সেই নদীটার নাম মনে পড়ে তোর
আঁকাবাঁকা বিনুনির মত—
আমাদের খোলামকুচি নদী !
বুকের ভীতর অজস্র কচুরিপানা নিয়ে— স্তব্ধ
নির্বাক আকাশের তারা গুনত...
সেই বিকেল গুলো ইশারায় ডাকে
কখনও ছায়াপথ, কখনও—
সেই পাথরের ঢিবি
মনে পড়ে...!
জলোচ্ছ্বাস প্লাবিত ঘনঘোর বর্ষায়— নতুন রূপে
বিমুগ্ধ খোলামকুচি ।

রাজপুত্র, রূপকথা, পক্ষীরাজ...
আজীবন টলমল ।
সেই সুদূর ছেলেবেলা চিলেঘুড়ি
সস্তার ভাত আঠা
শৈশব কৈশোর
ভেঙে গেছে পুরাতন খেলাঘর ।
একটা, একটা করে ঝরে যাচ্ছে
বুড়ো গাছের চোখের জল
আকাশের পানে তাকিয়ে, অনেক— অনেক দিনের পুরানো গল্প
শিকড় গাড়ছে...
সময় সংক্ষিপ্ত ।
সমস্ত কোলাহল ছাপিয়ে আজানের মত—
বলতে ইচ্ছা করছে, ওগো...

সব দরজা বন্ধ
চোখের সামনে ঝাপসা দৃশ্য, কত—
কত জানা, অজানা— এলোমেলো ...