একদিন রাতে দুঃস্বপ্ন দেখে
এলিয়ে পরলেন রাজা  
ভয়ে নয়, আত্মপ্রবঞ্চনায়।
হটাৎ বোধোদয়
ওদের জন্য একটা কিছু করতেই হয়,
নইলে রাজপাট টিকিয়ে রাখা দায়।
ডাকা হলো পার্ষদের পরিষদ
বিনিন্দ্র রজনীর ক্লান্তি রাজার কপালে
তবুও রইলেন বসে,
সভা হলো শুরু
চললো অবিরাম বাদানুবাদ
ধাক্কাধাক্কি, ঠেলাঠলি,  
ফিসফাস,চোখরাঙানি,
অজস্র কাদুঁনি, কাহানি।
অবশেষে প্রসবিত হলো প্রস্তাব, বেশ সস্তায়।
"দুুই কিলো তন্ডুল দু টাকায়” প্রচারিত হলো রাজ আদেশ
ফটোগ্রাফারের ফ্ল্যাশ, মিডিয়ার মাইক
জ্বলে ও বেজে উঠলো।
সাংবাদিকের লম্বা ইন্টারভিউ
অর্থনীতির আতলেমি,
পরিসংখ্যানের পরিহাসে
ভরে উঠলো খবরের কাগজ।
আদুল ভারতবর্ষের বিনর্ম মাথা
দুলতে থাকলো পেন্ডুলামের মত।
রাজ আশীর্বাদে অক্ষয় হলো ভিক্ষাপাত্র।
জয়ঘোষ প্রতিধ্বনিত খুশীর সীমানাকে ছাড়িয়ে।
কেবল একটি শিশু
এগিয়ে এলো তার জন্মের  পোষাক পরে।
দৃষ্টি নিবদ্ধ রাজার শেরোয়ানির তাজা গোলাপে
সব বিস্ফারিত চক্ষু সংকোচিত।
নীরবতা ভঙ্গ করে শিশুর চিৎকার
চাই রাজার গোলাপ ছেলেমানুষি আব্দার।
বিচলিত রাজা ,ছুটে এলো কোটাল
এগিয়ে যাচ্ছে  শিশু টালমাটাল
প্রতিটি পদক্ষেপে তৈরী হচ্ছে নতুন চিত্রনাট্য
ভবিষ্যতের বায়োস্কোপ।