সুনীল আসমানে ভাসমান সফেদ আওয়ারা মেঘ,
বাড়িয়ে দেয় বিরহকাতর প্রেমিকের বুকের আবেগ।
প্রকৃতির জলসাঘরে শরত বাজাচ্ছে তার সারোদ,
উৎসবের শুরুতেই তাই চড়ছে উত্তেজনার পারদ।
মহালয়ার ভোরে দীঘির জলে দাঁড়িয়ে আবক্ষ,
পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে শুরু হবে মাতৃপক্ষ।
সংসারে সবার যতই থাকুক অভাব আর অনটন,
পুরানো বাকী শোধ করে জামাকাপড় চাই নুতন।
কর্মচারীদের প্রাপ্ত পূজোর অগ্রিম অর্থ আর অনুদান,
পরিবারের সবার চাহিদা মেটাতে পকেটে পড়ে টান।
পূজোর বাজারের ভিড়ে সুন্দরীদের শরীরের সুবাস,
কেনাকাটার ক্লান্তি ভুলিয়ে জাগিয়ে তুলে উচ্ছ্বাস।
বিক্ষিপ্ত বাতাসে চারিদিকে ছড়ানো কাশফুলের রেণু,
বাজলো ঐ বুঝি দেবী মহামায়ার আগমনীর বেণু।
সন্ধ্যাবেলায় শিউলি ফুলের মন মাতানো গন্ধ,
দূর করবে মহামারীর ভয়, আশঙ্কা আর দ্বন্দ্ব।
এই পৃথিবীতে যতই ধেয়ে আসুক তৃতীয় ঢেউ,
তার চোখরাঙানিকে আর পরোয়া করেনা কেউ।
ঢাক, ঢোল, কাঁসর, ঘন্টা আর উলুধ্বনির শব্দ;
করোনাসুরের উৎপাতকে করবে চিরতরে স্তব্ধ।