.                     ও অংশুমালী।।
        নিঃসঙ্কোচে ঢালো টক্টকে দোয়াত কালি,
              উবে যাক জোনাকি-জোছনা,
       শীঘ্রই আঁকো আমার মাথায় মস্ত ঊর্ধ্বকমা।
                কাটো আঁকচিরে যত খুশি ,
          এক নিপুণ জীবনের ছেলেমানুষী
                    গণ্ডির চৌকাঠে,
          মাথা ঠুকে ঠুকে নিরস বন্য কাঠে -
                    প্রমত্ত কাঠবেড়ালি
                      ও অংশুমালী ।।
               যত সব মাতাল দ্রাক্ষালতা-
                শুধু কিছু অলংকার-হীনতা
              হাত রাখে লাঙলের হাতলে,
                কিংবা পা দুর্বল-দূর্বাদলে
       কয়েক লক্ষ গোলাপ সমষ্টি অন্ধলোপে
নিমডালে ঠাঁই পায় ঊর্ণনাভগোষ্ঠী সবুজ শস্যঝোপে
             কবুল হোক ভাবনাসমগ্র বন্য--
     তবে গঙ্গাফড়িং মেরোনা, ঝিঁঝিঁরা অতি নগন্য
      শেয়ালের পাহারাদারি,শান্ত থাক নদীতীর
               গড়া যাবে ক্ষন প্রবাল প্রাচীর,
             অশান্তির ক্রিস্টাল জমলে শতকোটি।
         বস্তির ছায়ায় মরচে পড়ুক তীক্ষ্ম আঁশবঁটি
                   শামুকের হাতছানি-
     গর্ভবতীর খোঁদলবাসী ডেয়ো পিঁপড়ের মস্তানি ,
  কাঁচা শস্যবর্ণে শিহরিত হোক অপটিক নার্ভ প্রনালী
                       ও অংশুমালী।।
    কল্পনাময় ধানের গুমোটে কম্পন উঠুক বস্তিতে
                   ফাটল ধরুক অস্থিতে
                    গজদলের সস্তিতে
                   আমি হব দোকানদার ,
    এক মুঠো রেখে, বিলায়িব মস্ত বড় শস্যখামার।
   পাকা ধানের তুমুল গন্ধে ছিড়ুক সকল শ্বাসনালী
                         ও অংশুমালী।।
      মলিন দেহে একশো পাঁচ ডিগ্রি জ্বর চায় কুঁড়ে
                    ঠোঁটেতে ঠোঁট ফুঁড়ে
                          কাঙালী-
                        ও অংশুমালী।।


২৫/০৫/২০
~তাপস