দাও বলে আমারে, অ ভাই বলে কারে বিশ্ববিদ্যালয় ॥
সঠিক সংঞ্জাটা তার,
হয়তো তাই হবে ধারণা আমার,
সবচে বড় বিদ্যাপীঠ যা বিশ্বসেরা ঞ্জান ভান্ডার,
সম যার নেই আর, এখন দেখি হায় হয়েছে তা অমানুষের খামার,
দেখে বা শোনে লজ্জায় মাথা নত হয়ে যায়, বনের যত উলংগ অগনিত পশুদের সবার,
কারা করছে তৈয়ার কিছু গাধা গরু শুধু নয়, এমন পশু যা বন্য প্রাণীর চেয়েও হিংস্র ভয়ংকর ও হীন হবে নিশ্চয় ॥
জগতের সব ঞ্জান একিভূত করে,
তারাকি অবুঝ কানা নিতে হবে কেন হাত ধরে,
ঞ্জানের আলোয় সকল ভালোয় দেয় ভরে সকল শিক্ষার্থীরে,
যে বিদ্যাপীঠ মানুষেরে বানায় আসল মানুষ পন্ডিত ও সাধুজন তোলে গড়ে,
দেশ ও সমাজটারে যেন কেউ নয় আর মন্দ কিবা আঁধারে হেন আলো ও ভালোয় দেয় ভরে,
এমন ঞ্জান ছড়িয়ে দেয় বিশ্বময় আমার মনেহয় বুঝি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু তারেই কয় ॥
সুদৃশ্য সারি সারি ইমারত,
ভিতরে বাহিরে ঢের বাহারি সাজ ও শানশওকত,
বিশাল বট বৃক্ষ সম,
হেন শিক্ষক আদর্শ সবার সেরা ও উত্তম,
হেন একজন নিপূণ কারিগর,
যার মন মনন ও তীক্ষ্ন তৃতীয় নয়ন সকলই সুন্দর,
হেন তার প্রকৃতি ও আচরণ যেন ঝুলন্ত অসীম আকাশ শূণ্য পালা,
কোন রাজনীতি নয়, হীনমন্যতা ও সংকীর্নতায় যার অন্তর হয়েছে কালা,
বরং ছড়িয়ে সৌরভ ও রঙ বিশাল ছায়া নিবীড় মায়া সততায় ভরা তার উদার ডালা,
মানুষ গড়ার ঐ পাঠশালা তার রবে সদা খোলা নহে রুদ্ধ দুয়ার কভূ যেথা হেরিবে ঝুলানো তালা,
ছাত্র অভিভাবক সবায় অবনত ভক্তি বিনয় ও শ্রদ্ধায় সাক্ষাত পেতে চায় হাতে লয়ে ফুলের মালা,
নেই তেমন দুয়ার জানালা,
অগনিত বইয়ের বিশাল এক সংগ্রহশালা,
কি হবে দিয়ে রঙীন পোষাকের বাহার বা কথার মালা,
নাহলে কেমনে সাজিবে বৃক্ষ ফুলে ফলে সবুজের সহস্র ডালপালা,
কথায় ও কাজে তারা এক নয়, কোথাও কোথাও মনেহয় যেন শুধু অর্থেরই ঢের করা হয়েছে অপচয় ॥
এ কি করিল আপনি হরিল সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ হবার আপনার সম্মান,
এ কোন শিক্ষা কে দিলো ঐ দীক্ষা যা মানুষেরে বানায় হায়েনার চেয়েও হিংস্র নির্মম নিষ্ঠুর বর্বর ও পাষাণ,
সৃজন নয় নিধন, এ কোন কৌতুক তাতে কোন সুখ হেসে হেসে কেড়ে নেয় মানুষের নিরপরাধ তরতাজা প্রাণ,
নেই যদি ওরে ভালো ফলাফল,
কোথায় দিলেম হায় তবে আমি এত জল,
লৌকিকতা প্রহসন আর ঐ মোহ ও আবেগের ঢল,
ঞ্জান ছাড়া বিশ্বটা ছিল আঁধারে ঢাকা মানুষ অসভ্য অঁচল,
সব চেষ্টা উদ্দেশ্য আশা ও তেষ্টাই বিফল, সুনাম সুখ্যাতি হয়ে উজ্জল আলোক বাতি না যদি তা ছড়ায় বিশ্বময় ॥
তবেকি সবাই শিক্ষিত বলদ,
কেউ কেউ বলে আসলে গোড়ায়ই গলদ,
