আমার মৃত্যুর জন্য— কাকে দায়ী করবো !
প্রিয়তমা
যার মুখচ্ছবির বুঁদবুঁদ
প্রতি রক্তের কণায়
নাকি  ভগবান !
কি জানি— বড় বিস্ময়— বড় দ্বন্দ্ব
কাকে করি— সমাপ্তের হিরো ।
এতক্ষণে চোখ খুলল
একটু বাঁচবার অজুহাতে ছুটে যাওয়া পথের
ধূলিকণা— মুখ ফিরিয়েছে
জীবন বৃত্তান্তের সাক্ষী, সে শুধু— আমি
বাঁচা-মরার লড়াই প্রতিদিন
ঘুম ভাঙা প্রথম সকাল— ভাবি
আজ বদলে যাব নিশ্চয়ই ।
অদৃষ্টে ভগবানের লাটাই— বড় পলকা সুতোয়
উড়ছে— জীবন ঘুড়ি ।
একটা ঝড় উঠেছিল বায়ুমণ্ডলে
কালো মেঘের তলায় হারিয়েছিল জীবনের
রঙিন ফানুস । সুতোয় বিষাদ কম্পাঙ্ক
ঈশ্বর শোনেনি
বৃথাই বেজে গেল— সমাপ্তের এলার্ম ।
আর প্রিয়তমা— সে তো রক্তে-মাংসে গড়া
অতশত বোঝেনা— অথবা
আমারই মতন— ঈশ্বর সুতোয়
ঘুড়ি হয়ে উড়ছে
সুখে-দুঃখে, টানা পোড়েনে
তাই মৃত্যুটা— আপাতত তোলা থাক
কোন এক— অজুহাতের আশায়...