদী খুব কাছ থেকে দেখেছি
মাধবকুণ্ড ঝরনার জলে স্নানরত প্রেমিক প্রেমিকার নগ্নতা উপলব্ধি করেছি
অশ্লীলতা আমাকে বিতাড়িত করে! সেখানেও আমি পরাজিত!!


অরিন্দম চোখে সুনন্দিতাকে দেখেছি কিন্তু নীলাম্বর এসে নীলাম্বরীকে চুড়ি করে নিয়ে যেতে দেখে বড়ই দুঃখ পেয়ে ভাংগা চালের ফাঁকেফাঁকে রাতের সুপূর্ণিমা দেখি
যার আলো আজও আমায় রাতের পথ হাঁটতে সেখায়
এখনো হাঁটি পথ-
যে পথের শেষ আমার জানা নেই...