ভরে গেছে বালুকায় যত ছলছল জলভরা ঝিল ও হ্রদ,
কালো টাকায় রাতারাতি সবে বড় হতে চায় একে অপরকে করছে বধ,
বড় ভাই বড় নেতা আছে গডফাদার আর কি চাই তার বিপদে ঠাই অস্ত্র টাকা ও গাজা-মদ,
লেখাপড়া করে শুধু মানুষ হওয়া ছাড়া জীবনের বাকী আর যত চাওয়া পাওয়া ও ভোগ বিনোদনের সব রশদ,
কারো কাছে তাই মনেহয় ওরে মস্তবড় জয় অর্থ ক্ষমতা যৌন সংগী ও বাড়ীগাড়ী সব যদি হাতের নাগালে রয় ॥  
সরকার দলের ছাত্ররা প্রশাসন চালায়,
ইচ্ছে হলেও কেউই তাতে মোখ খোলতে নাহি চায়,
প্রশাসন বসে আংগুল চোষে যেন সে অক্ষম আর নেই তার কোন দায়,
কিছু শিক্ষক ঐ ছাত্রদের সনে মিলেমিশে দেখি পূরো ঐ প্রতিষ্ঠানটা গোপনে গিলে খায়,
কি আছে কার তাতে বলার কিবা করার, নিরীহ জনগন সবে জিম্মি হয়ে তাই চুপচাপ বসে রয়েছে ওদিকে তাকায়,
সবাই যেন নিরব দর্শক আসলেই বড় অসহায়, দশজনে এসে ওরে নব্বই জনের মাথার উপরে সদা ছড়ি ঘোরায়,
বাকীরা সবায় অক্ষমতায় দেখে দেখে কষ্ট পায়,
কেউবা হামলা মামলায় নাজেহাল পেরেশান এই বুঝি প্রাণ যায় নাহলে রয়েছে মানসম্মান যাবার ভয় ॥
জাতীয় রাজনীতির লেজুরবৃত্তি নহে,
কোন দল নয় মার্কাও নয় তবে আর কি ক্ষতি ওহে,
প্রতিবাদী হয় মিথ্যা মন্দ অন্যায় ও অবিচার নিরবে চুপ করে না সহে,
হবে নির্বাচন রবে ছাত্রঐক্য সংগঠন যদি তাদের প্রয়োজন বা স্বার্থ নিয়েই শুধু কথা কহে,
পাঠ ও পীঠ বিষয়ক সবকিছু দেখার কথা বলার ও তার উন্নয়নের কাজেই তারা পিছে লেগে রহে,
কিসের বিদ্যালয় কেমন ছাত্র যদি আপন জীবন গড়ে উন্নত দেশ গড়ার দায়টুকু মগজে সারাক্ষণ না ই বহে,  
ভালো বিশ্ববিদ্যালয় ভালো ছাত্র,
দেখায় দিক মহৎ উদার মানুষ গড়ার সঠিক পাত্র,
ভিতরে বাহিরে দেহমনে অতিশয় সুন্দর,
দেশপ্রেমিক সুনাগরিক দেশ গড়া ও পরিচালনার দক্ষ নিপূণ কারিগর,
নহে ঠক প্রতারক, পন্ডিত গবেষক দার্শনিক ও লেখক হবে তার সব ছাত্রের পরিচয় ॥
সবাই তোরা ছিলি সেরা মেধাবী,
কত আশা ছিল নহে মন্দের ছায়া মাড়াবি,
ঘর পরিবার ও সমাজ থেকে অনটন ও আঁধার তাড়াবি,
দেশ ও জাতির আবৃত কিবা লুকানো যত সব ক্ষতগুলি সমূলে সারাবি,
অন্যায় অপরাধ যত রণ করে অবিরত কই গেলো ঐ মনোবল হেরে যাওয়া নয় হারাবি,
তারাতো কেউই সন্ত্রাসী ছিলনা তবে কোথা হতে এলো কেমনে হলো তাদের এই চরম অবক্ষয় ॥
বাবামার স্বপ্ন আশা কত গরীবের ছেলে,
মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান এসেছে আদরের ঘর ফেলে,
মানুষের মত মানুষ হতে,
ভালোভাবে লেখাপড়া তারা সবে অর্জন করতে,
জীবনটারে সুন্দর পরিপাটি করে প্রদীপের আলো ও ভালোয় ভরে গড়তে,
এ কোন কুবাসনা মরমে মগজে কে ঢুকালো কে দিলো নষ্টের প্ররোচনা কোথা হতে কেমনে হলো উদয় ॥
