দেহের ভেতর ইতিউতি ইচ্ছেপোকা মারছে উঁকি
বেশ তো দেখি আছে ওরা, ধরছে যে মাছ না ছুঁয়ে পানি ।
কখনও কেউ দেখছে মেয়ে আনমনে কোন্ ছাদের কোনে
দেখছে তাকে খুব তারিয়ে আঁকে বাঁকে গভীর খাঁজে ,
উঁচু নিচু নরম ভাঁজে ।


কখনও কেউ মনে মনে আঁকছে ছবি আপনমনে –
ধ্যনমগ্ন, নির্বিকল্প গাছের তলায় বুধ্বদেবের ।


কেউ বা কখন উঠছে ক্ষেপে চাই টাকা তার অনেক অনেক
আবার কেউ যে রাতের মায়ায় ওরা স্বপ্ন দেখে লাসভেগাসের ।


অনেক সময় শুনি আবার পোকায় পোকায় মারামারি
কেউ বা বলে-
বেশ কোরবো দেখবো মেয়ে – নয়তো যাবো বেশ্যাবাড়ি  
তখনই কেউ গর্জে ওঠে – মারবো টেনে বেআক্কেলে ,
যা দেখি তোর মুরদ কত, তোর সাহস তো কম নয়রে ধাড়ি ?
কেউ বলে আর ভাল্লাগেনা – দুর শালা দে মালের বোতল


হাত ধরে কেউ বলে তখন –
আর একটুকু তুই অপেক্ষা কর একটুখানি ধৈর্যটা ধর   ...
তার পরেই তুই দেখিস কেমন নীল আকাশে সোনালী সকাল !


কেউ কখনও আপনমনে উদাসি মন পাগল হাওয়ায়
কাশের বনে ধানের ক্ষেতে কিংবা বটের ছায়ায় ছায়ায় ।


কেউ বা আবার স্বাধীনচেতা শেকল ভাঙ্গার গান গেয়ে যায়
উদার কন্ঠে গাইছে রবি জীবনানন্দ নজরুল কবি ।


চুপটি করে ঝেঁকে দেখি আমারই এই মগজটাতে
হাজার হাজার পোকাগুলোর অবিশ্রান্ত হুড়োহুড়ি,  
বেশির ভাগই এওর সাথে করছে ভীষন মারামারি
দিনের শেষে এ’সব দেখে আমিও যে হাঁপিয়ে পড়ি ।


ভাবি তখন এরা কারা এতগূলো লক্ষিছাড়া
কারা আবার এরই মাঝে - মাঝে মাঝে রুখে দাঁড়ায় ?
মনে মনে বলি তখন - কর তোরা সব মারামারি
শান্ত হলে বলিস তখন , একটু এখন ঘূমোই আমি।
==============================
অমিতাভ (২০।০৩।২০১৪) বাড়ি ৪-৩০