সুপ্তবীজ
##########


আবিরে আবিরে রঞ্জিত ব্যাথ্যা ,সহর্ষে চকিত প্লাবিত দু নয়নে,
অবক্ত্য ভাবরাশি ,নিষ্ঠুর বাস্তবের দ্বারে আনাগোনা দিবানিশি ।
অরুন প্রাতের তরুণ মন নিমিশেই হারালো প্রানের স্পন্দন,
সুনিবিড় বন্ধন,বর্ণালী আলোর স্বপ্ন,স্মৃতি হয়ে গেল।
ফাগুনেও  ঝর ঝর বর্ষা ঘিরে ধরে -বন্ধু! আগামী কুয়াশা রাত,
স্বপ্নের ঘরে অকাল বজ্রপাতে অনাবিল হাসি মুছে সাদা ধারাপাত ।।


যে শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে,মাথায় নিল শত কোটি   কুসংস্কারের অপবাদ,কষাঘাত,
নিস্তার নেই গর্ভধারিনীর,
তারও গর্ভ ছুঁয়ে যায় সমাজের আঘাত ,পদাঘাত।
সুন্দর শশধরার,অদ্ভুত ,বিচিত্র নিনাদের বিধান অহ:রহ:
বোধনের আগে
বিসর্জনের ডঙ্কার মহাসমারোহ ।
কোনো এক দিন রামধনু রঙে মিটে যাবে পশ্চিমী ঝঞ্জা।
লোলুপী,কপটি,অধগতি সমাজের কমবেনা অপবাদের বোঝা।।


অন্তরে,অন্তরে যে ব্যাথ্যা অন্দরমহলরে প্রাচীর ঘিরে,
তার খবর কে বা চায় ,কে বা রাখে প্রহরে প্রহরে ?ঘরে বাইরে?


মর্মে মর্মে প্রতি মুহূর্ত্য,অনিশ্চিত বলয় রেখায় ক্ষত ,বিক্ষত।
প্রাণনাথ অনাথ,পাড়ি দিলো প্রাণনাথরে ঘরে,কিয়ৎকাল সুধীজন,মর্মাহত,শোকা হত।।


ফেলে যাওয়া সাথী আজ
উজান ভাটির টানে পাল ভাঙা ,
জীবনতরীর ঘূর্ণিপাকে নিম্মজিত।