কোথা হতে এলো এই রাজনীতি,
কুমতলবে ভরা কালো টাকার পাহাড় গড়ার সে দূর্নীতি,
ভিতরে বাহিরে দুই,
মনের আসল কথা গোপনে লুকিয়ে থুই,
কল্পনায় উড়ে উড়ে দূর আকাশে বিচরে নিজের বিছানায় শুই,
হায় কতনা শোনায় মধুর বুলি,
ভূলেও দেখেনা খুলে মূল্যবাণ তার ঐ বইগুলি,
মিথ্যে বুলি প্রতারণা ধোকা ফাঁকিবাজি দিয়ে মধুর বচন ও স্বজনপ্রীতি,
ভিখেরীর চেয়েও ছোট মন করিতে অসাধু উপার্জন হরণ ও আত্বসাৎ সে এক অসৎ কুমতি,
চারিদিকে শুনি তাদেরই জয়ধ্বনি সেতো আসলে ফাঁকি জানলোনা তারা কোন ভূলে দিশেহারা হয়েছে জয় নাকি পরাজয় ॥
কে শিখালো এই গনতন্ত্র,
প্রতিপক্ষকে হটাবার ঠকাবার কুমন্ত্র,
দেশ ও জাতিকে ধ্বংস করার গোপন অসাধু যন্ত্র,
সাধ্য নেই সত্য বলা কিবা অন্যায় জুলুমের প্রতিবাদ করার,
জনগনের বন্ধু তারাই দেশপ্রেমিক দল ও নেতা একক মালিক এ দেশটার,
ক্ষমতার দাপট বাহুর জোড়, তারাই ভোট চোর, কেড়ে নেয় জনতার ভোটের অধিকার,
জুলুম অন্যায় অবিচার ও পক্ষপাত,
কোথা হতে শুরু প্রতিপক্ষরে করা কূপোকাত,
কি আসে যায় তাদেরে কে পায় হয় হোক কিছু রক্তপাত,
একদল, গুরু আর ছাত্ররা মিলেমিশে হয়েছে অনেক লম্বা হাত,
কিসের ভয় কোনই ভাবনা নয় দলই ঠেকাবে সব আপদ ও আঘাত,
ছলে কৌশলে কিবা গায়ের জোড়ে সবকিছুতেই হওয়া চাই ওরে বাজিমাত,  
নেতা সকলই পারে, কভূ কারো কাছে নাহি হারে রাতকে করে দিন আর দিনকে রাত,
একদিন মুছে যাবে সব অপরাধের দায়ঋন সামনে অঢেল ক্ষমতা ও টাকার সোনালী দিন ও এক রাঙা প্রভাত,
কোন কারণে কোন সে যাদুর টানে মানুষ হতে এসে সোনার ঐ ছেলেগুলি শেষে বন্য পশুর চেয়েও নগন্য অধম হয় ॥
আধূনিক রাজনীতির অভিশাপ,
সব সামলাবে উপরের অদৃশ্য প্রভাব ও চাপ,
আছে কত বড়ভাই সীমা নাই ও তারপর বড়নেতা ধাপে ধাপ,
ভেংগেচূড়ে মানুষের বিশ্বাস,
কায়েম করে সে এক ভয়ংকর ত্রাস,
হয়েছে কারচুপির বিজয় সাধন ভোটে পাশ,
জুলুমে অবিচারে দেশটা হয়েছে সয়লাব,
সেতো ভোট নয় ক্ষমতার জোড়ে ক্ষমতায় জয় লাভ,
কথাটা মোটেও মিথ্যে নয় সব সাধন করা হয়,
প্রতিপক্ষ আর নেতা কর্মীদেরে তারা ত্রাসে করে আশপাশ জয়,
তারপরে সাধারণ লোকেরে মারধর লাঞ্ছনা অপমান করে দিয়ে জেল জুলুমের ধমক ও দেখিয়ে গুম-খুনের ভয় ॥
চলছে টেন্ডারবাজি,
প্রকাশ্যে উৎকোচ ঘূষ ও চাঁদাবাজি,
গরম গরম কথা চরম মন্দ ব্যাবহার হেন সন্ত্রাসী ও পাঁজি,
দিবালোকে জনসমখ্যে সব হয় কিসের ভয় কেউ থাকবা নাথাক তাতে রাজি,
জুলুম অন্যায় আর পক্ষপাত ও অবিচার তারাই বাদী বিবাদী স্বাক্ষী ও সকল কাজের কাজি,
দেখেও দেখেনা শোনেও শোনেনা বুঝেও বুঝেনা সে এক অবাধ বিশেষ ছাড়,
