সময় ঘনিয়ে আসছে
তবুও উৎসবের বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ।
মানুষ দলে দলে মিছিলে মিছিলে হেঁটে
বুকের মধ্যে ধুকপুক পুষে রেখে
কান্না হাসির  অজস্র উপাদান গড়ে চলেছে।
কেউ আমাকে কয়েক টুকরো করে
জানালার বাইরে ছুঁড়ে ফেলেছিলো।
আজ ঝড়ো হাওয়ায় সেই টুকড়ো গুলো
দরজা দিয়ে ঘরের ভিতরে ঢুকছে।
এও কি কোন পুর্বাভাস?
যারা চরিত্রহীন বেঁচে থাকায় অভ্যস্ত
তাদের রাহুগ্রস্ত মুখে কে লিখে দেয় শংসা পত্র
সেটাই আজ দেখবার।
কবিরা কোন হত্যারা নয়..
এ কথা তিন যুগে সত্যি ছিলো।
তাই আজো কিছু উলঙ্গ শব্দ ঘুমন্ত চোখে দাঁড়িয়ে আছে
ঈশ্বরের হাঁটা পথে।
নইলে ওদের কালঘুম কে ভাঙ্গাবে?


কলকাতা ২২।১৬।১৮