সমুদ্রমন্থন মহাকাব্য
          প্রথম সর্গ (৪৭-৬২)
       রাজুব ভৌমিক (রাজু)


অপরত্র বৈকুন্ঠ সে কৃষ্ণ রূপে মামীতে,
প্রেমে মজে অহর্নিশ, সমীহ না সমাজে;
পরস্ত্রীতে পরকীয়া, করিয়া সর্বে অন্ধ,
জগৎ খেলে প্রেম খেলা, কানাইের জন্মান্ধ।
পালক মাতার ভ্রাতা, সে আয়ান ঘোষ,  
যশোদার মাণবক, কৃষ্ণের কত দোষ;
আয়ান ঘোষের পত্নী, রাধিকা লজ্জাহীন,
ভাগ্নে মিলনে প্রমোদ, তা সভ্যতার ইতি।
বৈকুন্ঠ তার মায়াতে, রাধিকাকে নাচায়,
বাঁশির মধু সুরেতে, ক্ষমতার বড়াই;
এতদ্ভিন্ন সে বৈকুন্ঠ, জগতকে বোঝায়,
“করি লীলা আমি মূর্খ, জীবনকে শিখাই”।
কাম-ক্রোধ-লোভ-মোহ-মদ-মাৎসয্য রিপু
কাম প্রথমে উল্লেখ, সাধে মানুষ বলে?
কাম তে জগতপিতা, বৈকুন্ঠ ধরাশায়ী!
  সংযমহীন কামতা, অসুরের লক্ষণ?


চলবে......


মালতী-অমিত্রাক্ষর ছন্দ: প্রতি ছত্রে ১৫ টি অক্ষর, প্রতি ছত্র বা চরণ অাট এবং সাত মাত্রায়, এবং চরণগুলির অন্ত্যবর্নের মিল থাকেনা।