ইচ্ছে করেই কিছু বলেনা ধরেনা করেনা সরকার তারাই করে বিচার নিজ রাজ্যটার বিঞ্জ হাকিম সাজি,  
সকল বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের প্রধান,
একটা জালের ভিতর ভরে পূরো এই দেশটারে এভাবেই চালাতে চান,
হাতের মুঠোয় সব সবাই বাধ্য ও শান্ত নিরব তাতেই রাজায় বেশী শান্তিসুখ পান,
কিছু সংখ্যক শিক্ষক ও একদল অনূগত পোষ্য হিংস্র বন্য ছাত্রের সংগঠন সেতো সরকারেরই অবদান,
এই হলো এ দেশের গনতন্ত্র, দলীয় রাজনীতি, শিক্ষাব্যাবস্থা ও ছাত্র রাজনীতির প্রকৃত ছবি ও পরিচয় ॥
তাতো সবাই দেখে সবাই জানে সবাই বলে,
পূরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাটা তাদেরই গড়া স্বশাসিত আপন রাজ্য না হলে,
কেমনে তাহলে ছাত্র নেতাদের কথায় বা ইচ্ছায় সব কাজ হয় সদা ঐ প্রশাসন উঠেবসে চলে,
ক্ষুদ্র হলেও ক্ষমতার বলে ছাত্রদের ঐ সংগঠন,
সরকারের মদদ ইন্ধন ও রশদে ত্রাসে করে সবকিছু শাসন দমন নিয়ন্ত্রন,
শত অন্যায় করেও তাই তারা বুকটান করে চলে,
যাদের ছাড়া সিংহাসন হারা দলই অঁচল সবকিছু হয় যাদের বলে,
লাঠির বল দুরন্ত প্রতাপ আর নগদ কাঁচা টাকার আশায় ছাত্ররা এসে নাম লেখায় ঐ দলে,
ভয় কি তাদেরই দল ক্ষমতায় যা চায় বা ইচ্ছা করে তাইতো হয়ে যায় ঐ মার্কায়ই সকল জয় কিছু নহে বিফলে,
প্রায় অর্ধশত বছরের ঐ রাজনীতি ও গনতন্ত্র ধোকা প্রতারণা ত্রাস দূর্নীতি বিভৎস্য ভয়াবহ ও কলংকময় ॥
চামচা চাটুকার,
শ্লোগান মিছিল আর,
মিটিং ব্যানার ও পোষ্টার,
মারধর মারপিট অগ্নিসংযোগ ভাংচুর,
তারাই গড়িবে সোনার দেশ পরম এক শান্তিপুর,
কোন প্রশ্ন নাই - কেন,
হয়েছে তারা সবে সুবাধ্য ও অনূগত হেন,
বিবেক মানবতা করুণা ও মমতা তাদের কবেই মরে গেছে যেন,
কোন রদ নেই, তাই করে যা উপরের নির্দেশ,
গুম করা পিটিয়ে আধমরা পংগু কিবা জনমের তরে একেবারে শেষ,
কোন প্রতিপক্ষ নেই সব শেষ তাই অকূতোভয় যেন সবটা দেশ করেছে জয় আছে তারা বেশ,
কোনমতে একবার যদি যায় জেতে,
তিন পুরুষের কামাই পারবে শত বছর বসে খেতে,
জানে তারা কোটি কোটি টাকা লাগে শুধু নমিনেশন পেতে,
এসেছে তারা টাকা কামাতে ও প্রতাপশালী এক মস্তবড় নেতা হতে,
ইচ্ছে হয় দুঃসাহসী কর্ম্মে কেন্দ্রিয় নেতাদের অতিশয় নেক নজরে পড়তে,
তাই কেউ বেপরোয়া হয়ে যায় কেউ চায় যূগযূগ ধরে ছাত্র হয়ে ভার্সিটিতে লেখাপড়া করতে,
বিভোর সে স্বপ্ন আশায়,
নেশার জালে সুখ ভালেই তাদের দিন কেটে যায়,
একথা জানে সবাই সে জানায় ভূল নাই লেখাপড়া করে মানুষের মত মানুষ হতে তাদের এখানে আসা নয় ॥
রাজায় প্রজায় মনিব ও গোলাম,
এত লেনাদেনা বেঁচাকেনা তবু নয় কেন সাম,
ভালো কথা ভালো কাজ ও ভালো মানুষের নাই দাম,
