নিঃশব্দ নিশুতি রাতে জ্যোৎস্না জড়িয়ে গায়
নেমে আসে চাঁদ ঐ জানালার পাশে তার হাসিমুখ নিয়ে,
নির্বাক জুবুথুবু আমাকে সে বলে যায় কানে -
' থেকোনা শূন্যতা নিয়ে অশ্রুভরা ওই চোখে এমন বিমর্ষ হয়ে,
যাকে চাও সে তো আছে চোখেে চোখে আমারই স্নেহের ছায়ায়।
দুঃখ দিওনা তারে অমন নোনা জল ফেলে,
সে যে বড় অসহায়, পারেনা পৌঁছে দিতে তার আকুল আবেদন,
পারেনা প্রেমের উষ্ণতা দিয়ে তোমাকে সে ছুঁতে' !


শূন্য দৃষ্টিতে চেয়ে থাকি অপলক,
নিঃশব্দে নির্ঘুম রাতে।
মায়াবিনী চাঁদ রয় জেগে আমারই পাশে পাশে -
জানালার ঠিক ওপারে।
কিছু কথা সেও যেন বলতে পারেনা আমাকে।
ওই চাঁদমুখেও দেখি এক নীরব বিষণ্ণতা,
বারে বারে দেখে সে আমায় বোবাদৃষ্টি দিয়ে
উড়ে চলা ধুসর ওই মেঘেদের ফাঁকে।


কেন ঘুমেরা আসেনা আর দুঃস্থ দুচোখে,
চোখের পাতারা করে বিদ্রোহ বার বার
নোনাজল বয়ে যায় অক্ষিকোটর হতে,
বাধাহীন ওরা অনিবার।
জানালার কাঁচও যায় ভেসে রাতের শিশিরে শিশিরে,
ধোঁয়াশা নয়নে দেখি চাঁদও যেন আজ যায় ভিজে,
মরুতৃষা নিয়ে মন শূন্যদৃষ্টিতে রয় পড়ে -
হৃদয়ের দরজাটি খুলে।
_______________________
অমিতাভ (৬.১.১৯) বাড়ি, রাত ১০-২৫