জানি না কত শরৎ,কত জৈষ্ঠ,কত বসন্তকাল,
যে তুমিহীনে পথে চলতে হবে কত সহস্র সাল।
সবই যেন পার্থক্যহীন লাগে,
লাগে বড্ড অসহায়;
এ পথের শেষ কোথায়!


আর ফিরছি না সে প্রান্তে,
হাসি জোড়া মলিন হয়েছিলো যেথায়।
জানিনা,
কৃষ্ণচূড়ার আবেশ ছড়ানো,এ পথের শেষ কোথায়!


আমি যেন এক ভবঘুরে ভাবুক পথিক এ পথে,
নিরব চরনে কেবল চলেছি হয়ে দিশাহীন;
অপরাজিতায় ঘেরা এ নীলিমায়,
ক্লান্ত আমি খুব,তবু চলছি,
কিন্তু,
এ পথের শেষ কোথায়!


কাব্যের নির্ভরে বহু ক্রোশ চলেছি নির্ভয়ে,
সন্ধ্যে নামতেই চাঁদের আলো পেয়েছি
ছিল না পথ চলা আঁধার বিস্ময়ে।


আমি দিশেহারা গন্তব্যহীন পথিক,
আলো হাতে আঁধারের আমি যাত্রী,
শুধুই জোনাক পোকার ভীড় দু ধারে,
তারাই দিয়েছে সঙ্গ,ছিল যতো নিঃসঙ্গতার রাত্রী।
পথের দু'ধারে কাশের-ঘাসের সঙ্গ ছিলো,তবু
এ পথের শেষ কোথায়!