আত্ততা,
তোমার জীবনের প্রায় প্রতিটি পঙক্তিমালা পড়া হয়ে গেছে।
এখনো যে'টুকু বাকী আছে, সে'টুকু গল্প;
তুমি বলো বা না বলো,
আমি জেনে যাবো।
আশা করি পাবো কিছু পূর্ণিমার রাত।
বিনিদ্র আখিঁপাত; নিঃসীম, অতলান্ত আকাশে
আনমনে কোন অবকাশে কোটি তারায়
যদি হারায় আমার মন,
যোজন যোজন দূর হলেও সে
নিয়ে এসে যবনিকা টানবে।
তুলে আনবে অর্ধ শতাব্দীর অব্যক্ত অধ্যায়গুলো।
যখন দূর্ভেদ্য শিলালিপি নিয়েছি চিনে,
মাত্র ক'দিনে; তাই তুমি নিশ্চিত থাকতে পারো,
মস্তিষ্কের নিউরনে সাজানো পাণ্ডুলিপি
প্রেসের বুক ছিঁড়ে ধীরে ধীরে উন্মোচিত হবে,
জীবন পাবে।
অদৃশ্য অদৃষ্ট যদি বেঁকে না বসে,
পৃথিবীর এমন কোন শক্তি নেই-
তা আর রুদ্ধ করতে পারে।
দূর্বার ধারে রাখা শৈশব, কৈশোর;
যৌবনের ভোর, স্বপ্নে দোর খোলার শব্দ;
নিঃস্তব্ধ, নীরবে প্রাণ পুরুষের আগমন;
ঘোমটার আড়ালে থাকা প্রতিমার মন
অকারণে কেন হল ব্যর্থ বিসর্জন,
অস্পৃশ্য শিউলি সকাল, তারপর তপ্ত দুপুর;
কিছুই থাকবে না একান্ত গোপন।
যখন করেছি অঙ্গীকার, অধিকার প্রতিষ্ঠার,
তখন তা আমি শেষ করে যাবো।
আত্ততা, ভেবো না-
শেষ অঙ্ক লিখেই আমি নিজেকে হারাবো।