আমার এই বই খানি প্রকাশ করতে চাই ।
কেউ সহযোগীতা করবেন ?
০১৭৭৬৩২৩৮০১
=============




সোনা ফলাও কর্মক্ষেত্রে
অর্থনৈতিক মুক্তি আনতে







ভূমিকা
আমি মুলত কোন কবি বা লেখক নই।আমি অতি নগন্য একজন গার্মেন্টস শ্রমিক।আমি প্রায় পঁশিচ বৎসরের চাকুরী জীবনে অসংখ্য নিম্ন এবং মধ্যম শ্রেনীর মানুষের সাথে অন্তরঙ্গ মিলনের ফলে একটি সত্যকে তিলে তিলে অনুভব করেছি ।তা হল দারীদ্রতা ।যার শৃংখল শিশু কিশোর সহ যে কোন বয়সের মানুষের জন্য পীড়াদায়ক।যার শৃংখল তাদের অধীকার বঞ্চীত হওয়ার কারন। যেমন, দারীদ্রতা শিশুকে তার প্রয়োজনীয় পূষ্ঠী ও চিকিৎসা পাবার অধীকার হতে বঞ্চিত করে আবার কিশোরকে বঞ্চিত করে তার শিক্ষা পাবার অধিকার হতে।বেকারত্ব তথা কর্মপ্রাপ্তীর সূযোগের অভাবে ও কাজে যোগদানের অনীহা থাকায় যুব সমাজ তথা অন্যান্য কর্মক্ষম ব্যাক্তিও আবার উপার্জনের সূযোগ পায়না।যে কারনে সে তার উপর নির্ভরশীলদের দায়ীত্ব পালনতো দূরের কথা নিজেই তাদের উপর বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।যা দৈনন্দিন জীবনে মানুষের উপড় দারীদ্রতার রুপ নিয়ে চেপে বসে।যে দারীদ্রতার শৃংখল আদালত হতে দেয়া কোন অপরাধীর শৃংখল হতেও ভয়ানক।কারন এ শৃংখল নিরপরাধ শিশু সহ কিশোর যুবক বৃদ্ধ নেই সর্ব স্তরের মানুষকেই শাস্তি দিয়ে থাকে এবং তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে।
কাজেই আমি এ দারিদ্রতার শৃংখল হতে মানুষকে মুক্ত করার লক্ষ্যে আমার অনুভুতিগুলোকে অত্যান্ত সহজ ভাষায়, কবিতার আকারে বলব না ছন্দের আকারে গচ্ছিত করে মালিক শ্রমিক তথা দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌছে দেয়ার জন্য বই আকারে প্রকাশ করলাম।যার শিরোনাম
সোনা ফলাও কর্মক্ষেত্রে
অর্থনৈতিক মুক্তি আনতে
আগেই বলেছি আমি লেখক নই শ্রমিক।আমি উচ্চতর কোন ডীগ্রিধারীও নই।দীর্ঘ সময় দরিদ্র মানুষের পাশাপাশি থাকার কারনে মনের ভিতর কিছুটা জাগরন মূলক অনুভূতি তৈরী হয়েছিল তা আমি আমার মত করে যতটুকু সাধ্য মানুষের কাছে তুলে ধরলাম মাত্র।
শ্রদ্ধেয় বিবেচকগন এ শ্রমিকের লেখায় কোন প্রকার ভূল ভ্রান্তি খুজে পেলে আপনাদের ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি দিয়ে ক্ষমা করে আমাকে নতুন কোন সৃষ্টির পথে এগিয়ে যাবার সূযোগ দেবেন বলে আশা রাখি।কম বেশী যাই হোক দেশের খেয়ে দেশের পরে, দেশেরই আলো বাতাস সহ মায়া মমতা ভোগ করে এখন জীবনের প্রায় শেষ প্রান্তে দাড়ীয়ে আছি।বিনিময়ে দেশকে, দেশের মানুষকে দিতে পারিনি কিছুই।
সুতরাং আমার আকূল আবেদন, শ্রমিক ভেবে অশিক্ষীতভেবে আমার লেখাটি ছুরে ফেলে দেয়ার আগে আদি অন্ত একটিবার পড়ে দেখবেন।লেখাটি পড়ে কারো মনে যদি বিন্দু মাত্রও নিজের ও দেশের প্রতি ভালবাসা জাগে, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে নিজকে উন্নীত করার প্রেরনা তৈরী হয় তাহলেই আমি নিজেকে কিছুটা হলেও দায়মুক্ত ভেবে শান্তনা পাব।
মোঃ এমদাদুল হক দেওয়ান (লিয়াকত)




