বীষজ্বালা বুকে হাহাকার ধ্বণী সোনায়! বৃষ্টি নামিল আঁখির কোনায়...শান্তীনেই শান্তীনেই,জ্বলে-পুড়ে ছাই হৃদয়! কীসের আশায় কারছে তারা,নারীর লাজ টুকু... তারা বুঝি আজ সত্যি হিংশ্র পশু।                                              স্বযতনে করেছে বড়ো তাদেরও মাতা পিতা...শুনিতেকী পাওনা তাঁদের হাহাকার ধ্বণী! তোমরাও ধংশহবে এই তাদের অভিশাপ বাণী।                                             আমার বুকে জ্বলছে বীষ,বৃষ্টি প্রবন আঁখি! হিংশ্র নির্যাতন কারিরা আজ বেড়েই চলেছে...তাদের কথা ভাবলে আমার বক্ষে জ্বলে আগুন! এইবুঝি গুলিকরে শেষকরি এখন, তবেই হয়তো শান্তী হবে আমার বীষজ্বালা।                                             মেয়েদের বুকে অনেক শংশ্রয়,ঘড় হতে বেরোলেই ভয়! এইনা তাদের জীবন শেষ হয়! বাড়ীর সকলে অবাকপানে,চয়েথাকে সন্তানদের ফিরবার আগমনে।                                              কেহ কহে-নারী নির্যাতনের পিছনে রয়েছে ভেস ভূসা...তারা যদি করে বর্জন,কমবে নাকি নির্যাতন, তাদের কথা নারীরা থাকুক অস্বাধীন! প্রশাশনের লোক পারেনা করতে কিছু!মুখে বড়ো বড়ো ভাষন...করুকনা দেখি? হিংশ্র নির্যাতন কারিদের ষেষ করতে এখন।                                               ফুলের ন্যয় তারা,তবছিরে কেনো নষ্ট করছে দশ্যুরা? রাহূ-যেমনটি গ্রাসকরে সূর্যকে...নারী জাতিকে করছেগ্রাস রাহূর ভেসে! তারা  আজ বিবেকহারা,ভূলপথে ভ্রন্ত! ওদের করো সান্ত,ওদের করো সান্ত।