কেমনে হবে ভিতরে বাহিরে অনেক ফারাক নেই ভাল কাম,
নির্যাতন জুলুম নিপীড়ন,
অত্যাচার ও অবিচারের দুঃশাসন,
ছড়ায় বিশ্বময় দেশ ও জাতির এ কলংক ও বদনাম সত্যই চরম পীড়াদায়ক ও বেদনাময় ॥
ছাত্রের কাজ শুধু অবিরাম পড়া আর পড়া,
গবেষনা যেন হয় মানুষের সেবা উপকার মংগল ও কল্যাণ করা,
এমন শিক্ষা ও পাঠ আকাশ বাতাস জনপদ লোকালয় মাঠঘাট দীপ্ত আলো ও সকল ভালোয় ভরা,
মানুষ নামের মানুষ নয় আসল মানুষ গড়া না যদি হয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলি তবে বদলে হয়েছে আজিকে একোন আজব আলয় ॥
পাইনা আমি কিছুতে ভেবে,
কেন হয়েছে এদেশ এমন সে দায়টুকু কে নেবে,
অবক্ষয় আর এ অধঃপতনের ক্ষতিটা কেমনে কবে কে পুষিয়ে দেবে,
এ বিশ্ববিদ্যালয় কবে হবে সেই খামার,
বিশ্বজোড়া কারখানা আলোয় ভরা ভালো মানুষ গড়ার,
অপরাধীরা আর কভূ পাবেনা ছাড়, সব অপরাধের হবে সঠিক সাজা নায্য বিচার,
মোদের ছোট্ট এ জীবনের অল্প সময় ও অল্প টাকার কোন অপচয় বা অপব্যাবহার হবেনা কভূ আর,
চাই এমন একটা উন্নত চাষ,
এ দেশ ও জগতটা যেন হয় শান্তিসুখের নিরাপদ আবাস,
কেউ হবেনা কভূ কারো জুলুমের শিকার চামচা চাটুকার কিবা হুকুমের সেবাদাস,
সাধারণ মানুষের লাগি,
একাজ করিবে ছাত্ররা সব রাত্রি জাগি,
অনূভবে চেতনায় ছাত্ররা সবাই জাগো,
সময় কম একথা ভেবে করে পণ এখনই কাজে লাগো,
বিশ্ববিদ্যালয় যেন হয় বাতিঘর আর, তোমরা সবে তীক্ষ্ন প্রদীপ শিখা হয়ে তার ভরাতে জগতটা আলোয় ও ভালোয় ॥
এক দূর্গ ও দূর্গম শিবির আর,
গোলাবারুদে ভরা এক ভয়ংকর অস্ত্রাগার,
টরচার সেল, গড়ে উঠা সে এক নিষ্ঠুর ও নির্মম কারাগার,
অসহায় বাবামা ও পরিবার,
আহা সমাজ দেশ ও জাতির অনেক আশার,
নিষিদ্ধ ঐ বদ্ধভূমিটার,  
সেরা মেধাবী ছাত্ররা সব কেন কেমনে এসে ঘাতক হয়েছে তার,
কে লবে তার দায় কবে নতুন আশার খুলবে দুয়ার শেষ হবে এ অবক্ষয় ও ব্যার্থতার হাহাকার,
বিশ্ববিদ্যালয়গুলি কেমনে এমন হলো কে জবাব দেবে বলো হতাশা ভরা সে এক করুণ জিঙ্গাসা আর হতবাক বিস্ময় ॥
ছাত্র নয় তবু যূগ যূগ ধরে তারা ছাত্র,
সব দেখে বুঝে জেনে বিবেক ফুসে উঠে জ্বালা করে বিবেক ও গাত্র,
গনতন্ত্র নয় তবু তাই গনতন্ত্র,
ঠাসা যত অথর্ব অযোগ্য ও অসৎ এক প্রশাসন যন্ত্র,
জানিনা মানুষ বানাতে হবে সফল হবো কেমনে কবে মগজে দিয়ে কোন মন্ত্র,
বিশ্ববিদ্যালয় নয় তবু লোকে তাই কয়,
বড় গলায় কথা কয় যদিও সে কোন বড় নেতা নয়,
বেশী টাকা লাঠিয়াল বাহিনী ও তার দুঃসাহসী দূরন্ত পেশী যদি হয়,
বেশী দাপট বেশী প্রভাব দিতে পারে হুমকি ধমক ও চাপ, থানা পুলিশের সাধ্য কি মামলা লয়,
একশ কোটি টাকার প্রকল্প বা কাজ তিনশ কোটি ব্যায় তবু শেষ হয়নি আজ কে গাহিবে তার এ সাফল্য বিজয়,