উৎসর্গ
সততার সাথে পরিশ্রম করাই প্রতিষ্ঠা লাভের উপায়,
এ সত্যের প্রমান পুরুষ শ্রদ্ধেয় ফয়জুররহমান বাদল স্যারের নামে ।
(এম, ডি তুসুকা গ্রুপ ও মেম্বার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ)









সুচীপত্র
কাজে যোগদান প্রসঙ্গ
-----------------------------
০১। স্বচ্ছলতা যেথায় থাকে
০২।সফলতার উৎস
০৩।উন্নয়নের ডাক
০৪।ভালবাসার কাজল নহে
০৫।ভাবনার পরিনিতি
০৬।স্বচ্ছলতা অর্জনের হাতিয়ার
০৭।স্বপ্ন পুরনের মন্ত্র
০৮।ধর্মের গান
০৯।কর্মী হলে
১০।বিভ্রান্তি
১১।অলসতার পরিনাম
কর্মদক্ষতা
-----------------
১২ । দক্ষতার উপহার
১৩। দক্ষতার চুম্বন
১৪। দক্ষতাই মুক্তির যোগান্দাতা
১৫। অভীজ্ঞদের দায়ীত্ব – ০১
১৬। অভীজ্ঞদের দায়ীত্ব -২
১৭।কোচিং এর গুরুত্ব -০১
১৮ । কোচিং এর গুরুত্ব -২
১৯ । উন্নয়নের অন্তরায়
২০। কর্মীগড়ার আহব্বান
২১। ত্রেনিং পেলে হয় কি বেশ -০১
২২। ট্রেনিং পেলে হয় কি বেশ -০২
২৩। কাড়িগর -০১
২৪। কাড়িগর -০২
২৫। চাওয়া আমার হতে পারে
২৬। নতুন কাড়িগর
২৭ । দক্ষ শ্রমিক গড়ার গুরুত্ব
দায়ীত্ব সচেতনতা
----------------------
২৮।ফাঁকির বিনিময়
২৯। সালাম জানাই উন্নয়নকে
৩০। ক্ষোদা ভীতিতে অভাব মুক্তি
৩১। প্রশ্ন আমার নিজের প্রতি
৩২। ভুল ধারনা
৩৩। ফিরতে হবে বেকার সেজে
৩৪। বেকারত্ব কমানোর যন্ত্র
৩৫। কষ্ট কমানোর যন্ত্র
৩৬। কোথায় পাবে জায়গা খালি
৩৭। কল বসাবে খাটুনী দিলে
৩৮।খোজলে শ্রমিক মসাল দিয়ে
কোয়ালিটি
------------------
৩৯।উপড়ে উঠার যন্ত্র
৪০।সুনাম বেকারত্ব কমায়
৪১।অর্থণৈতিক শক্তি বৃদ্ধির মন্ত্র
৪২।মনযোগের গুরুত্ব
৪৩। কোয়ালিটির ভুমিকা


শ্রমিক মালিকের দায়ীত্ব  
---------------------------
৪৪। চরম সত্য
৪৫।উভয় হাতই গুরুত্বপূর্ন
৪৬।ওদের ধরতে হবে
৪৭।ওদের ধর
৪৮।মেশিন হল আসল সদাই
৪৯।হিসেবের ভূলে
৫০।মিডম্যানেজমেন্ট
৫১।মিডম্যানেজমেন্ট গড়ার কাজে
৫২।মেশিন বন্ধের আসল চাবি


সম্পর্ক ও দাবী দাওয়া প্রসঙ্গ
--------------------------------------
৫৩। ক্ষোধার যোগান দাতা
৫৪। শত্রু
৫৫। শ্রম দাতারা শত্রু নহে
৫৬। পুজি বৃদ্ধির আসল শর্ত
৫৭। সম্পর্কের অবনতি
৫৮। বিবাদের কারন
৫৯। লাগামধারীর গলা চাপী
৬০। স্বচ্ছলাতা যদি চাও।
আন্দোলন
-----------------------
৬১। ব্যতিক্রম
৬২। দারীদ্রতার শোষন হতে
৬৩। প্রশ্ন
৬৪। মুক্তি কভু আসবেনারে
৬৫। ভন্ড নেতার কর্মকান্ড
৬৬। শ্রমিক নেতা এমন হলে
৬৭। সেই নেতাই দেশে


