সেদিন ছিল আশ্চর্য কবিতার দুপুর।
নিঝুম পুকুরের ধারে একটি সাদা বক
আর অথৈ জলের এক পানকৌড়ি দেখেছিলো
মেঘমনা মেয়ের নীলবর্ণ ঝিলের মতো চোখ।


কমলা রঙা শাড়িতে তার ঠাণ্ডা আগুন ঠিকরে বেরোয়।
পুড়ে যায় অসুখী ধারণা যত। পুড়ে যায় পুরোনো শরীর ।


এক জোড়া পায়রা উড়বে বলে অপেক্ষাতে ডানা ঝাপটায়।
করুণ বৃন্তের কাছে আমার শতাব্দী প্রাচীন ভাগ্য ঋণ আছে।


প্রকাশিত হতেই সারা আকাশ জুড়ে তাদের মুক্তি উড়ান।
কোথায় দেখেছি যেন? অজন্তার নন্দা অথবা রোমের দেবী ভেনাস?


সেদিন ছিল আশ্চর্য কবিতায় ভেজা প্রশান্ত দুপুর।
অলক্তরাগ সেই মেয়ে আমাকে শুনিয়েছিল তার ছন্দ, তার রৈখিক অভিমান।