"অন্ধকার"


-এম জসিম গাজী


"অন্ধকার" এখানেই জন্মান্তরে সেই দিশা,
যেখানে প্রাণেরা, মহা মহা প্রাণেরা প্রাণীত্ব হয়
আলো আঁধারে এক হয়ে হয়ে,
আর অন্য "অন্ধকার" যেখানে অতিথ ভুলে ভুলে
শুধু নিজে আলোকিত অনাদি কাল হতে,-এটি মিছে অহংকার,


আমি অন্ধকারের অভিবাসী চির কাল,
আমার ভূমিষ্টই ঘোর অন্ধকারে,
ভূমিষ্ঠের কত কাল আগে তার ও বহু আগে আমি অন্ধকারে সুনাগরিক ছিলাম,
সেই রাজার ইশারা নিয়ে আমার অবতারন অন্ধকারে খড়কুটো র নীড়ে,


কি করে যে আমি এই মহা সত্য ভুলবো বলো?
আমি হয়তো একটা বিকেল কাটাবো বলে,
একটু আলো আমি লালন করি চক্ষে,


"অন্ধকার"আসেই তো জীবের মহত্ত্ব ফেরি হয়ে,
এটি একটি দূত,
জীবনের সব কলংক ঢেকে দিতে আসে


আমার শৈশব, আমার আনাড়ি মনগড়া জেদ
সব অন্ধকারের চাদরে ঢেকে রেখে ছিল ''অন্ধকার'',
পেট পুরে স্বাদের খাবার মা-এর হাতে বানানো,
এও অন্ধকারের আবর্তনে খাওয়া হয় না,,


আমি অন্ধকারে বহু পথে,পথের মোড়ে মোড়ে দেখেছি শান্তির সভাপতি,
আমার শিশু-যৌবন কাল অন্ধকারে কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে গিয়েছিল,
তবুও তাকে খুব আদুরে বুকে রাখি
কত শৈত্য প্রবাহ কেটে গেছে খোলা আকাশে খড়কুটো র ঘরে
কেবল অন্ধকারকে সঙ্গী করে করে
এক একটি বছর পার করেছি এক বস্রে এই অনড় অন্ধকার,
তবুও এই "অন্ধকার"আমার শ্রদ্ধেয়-প্রেমে-প্রাণে


আমার উর্তী বিকাশে কিশোর প্রাণে আদারের অন্তিম যে দেয়াল ছিল-
তা যেন আমার মা-আমার সৎ মা-এর মত-
সৎ শাশুড়ির মত ভালোই বাসি আমি আজন্ম
আমি বিপ্লবী কি করে হই অন্ধকার তারানোর প্রত্যয়!?
অন্ধকার, আমার চিন্তা, অন্ধকার আমার পরিকল্পক,,
অন্ধকার আমায় পার করবে,কোন আলো শেষ যাত্রী হয় না,