আত্ননিবেদন
------------------
৬৮। ভূল বোঝনা
৬৯। ফলবে সোনা অবশ্যই
৭০ । পাত্র ভাঙ্গার আওয়াজ শুনে
৭১। শ্রষ্টাতো নও, সৃষ্টিই তুমি
৭২।বলবে কিছু সবার হয়ে
৭৩। নেতা নেত্রী
৭৪। নামতে হবে কাফন পরি





কাজে যোগদান প্রসঙ্গ
----------------
স্বচ্ছলতা যেথায় থাকে
==============
সোনার বাংলায় সোনা ফলে
যথেষ্ঠ নয় কিন্তু তাযে
জনসংখ্যার অনুপাতে।
চলবেনা যে জীবন তাতে
জমি যাহা আছে দেশে
মাথাপিছু ভাগ-বন্টনে ।
বাচতে হলে বিদেশ হতে
অর্থকড়ি আনতে হবে,
বিনিয়োগ করে শিল্পখাতে।
উতপাদন হার বৃদ্ধি করতে
খাটতে হবে সঠিক ভাবে
সর্বস্তরের জনগনকে ।
ফললে সোনা উভয়েতে
তবেই যে
স্বচ্ছলতা আসবে দেশের মাঝে ।
শুধু জমি নহে
জমি,শিল্প উভয় মাঝে
স্বচ্ছলতা লুকিয়ে থাকে বলে ।
---------------



সফলতার উৎস
===============
কাজ করলেই অর্থ আসে
ফোটায় যাহা হাসি মুখে ।
কাজ করলেই অর্থ আসে
যা দানেতে ইজ্জত বারে ।
পূন্য অর্জনও অর্থ দানে
ধর্মগ্রন্থ তাই বলে ।
সফলতা জীবনেতে
মানুষজন যে এতেই খুজে।
কাজ ছাড়া যা পাওয়ার ক্ষেত্রে
বিকল্প আর কিছুই নাইরে ।
কাজকেই তাই মানতে হবে
সফলতার উৎস বলে ।
-----------------------


উন্নয়নের ডাক
===============
আয় তোরা সব উন্নয়নের পথে
ষ্ট্যাটাস আর আরাম আয়েশ ভুলে ।
ধরতে লাঙ্গল শক্ত করে
ধান ফলাতে মাঠে,
আয় তোরা সব উন্নয়নের পথে ।
যায়গা জমি যাদের নাইরে
নাইরে মামা প্রশাসনে ।
আসলে তোরা মেশিন ঘরে
আয় উপার্জন বাড়বে তাতে ।
ফলবে বলে,
সোনা তোদের কাজে ।
ছোট বড় বিভেদ ভূলে
অলস সময় না কাটিয়ে,
খাটুনি দিলে কর্মক্ষেত্রে
উন্নয়নের হাওয়া তাতে
অবশ্যই বইবে দেশে।
আয় তোরা তাই উন্নয়নের পথে
ষ্ট্যাটাস আর আরাম আয়েশ ভুলে ।
---------------------------------



ভাল বাসার কাজল নহে
===================
অন্ধ, অচল, রুগ্ন
বোবা, বৃদ্ধ সবে,
ক্ষুধা হতে মুক্ত
কেহই কিন্তু নহে।
দেশের মাঝে যত
সুস্থ সবল আছে,
ভাল বাসে যদিও
তাদের সবাই মিলে।
কিন্তু ভেবে দেখ
শুধুই ভাল বেসে,
যায়না করা মুক্ত
ক্ষুধার কষ্ট হতে।
ক্ষুধার কষ্ট নিবারনে
খাবার প্রয়োজন সবার আগে,
যা পাওয়া যায় পরিশ্রমে ।
ভালবাসার গল্প ছেরে
কাজে লাগলে কর্মক্ষেত্রে,
ফলে যে তা অনায়াসে ।
পর দূঃখ নিবাড়নে  
কাজের গুরুত্বই সবার আগে
ভালবাসার কাজল নহে ।
--------------


ভাবনার পরিনতি
===============
শিক্ষিত তুই
চাকুরি খুজিস প্রশাসনে।
না পেলে তুই
পাওয়ার আশায় থাকিস বসে।
ভাবিসনে ক্যান এ সূযোগে
অভাব তোকে দিচ্ছে ঠেলে
গাজা মদের ছোবল খেতে?
ভাবিসনে ক্যান হাত লাগালে
নিপুন ভাবে কুটির শীল্পে,
তা হতেও পয়সা আসবে?
দশ ভাইও তোর পেট চালাবে
তোর কাজেতে মজুর দিয়ে।
সোনা রূপী ফলন তাতে
ফলাস যদি খাটুনী দিয়ে
চলবে যে তা বিদেশেতে।
পয়সা এলেই বিদেশ হতে
অর্থনীতিও শক্ত হবে দেশে।
-------------------