থানা পুলিশ উকিল হাকিম আমলা,
নিয়ে যদি সবে বসে থাকে একটা বিশাল বড় গামলা,
সব যদি একাকার হয় ন্বিঃস্ব দূর্বল ও অসহায় আর কি কভূ তারা পাবে বিচার রয়েছে তাতে আমার ঢের সংসয় ॥
সাবাস বাহাদুর অ সরকার,
করেছ দখল সব প্রতিষ্ঠানগুলি শিক্ষার,  
অসৎ কিছু শিক্ষক ও ছাত্র নামের চামচা চাটুকার,
দূনীতি আর জুলুম অত্যাচারের শত শত উৎস ও নষ্ট খামার,
কেউ জানেনা কারো চোখে পড়েনা আহা কি মজার বিষয় দারুণ চমৎকার,
গড়ে উঠেছে টিকেও আছে নেই যেথা প্রশাসন কিবা পুলিশের কোন প্রবেশাধিকার,
জঘন্য অপরাধী সব ছাড়া/বেইল পেয়ে যায়, বছরের পর বছরেও হায় তার হয়না বিচার,
তাইতো অপরাধ হয়না দমন বরং দেখি ক্রমশঃ তার দুঃসাহসী বেপরোয়া ও ভয়াবহ বৃদ্ধির হার,
সবে জানে সেতো আসলে,
তা বুঝেই তারা যেন এক জুয়া খেলে,
জনগন চুপকরে সে তামাসা দেখে দুটি চক্ষু মেলে,
কেউ কেউ ভয়ে ভয়ে মাঝে মাঝে দুচারটা হক কথা যদিও বলে,
শতকোটি টাকার মালিক ব্যাবসায়ী ও আমলা রাজনীতিতে আসে তার ব্যাবসা-চাকরী ফেলে,
ভাগ্য ভালো হলে সবাই মনেমনে আশা করে আর বলে যাবে হয়ত কপালটা খুলে একবার ঐ সুযোগটা পেলে,
পূঁজি ছাড়াকি হয়রে রুজি,
তাইতো ভাই আমরা সবাই হয়তো তাই খুঁজি,
সম্ভ্রান্ত সমঝদার পেশা ও ব্যাবসা সমাজের একেবারে উঁচূ মহলে,
বদলে গেছে দিন বদলেছে সময় ও দরশন - লক্ষ হাজার ছাত্ররাই শুনি তাই বলে,
সবাই জানে এ রাজনীতি নয় তার মানে জনসেবা কিবা সমাজ কল্যাণ চমৎকার এক ব্যাবসা আসলে,
লেখাপড়া করে কি হবে, জীবনে অনেক টাকার দরকার,
সবখানে দেখি ভালোমানুষ আর সমুদয় তার ঞ্জান গুন ও বিদ্যার ভরাডুবি ও পরাজয় হার,  
অ সরকার অ শত শত বিশ্ববিদ্যালয়,
সব জাগ্রত সচেতন আত্বা মনন ও কন্ঠগুলির কি হয়েছে লয়,
দোষ ত্রুটি ভূল জুলুম অন্যায় ও অবিচারগুলি চোখে পড়ার মত নয় কারণ বুঝি তার এখনও হয়নি সময়,
যতই শুনি জয় জয় হর্ষধ্বনি সেতো আসলে ওরে নয় বিজয়, বলো কেমনে কবে কে ঠেকাবে দেশ ও জাতির এ অবক্ষয় ॥
বোঁকার রাজ্যে আহারে ধোকার রাজনীতি,
অর্থ ও ক্ষমতার প্রতি অপার ও সীমাহীন লোভ ও মোহ প্রীতি,  
পক্ষপাত ও অন্ধ সমর্থন দল নেতা মার্কা ও কর্মীদের একে অপরে সকলের প্রতি,
শুধু নাই ঐটুকু পেতে চাই ভিন্ন মত কিবা বিরোধী পক্ষের প্রতি সুবিবেচনা ও সামাণ্য সহানূভূতি,
দেখেছি অনেক ঐ গনতন্ত্র,
মিথ্যা ফাঁকি ও প্রতারণা আশা ও সান্তনার মন্ত্র,
পেষন দমন নিয়ন্ত্রন ও শাসনের নামে দুঃশাসনের এক অভিনব যন্ত্র,
ক্ষমতায় যেতে হয়না ভোটের দরকার,
একজনে যাহা ইচ্ছে খুশী করে সেকি নহে ওরে স্বেচ্ছাচার,
মন্ত্রী আমলা ও ছাত্র নেতারা গড়েছে বিশাল বড় ঐ টাকার পাহাড়,
