গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গেছিল একটা দুস্বপ্ন দেখে !
ভোরের দিকে আবারও ঘুমটা ভেঙে গেল !
ফোন বেজে ওঠে- সে চলে গেছে রাতেই ;
কিছুক্ষন নিথর বসে থাকি
হাসি মুখটা ভেসে ওঠে, কথাও যেন ফুটে ওঠে
– ‘’তোরা আর আসিস না কেন ?
তোদের দুটিকে দেখলে ভালো লাগে ...’’


   আজতো দোল পূর্নিমার চাঁদ বড় থালার মতন !
কত আনন্দ হবে কত হাসি কত গান কত গল্প !
শুধু তুমি নেই... এইতো দেখো এসেছি আমরা!
বলবে তোমার প্রিয় গান কোনটা ?
তুমি আমাকে একটা নাম দিয়েছ !
মিছিমিছি মনে মনে রাগ হতো কত
নামটা আমার একেবারেই পছন্দ নয়...
পৃথিবীতে এত নাম থাকতে একটা বিচ্ছিরি নাম !
কোনদিন বলিনি... আজ বলছি ডাকবে সেই নামে...
কই ডাকলে'নাতো ! রাগ হলো নাকি ?
আবার বাচ্চাদের মত রাগ দেখানো হচ্ছে !
তুমি যে বলতে হাসিমুখ দেখতে খুব ভালো লাগে!
এইতো দেখো আমি হাসছি আমরাও হাসছি !
তুমিও হাসো গোমড়া মুখ একদম ভালো লাগেনা !


একটু একটু করে দেখো সূর্যের তেজ ক্রমশ বাড়ছে!
যদিও বসন্তের বাতাস মৃদুমন্দ বয়ে যাচ্ছে !
হটাত হটাত কোথাও কুহু কুহু স্বরে কোকিল ডাকছে!
আমরাও অনুষ্ঠানের এখন শেষ পর্যায়ে এসে গেছি !
শেষ করব তোমার সেই প্রিয় গান যা ছিল সবার!
তুমি গলা মেলালে বেশ ভরাট হবে এই আসর !
জলদ-গম্ভীর ধ্বনি বারবার যে শুনতে ইচ্ছে করে!
         আমরা তোমার গান শোনবার অপেক্ষায় ।