স্বচ্ছলতা অর্জনের হাতিয়ার
====================
মেইন হাতিয়ার সময়ই যে
স্বচ্ছলতা আনতে দেশে ।
সময় দিলে কর্মক্ষেত্রে
ফসল তাতে ফলে বলে ।
যে ফসলে জীবন হতে
দারীদ্রতা বিদায় করে ।
এসো তাই সবাই মিলে
কাজে লাগাই সময়টাকে
অর্থনৈতিক মুক্তি আনতে ।
দারীদ্রতা বিদায় করে
স্বচ্ছলতা পাবার জন্যে ।
----------------------------


স্বপ্ন পূরনের মন্ত্র
=============
কর না কেউ সময় নষ্ট
স্বপ্ন দেখে শুধু,
পূরন করতে স্বপ্নসম  
কোমড় কষে বাধ ।
গড়তে চাইলে নীতির রাজ্য
ন্যায্য কথা বল,
অসৎ কাজে যারা আছ
তারা তাহা ছার ।
জনদরদী হতে চাওত
জনস্বার্থ দেখ,
কাজে লেগে সময় মত
অর্থ যোগার কর ।
দেশ গঠনের থাকলে স্বপ্ন
কর্মি নিজে সাজ ।
নিজে খাট
দশ জনাকে খাটাও আরো
সঠিক নিয়ম মত ।
---------------------------


ধর্মের গান
============
ধর্ম বলে নামাজ পড়
নামাজ পড়ে লুটিয়ে পর
হালাল রুজি তালাশ কর ।
ধর্মমতে যদি কেহ
মনযোগে কাজে লাগ
থাকবেনা যে অভাব কভূ ।
নহে এটি শুধুমাত্র
নীতি বাক্য পুথিগত
বাস্তবেও প্রমানীত ।
===============



কর্মী হলে
========
ভয় কিরে তোর মজুর দিতে
মুল্যায়ন তোর কমে যাবে।
তাই কিরে তুই বসে বসে
ধান্দা করিস কেমন করে
খাটনি বিনা পয়সা মিলে।
আঘাত হানিস জন মনে
হরন করিস সমাজ হতে
সুখ সান্তি সব কিছুকে।
ক্যান, বোকা তুই ভাবিসণেরে
বাড়বে ফলন কর্মক্ষেত্রে,
ধান্দা ছেরে মজুর দিলে।
যে ফলনটি লাগবে কাজে
অর্থনৈতিক মুক্তি আনতে।
অশান্তিও থাকবে নারে
ধান্দা ছেরে কর্মী হলে ।
-------------------------


বিভ্রান্তি
=========
শিক্ষা নিলাম বিদ্যালয়ে
বস হব সে ভাবনা নিয়ে,
এখন আমি যাই কি করে
কলম ছেরে লাংগল ধরতে।
ভুল ধারনা এমনটিরে
শিক্ষা নিছ জ্ঞ্যান অর্জনে,
জ্ঞ্যান খাটালে কৃ্ষি কাজে
বৃ্দ্ধি পাবে ফলন তাতে।
অর্থণৈতিক মুক্তি আনতে
শহায়ক যা সবার আগে।
--------------------------


অলসতার পরিনাম
==============
অভাবিরা থাকলে বসে
ক্ষুধা নিয়ে পেটের মাঝে
পুড়বে নাড়ী এসিডেতে ।
কাজ না করলে অর্থ কষ্টে
মনের সুখও যায়রে চলে,
ছেলে মেয়ের আর্তনাদে
সুখ থাকে না পরিবারে ।
কায়ীক শ্রমের অভাবেতে
রুগ যাতনায় ভোগতে হয়রে,
কাজ কর তাই সবাই মিলে  
ধনী গরীব বিভেদ ভূলে ।




কর্মদক্ষতা


দক্ষতার উপহার
=============
দক্ষতা দাও সোনা দেব
ফলিয়ে কর্ম ক্ষেত্রে।
মেশিন দিলেই ফলন দেব
স্বচ্ছলতা আনতে।
উৎপাদন হার বাড়িয়ে দেব
পুজি বৃদ্ধি করতে।
অর্থনিতি সক্ত করব
বাড়িয়ে পুজি দেশে।
------------------------