মনেহয় এ দেশটা যেন একেবারে বেওয়ারিশ কেউ নাই দেখার ও বলার,
পেয়েছে বুঝি বাপদাদার সম্পদ ধন তাই চলছে এমনি তচনচ হরিলুট ও ছারখার,
এক সাহসী দার্শনিক পথিক হাটিতে পিচ্ছিল পথের মাটিতে পড়ে গিয়েও উঠে সে দাড়ায় আবার,
মহৎ বৃহত সৃজন লাগি,
একটু জাগি করে গবেষণ তার করুণা মাগি,
আর নহে মন্দের প্রস্রয় আশ্রয়,
পেতে বিরল সাধন সামাণ্য বির্সজনতো দিতেই হয়,
যা ন্বিঃস্ব মজলুম ও অসহায় মানুষে যাচে যদি তারা ভালোয় বাঁচে তবে নিশ্চয় হয়ে রবে তাদের কাছে তা চীর অক্ষয় ॥
এ অবনতি পরিনতির লাগি দায়ী শুধু সরকার,
যতই করুক মানা সেতো সবারই জানা কিবা তা অস্বীকার,
হলেও ভূমিকা এখন চতুর এক বধীর কানার তারই ষোলআনা দায়ভার,
যাই বলি সংস্কার কিবা শুদ্ধি অভিযান ঠিক করা সব প্রতিষ্ঠান কিবা উন্নয়ন তার মান সে সক্ষমতা শুধুই তার,
গনতন্ত্র মানেতো এক পক্ষ নয়,
ভিন্ন মতের সবারে লেখনী কিবা কথা বলার অধিকার দিতে হয়,
কিসের মানুষ সেজন ওরে যেজন সুবোধ সুজন সুবিবেচক ও সহনশীল নয়,
তাই বহুদল বহুমত বিতর্ক সমালোচনা হবে ও সে প্রতিদন্দিতার হারজিত মেনে নিতে হয়,
কেন একে অপরের ভাই কিবা বন্ধু সম নয়, আধূনিক যূগের এ সভ্য সমাজে দেখি একোন অসভ্য বর্বর আচরণ ও পরিচয় ॥
একটা দল তারাই শুধু দেশপ্রেমিক,
কাজে তার আমরা এবার অনেক প্রমাণ পেয়েছি সঠিক,
কোন দোষ নাই শুধু আপন গুনের বড়াই তবু কোন ভয়ে অন্তর সারাক্ষণ করে টিকটিক,
যত দোষ ও দায়ভার সব পূরাতন,
তাদের ভাষায় বাকীরা সবাই দেশ বিরোধী ও দূষমন,
ওরে সব জানে সব বুঝে বোঁকা নহে আর এখন এদেশের জনগন,
মোখে মধু অন্তরে গরল কিসের বন্ধু কিসের মিতা,
নাহলে কি দিয়ে কি পেয়ে কি নিয়ে হয়েছে গড়া মূর্খের এ কুটুম্বিতা,
দেখিছে সর্বজনে সেকি নয় দেশের সনে গোপনে দূষমণি এক বেঈমানি ও স্বেচ্ছাচারিতা,
ছোট বলে তারে নানান চাপে কিবা কৌশলে, বন্ধু ও প্রতিবেশীরে ঠকানো তাই কি শিখায় বলে মহান গীতা,
এই যদি হয় আর এভাবেই চলে ভাবিলে মোর লাগে বড় ভয়, অনাগত আগামীতে এ দেশ ও জাতির কিজানি কি দশা হয় ॥
বিগত আটচল্লিশ বছরে বহুবার,
দেখেছি আমরা শুভংকরের ফাঁকি ঐ গনতন্ত্রের বাহার,
দেখেছি ঝোলাটা খুলি শুধু গাল ভরা রাঙা বুলি ছাড়া তার কি আছে আর,
জেনেছি ঢের দেশ জনগন ও মানবতার করেছে কবে কোন মহৎ উদার বিশাল উপকার,
দেখেছি হেথা বারবার,
মনভরা জমানো কত কষ্ট ব্যাথার ভার,
কত ছাত্র হয়েছে সন্ত্রাসী খুনী অপাত্র মন্ত্রী আর পাতি নেতারাও মালিক হাজার কোটি টাকার,
উগ্র ঘারতেরা গনতন্তের আগার,
নিপীড়িত অগনিত আত্বার অস্ফুট আর্তনাদের ভাগাড়,
যেথা বিবেক ও আদর্শের হয়েছে ভরাডুবি তা দেখে জনতার নিস্ফল হাহাকার,
