তাদের কাছে ফিরে যাই
মাটির সোঁদা গন্ধ ,
বৃষ্টির প্রতিক্ষায় থাকা কলমির কাছে
আদিগন্ত নদী-চরের কাছে
যেখানে খাঁ খাঁ শুন্যতা ,
বুক ভরে রাখে কোন ব্যাখ্যাহীন মায়ায় !


স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে চেয়ে থাকে পাড়ভাঙ্গা নদী
চটুল ঘাসেরপাতা , নিঃসঙ্গ বালুচর
নিস্তরঙ্গ জোছনার কাছে ফিরে যাই
আকাশ ভেঙে নামে একাকি চাঁদ
যেখানে ধুধু প্রান্তর ,
ভরে থাকে নিদারুণ ছায়ায় ।


নদীর দিকে মুখ করে থাকে সবুজ
কে  যেন স্বপ্নের  বৈদ্য সাজায়
দিনভর সোনালি প্রজাপতি ঊড়ে
এক আছে সোনালি কাব্যের মাঠ !


তবুও সেখানে রাত্রিরা বিপন্ন
আতঙ্কে জীবন কাটে নদীর
তাদের দুচোখে টলমল জল
সে জল নিয়ে উড়ে পূবালী বাতাস !


নদীর উন্মনা মনের ভেতর
থই থই বেদনার কাব্য
ছায়াশিল্পে আঁকে
কেবল আমারই প্রতিমূর্তি ।


তাদের নৈশব্দে বলা কথারা
আমার হৃদয়ে এসে ঢেউ তুলে
আমি তখন আর মানুষ থাকি না
দিগম্বর নদী হয়ে ভাসাই পৃথিবী
বর্ষা নামে ,প্লাবন হয় ,
ভেঙে দিই সব কিছু
সবাই ভাবে বর্ষা এলো বুঝি !


আসলে আমিই নামি
খুঁজে বেড়াই নদী-খেকো দানবের ভিটে-মাটি
একথা কেউ জানে না , জানে কেবল নদী !