মানবহৃদের স্বর্ণাচলে তুমি অসীম ঢেলেছ বসুধা
কে চাহে স্বর্গ, মর্ত্যে যে স্বর্গসুধা ।
অনন্ত প্রেমের মাঝারে শাশ্বতযৌবনা রানি
না-চাহাতেও উজানপানে উষসী গ্রীবা খানি
বহুবার ধরে বহুরূপী হয়ে সাজাও আতরদানি


যত চরনধূলি মিলায়েছে যেন যুগের মেরুবলয়ে
সু কঠোর সত্য হয়ে স্বর্ণ-দেবালয়ে ।
স্নেহের মাতৃকোলে জাত পাত ভুলে,উদারসেবী --
বেদনা গোপনে হর্ষরোপনে দক্ষ অরণ্যদেবী--
মোর এ ক্ষুদ্রহস্তে অঞ্জলি লহ জাহ্নবী ।।


সকল ধ্যান হুমড়ে পড়ে স্রোতস্বিনী'র কল্লোলগীতে
কী শুধাও অমন ভ্রু-ভঙ্গিতে ?
পথ গড়ে নেয় পথের উপর প্রেমের পথযাত্রী
শয়তান-জোট ধনলুণ্ঠনে মগন দিবসরত্রি
প্রৌঢ় বেলার বাতাস পুরে হাঁ-করা কলসীপত্রী ।।


তোমারি খনিজের আত্মগরিমা,স্বপ্ন চূর্ণ লহমায়
কী আছে মোর, কী দেব তোমায় ?
সকল উজাড়ে প্রনাম জানাই ওগো অরুণ-রাগিণী
আছে কি দেবার, কহ একবার সৌম-নিরবভাষিনী
উপহারস্বরূপ আজন্মের না লেখা কাব্যিখানি ।।



~তাপস
৪ঠা জুন,২০