''পথিক! তুমি কোন পথে যাও?''
''আমি আমার পথে যাই। আমি পথ খুঁজে ফিরি।''
''পথিক! তুমি কী পথ পেয়েছ?''
''না! আমি পথ পাইনি। তবুও পথ খুঁজে ফিরি।
শত পথ ঘুরে ঘুরে যদি পাই-----''
''পথিক! হাসালে! পথ না পেয়ে কীভাবে চল? ডর কী নেই?
বুক কী কাঁপে না? হতে পার বধ যখন তখন।''
''তুমিও হাসালে, পথে যদি নাই নামি, কে আমায় পথ দেখাবে?
পথ ধরে চলি বলেই এ পথে চলবে শতদল।''
''পথিক! ভুল পথে চলছ তুমি।''
''ভুল পথে না চললে সত্য পথ পাব কীসে?''
''পথিক! তুমি কত বোকা। তোমার প্রাণের মায়া বুঝি নেই?''
''প্রাণের মায়া যদি পথ রোধে, তব সেই প্রাণ রুধিব নিজেই।
আমি পথে চলতে চাই, আমি অন্বেষন করি সত্য পথের।
যত কণ্টকই থাকুক, যত দুঃখ দুর্দশা থাকুক,
যত বাঁধা বিপত্তি আসুক, যতই হন্তারক পথ রধুক--
আমি এগুতে চাই, বুক চেতিয়ে এগুতে চাই।''
''পথিক! তুমি আমায় বুঝলে না।''
''আমি জ্বরাজীর্ণকে বুঝি না-
আমি পিছে লোকের কিছু বলা মানি না-
আমি শত বাঁধা তুচ্ছ্জ্ঞানে যেতে চাই শিখরে,
সফলতার শিখরে।
যদি হই বধ; কিবা আসে যায় তাতে।
কেউতো আসবে মম পথ ধরে
সফলতার চূড়া ছুতে।
তুমি শয়তান! তুমি মিথ্যা মোহ,
পথ রুখতে চাও?
কীভাবে রুখবে, দেখছ না বিশাল সারি এ পথের পথিকের।''
''পথিক! পথিক! যেওনা----''
কিন্তু পথিক পথ চলে। সফলতার সিড়ি ধরে।
সত্য-সঠিক পথে।