গনতন্ত্র মানে এখন সবাই জানে মিথ্যা ও মন্দের কাছে আলো ও ভালোটার হার দেশ জনতার সময় ও টাকার হরিলুট অপচয় ॥
যে গনতন্ত্র এখন দেশে চলমান,
আর ছাত্র রাজনীতির বিভৎস্য বিকৃত অবদান,
অযথা অকারণ প্রতিপক্ষরে করা জ্বালাতন নাজেহাল ও পেরেশান,
টরচার জুলুম ও অত্যাচার,
ভয়ে থাকে মেনে লয় বশ্যতা কিবা হার,
ঐ জালে ধরা দেয় কিছু আশা করে কিবা পেতে চায়,
কভূ চলার পথে হায় যদিরে সামনে পড়ে যায় তবে বারোটা বাজায়,
জুনিয়রদের কিবা কেউ যদি হয় ভিনদলের যেন তার নেই কোনই অধিকার,
তারাই রাজা আর এ রাজ্যটা তাদের কিবা গোটা এ বিশ্ববিদ্যালয়টা যেন তাদের বাবার,
ডাইনিং হল, লাইব্রেরী ও রিক্রিয়েশান হল,
ক্ষমতাসীন সরকারের অনূগত ছাত্রদের রয়েছে যেই দল,  
দূরন্ত দাপট ও বাহুবল করে রেখেছে তারা আশপাশ সকলই দখল,
অবাধ্যরা সব মরে ধুকেধুকে আর তারা যেন সবে সালাম ঠুকে ফরমায়েস খাটে তাদের রাজত্ব ও দাসত্বটা মেনে লয় ॥
আবাসিক হল রয়েছে কত খালি পড়ে,
নিজেরা থাকে একজনে একা চার কিবা ছয়জনের ঘরে,
কমকরে এক বছরের আগে ভিন্নদল বা নতুনদের ঠাই নাই কোথাও ওরে,
কিসের ভয় কিসের লাজ,
দেখা শেখা ও অজানাকে জানা সেইতো বড় কাজ,
যাদের হয়নি পড়া শেখা ও জানা সহস্র বছরের ইতিহাস প্রয়োজন তা পঠন আজ,
মহাপরাক্রমশালী কত শাহী মসনদ,
কেউ টিকে নেই প্রাচীন যূগের সেই কবেই তারা হয়েছে নিধন বধ,
নেমে এসে নিরব আসমানী বাজ ধ্বংস করেছে যত সব ত্রাস ও জুলুমের রাজ ছিল যারা ঐ যূগে ভয়ংকর ও বিভীষিকাময় ॥
অদেখা তপ্ত চোখের জলে,
বড় আফসোস আর আক্ষেপ করে দেখি সবে বলে,
কেউকি এমন নাই ঘূনে ধরা এই সমাজটারে ভেংগে ফেলে নতুন করে সাজাবে ঢেলে,
হতাশায় ভাগ্যাহত ও পরাজিত অসহায় এদেশ ও জাতি,
ডাকিছে আসো কে পারো না করে বিলম্ব আর বদলে দেবে তা রাতারাতি,
দূর্নীতি ও দুঃশাসনের করে তোষামোদ খোশামোদ ও তাবেদারি কিবা ধরে মাথায় ছাতি,
চাইনা কেহ মিথ্যার বেসাতি আর রঙমাখানো বিনোদন ও ভোগবিলাসের মাতাল বিভোর এ মাতামাতি,
অত্যাচারিরা ওরে সবাই শোন মরণের বাকী আর কত সময় তা গোন ঐ আসিছে ধেয়ে ক্ষিপ্র বেগে ধ্বংসের এক মহাপ্রলয় ॥
রাজারও হয় বিচার,
কোন বিচারকই পায়না হেথা ছাড়,
নেই কোন পক্ষপাত নিখুঁত পাকজাত বিধাতার ঐ শাহী দরবার,
আর কত হয়েছে ঢের অন্যায় অপরাধ যেন পূরো একসের যতই বলয় ঘের সাধ্য কার,
আত্বশুদ্ধি না হলে চাই এবার ভেংগেচূড়ে তার সংস্কার,
নিশ্চয় বিজয় বাকী তার দূর্নীতি ও অপরাধের কাছে যার আপোষ ও নতজানু হার,
এসো সবে মিলে গড়ি,
হাতে হাত ধরি বাঁচি কিবা মরি,
সব বিবেকের মাঝে যেন দেয় পাঠ ও শোনায় বাণী প্রতি দমে প্রতি কাজে এমন একটা আকাশ ছোয়া বিশ্ববিদ্যালয় ॥