"হিংসে করে কোন জলের হংস হবি"
                       বিপ্লব দাস


বন্ধু আর একটু ধৈর্য  ধরো,
বিনয়ের সঙ্গে হারিয়ে যাবো আমি।
আর দাঁড়াবো না ছাইমাখা মুখ খানি নিয়ে–
'মিছাই' পঁচিশটা  বসন্ত পেরোনো, আগাম পৃথিবী বলে দিয়েছে
তার সঙ্গে দুঃখী  হাওয়া– রা।
হাওয়াদের ও বুক ফাটে দিবসে দিবসে–
অশ্রু ঝরে মনুষ্য কু–রঙ্গে।
আমারও হৃদয় ভাঙ্গে, ধোঁয়া উড়ে না।
এতো কাল পরে আমি বুঝেছি–
এ একতরফা শ্বাসকষ্ট প্রস্থান।


যে কচুরিপানা পচনের গৌরবে ও ভেসে যায়,
আমিও ভেসে যাব বিষন্ন ভূ–লোকে।।


বন্ধু আর,
আর একটু ধৈর্য ধরে দাঁড়াও।
আর দুটি কবিতার লাইন শোনায়
বন্ধুর মুখে কখনোই  হ্যাঁ মাখা প্রফুল্ল শব্দ শুনিনি–
বরং কুড়ুল এর মত ভ্রুকুটি কেটেছে আমার নরম হৃদয়।


আমার হৃদয়ে যে সবুজ স্বর্ণের  ছোঁয়া লেগেছিল,
বন্ধুদের কাছে নাকি তা হাস্যকর।


বেশ, তাহলে হোক আমারই ধ্বংস।
ঈশ্বরের পেন্সিল না চলুক –আমার নামে
                  বন্ধু করো সবাই আমাকে অভিশপ্ত।।
না পারি যেন, ঊর্ধ্বগগণের  সিঁড়িতে  উঠতে।


জানি, প্রতিভার প্রদীপ জ্বালতে দেবে না তোমরা।।


এই কাজের কবরস্থান দিতে পারবে না তোমাদের কেউ.........
এ কাজেই অবিনশ্বর পারদর্শী তোমরা।।


আর কিছুদিন পর পৃথিবী ধ্বংস হবে।
গাছে কুঁড়ি আসবে না,
পাখিদের কলরব থাকবে না,
গাছগুলি শুকনো হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।
পৃথিবীতে  অম্লজানের অভাব দেখা দেবে,
এই খোলস বৃত্তেই হবে শুধু ভন্ডদের  নৃত্য।
মানুষ মশার মতো মরবে।।


তবে বল বন্ধু – "হিংসে করে কোন জলের হংস হবি"
আদতে কি সত্যিই তুই  ভাসতে জল পাবি?


                 রচনা– বিপ্লব দাস
          ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১
*****************************