ঘুমের ক্লান্তি ধুয়ে ফেলেছি রৌদ্রস্নানে,তবুও ঘোর অন্ধকার মগজে,প্রাণে।সময় স্রোতের পানে চেয়ে দেখি জীবনের লেনদেন;
লেনদেন ফুরিয়ে গিয়েও বাকি রয়ে যায় অগনিত হিসেব।


পৃথিবীর বোঝা এতটাই নুইয়ে দিয়েছে আমায়,আমি এখন এক বিন্দু শিশিরের বোঝাও সইতে পারবো না।
ঘরমুখো আমার নিরুদ্দেশ প্রাণ,এ প্রাণের প্রতি আর নেই অধিকার আমার।অধিকার খুইয়েছি ইচ্ছে মেরে।এতবছরে বহুবার বহুভাবে বুঝিয়েও প্রাণকে পারিনি বোঝাতে;
প্রাণ আমার নিরুদ্দেশ,প্রাণহীন বস্তু আমি।
যে নগরে নিজেকে বাঁচানো যায় না নিজের জন্যে,সে নগরে প্রাণ থাকে না,হয় নিরুদ্দেশ।


খোয়া পাওয়ার এই ক্ষুদ্র জীবনে মানুষকে পাওয়ার চেয়েও ঢের হারাতে হয়।শৈশব-কৈশোর,যৌবন,,প্রাণ,জীবন হারাতে হয়।
আর হারাতে হয় ভালবাসা।ইচ্ছের প্রতি ভালবাসা,পরিবারের প্রতি ভালবাসা,ভালবাসার মানুষটির ভালবাসা,নিজের প্রতি ভালবাসা।তারপর তার কাছে হারানোর মতো তেমন কিছুই থাকে না।
হারানোর কিছু না রইলে জীবন বড্ড বিস্বাদ লাগে।তখন হারায় জীবনের প্রতি ভালবাসা।
এই একটি ভালবাসা শব্দটির জন্যেই মানুষ বাঁচে,বাঁচতে চায়।ভালবাসা না থাকলে,মৃত্যুর জন্য বাঁচে।
হোক তা ধর্মের প্রতি কিংবা অর্থের প্রতি;মানুষ বাঁচে ভালবাসা শব্দটিকে ঘিরে।


ভালবাসা বরাবরই মানুষের একটা নিদারুণ মনুষ্য স্বভাব।
আমরা কখনো আমাদের এই মনুষ্য স্বভাব থেকে মুক্তি পাবো না,আমরা কখনো সুনিপুণ যন্ত্রণা জালে আবৃত মনুষ্য স্বভাব থেকে মুক্তি পাবো না।
শরীরের পশমের মতো লেগে আছে এই স্বভাব।