হে শীতলক্ষ্যা!
হে স্রোতস্বিনী মদীয় মিত্র -
আজি মোর আখিঁপাতে ভাসে তোমা' সৃতি-চিত্র।
বন্ধু, আবার যদি গো দেখা হতো তব সনে!
চাঁদনী-রাতে চাঁদের আভায় মধুমাসে-ফাল্গুনে।
মোর না-বলা সঞ্চিত যত কথা বুকে বেঁধেছে বাসা-
বলিতে তুমায় স্পৃহা জাগে মনে,আর কিছু জিজ্ঞাসা?
বন্ধু, কেমন আছে সে?
আজো কি মোর আশায় তব তটে বসে-
রহে প্রতিক্ষায় !
বন্ধু, বড্ড জানিতে ইচ্ছে করে-
সে কি সেই আগের মত নীল শাড়ি পড়ে?
আজো কি সে শিঞ্জিনী চরণে ঝনঝন -
কাঁচের চুড়ির কনকন-
ধ্বনিতে চলে মোরে খুঁজে?
সন্ধ্যার ঝিলমিল সাঝে।
মনের আকুতিতে মিনতি ভরা চোখে,
মোর ডাক-নাম ধরে কি গো কবু ডাকে?
আজো কি সেই সে বকুলে গেঁথে হার,
কন্ঠে কি গো পড়াতে আমার -
স্মরণ সুধাতে আসি তার বারেবারে?
কে জানে বন্ধু? হয়তো মোর অন্বেষণে-
সে আসে না তব তীরে! আসিনা তার স্মরণে
মুছে গেছে সৃতি ভুলে গেছে সবি!
ভুলে গেছে প্রণয়-কবিতার কবি।
আমি কভু ভুলিতে পারিনি তাকে,
চাপা ব্যাথা গুমরে গুমরে উঠে বুকে।
হাহাকার রুদ্ধশ্বাসে নিঝুম নিশিতে অন্ধকারে,
বিজনে স্মরি গো তারে  নিভৃতে-সুদুরে।
বন্ধু!বড্ড জানতে ইচ্ছে করে কেমন আছে সে!!


উৎসর্গঃ আদিবা আক্তার আফ্রা
(আমার ক্ষুদ্র জীবনের অতিক্রান্ত অধ্যায়ের মধ্যে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে কাটানো মূহুর্তগুলি চির স্মরণীয়)


কাব্যগ্রন্থঃ নীলোৎপল