মা, কেমন আছো তুমি?
আজ তোমাকে চিঠি লিখছি আমি-
তোমার ঐ আকাশের ঠিকানাতে।
বাতাসকে বলেছি এই চিঠি-
তোমাকে পোঁছে দিতে।


মা, কেমন আছো তুমি?
তোমার ঐ সব পেয়েছির দেশে-
ঐ সন্ধ্যাতারার মাঝে।


মা,কেমন আছো তুমি?
ভোরের শুকতারা হয়ে-
রাত্রির অবসানে।


মা, কেমন আছো তুমি?
পূর্ণিমার জ্যোৎস্না হয়ে-
তোমার স্নিগ্ধ আলোয়-
ভরিয়ে বন-জ্যোৎস্নায়।


মা, কেমন আছো তুমি?
শরতের ঐ শিশির ভেজা-
ভোরের শিউলি ফুলে।


মা, কেমন আছো তুমি?
বর্ষা শেষে রামধনু হয়ে-
দিগন্তে রং ছড়ায়ে।


সেদিন তুমি জানিয়েছিলে,
গত বসন্তের হাওয়ার মেলে-
তুমি ঘুরে বেড়াও দেশ-বিদেশে,
ভাসিয়ে মেঘের শুভ্র ভেলা-
দিগন্তের ঐ নীল আকাশে।


সেদিন তুমি বলেছিলে-
তুমি আছো আমার কাছে, আমায় ঘিরে-
ঐ শীতের সকালের সোনালী রোদ্দুরে।
বসন্তের ঐ দখিনা বাতাসে।
ঐ মহাসিন্ধুর মাঝে।
ভোরের পাখির কূজনে-
তুমি জাগিয়ে দাও আমাকে।
যা কিছু সুন্দর আছে ভুবনে-
তুমি আছো সেখানে।


আজ তাই আমি,
এ চিঠি লিখছি তোমায়-
তুমি আজ মোর জীবনের ধ্রুবতারা-
এই সমুদ্রে আমি যেন না হই পথহারা।।