দক্ষতার চুম্বন
============
বনিক নহি শ্রমিক মোরা
মোদের নাহি অর্থ বল,
ভাগ্য ফেরাতে শ্রমের দারা
দক্ষতা তাই সম্বল।
শিক্ষা নিয়ে করলে মোরা
দক্ষতাকে অর্জন,
দুহাতে যে পাবই মোরা
অধিক শক্তি অধিক বল।
কর্মক্ষেত্রে আনবে যাহা
অধিক হারে প্রডকশন,
দেখার পরে বিশ্ব যাহা
ডাকবে মোদের সারাক্ষন।
কাজ পাওয়াতে রাত্র দিবা
বাড়বে মোদের উপার্জন,
ফিরবে ভাগ্য হাতের দ্বারা
লাগায় তাতে দক্ষতারই চুম্বন।
-----------------------------



দক্ষতাই মুক্তির যোগান দাতা
=====================
স্বাধীন স্বদেশ ও অর্থ প্রাপ্তী
দুইয়ের মিলনেই আসল মুক্তি ।
স্বাধীন স্বদেশ পেলেও জাতি
উপার্জনে পায়নি গতি,
না থাকাতে দক্ষ কর্মী।
যাদের হাতের ছোয়া লাগি
ফললে ফলন সোনারুপী,
রফতানী আয় বাড়বে বেশী
আমদানী ব্যায় আসবে নামি।
যার বিনিময়ে অর্থনীতি
হওয়ায় দেশে শক্তি শালী,
আসল মুক্তি পাবে জাতি।
-----------------------------


অভীজ্ঞদের দায়ীত্ব-০১
=============
লেখা পড়া করার শেষে
পারে না কেউ কল চালাতে
যেমন প্রয়োজন তেমন ভাবে।
কাজেই দেশের উন্নয়নে
অভীজ্ঞদের দায়ীত্ব যে,
কাজ শিখানো স্বজতনে
নতুন কেহ লাগলে কাজে।
তানা হলে কেমন করে
ফলবে সোনা উৎপাদনে,
নতুন যারা লাগবে কাজে
তাদের হাতের মেশিন হতে।
------------------------------


অভীজ্ঞদের দায়ীত্ব-০২
============
দেশের সকলক র্মক্ষেত্রে
অভীজ্ঞ জন যারা আছ,
তাঁরা সবাই ট্রেনিং দিয়ে
জুনিয়রদের তৈরী কর।
কোয়ালিটিফুল কাজের জোড়ে
দখল করতে বহিঃবিশ্ব।
তা নাহলে আসবে নারে
বিদেশ হতে অর্ডারপত্র।
মেশিন দেশের চলবে নারে
বৃদ্ধি পেলেও কর্মক্ষেত্র।
----------------------



কোচিং এর গুরুত্ব -০১
================
স্কুল কলেজও নাই তেমন যে
ট্রেনিং দিয়ে গড়তে পারে
দক্ষ শ্রমিক দেশের জন্যে।
যাদের কাজের বিনিময়ে
ফলবে সোনা কর্মক্ষেত্রে।
এমনি যদি চলতে থাকে
লাভ কি হবে বৃদ্ধি করে
নতুন মেশিন দেশের মাঝে?
ফলবে না যে ফলন তাতে
যেমন প্রয়োজন তেমন রুপে
দক্ষ কর্মীর অভাবেতে।
-----------------------------
কোচিং এর গুরুত্ব -০২
============
রক্ষা করতে স্বদেশ ভূমি
মাধ্যম যেমন সেনাশ্রেনী।
ঊণ্ণয়নেরও মাধ্যম তেমনি
দেশের দক্ষ শ্রমিক শ্রেনী।
কাজেই এসো কুচিং খুলি
যোগ্য শ্রমিক তৈরী করি,
উপার্জনে অর্থকড়ি
উন্নয়নে অর্থনীতি।
--------------------------



উন্নয়নের অন্তরায়
==============
অভীজ্ঞ জন যদি ভাবে
নিজের কাজ নিজেই করবে
জুনিয়রকে বয় বানাবে।
থাকবনা কেউ টেনশনেতে
চাকূরী চলে যাবার ভয়ে।
তাহলে যে জিতবে নিজে
ঠকবে দেশের জনগনে।
কিছুই তারা শিখবেনা যে
আসছে যারা কর্মক্ষেত্রে
লেখাপড়া করার শেষে।
পারবেনা তাই সঠিক ভাবে
উন্নয়নের হাল চালাতে।
-------------------------------
কর্মী গড়ার আহব্বান
============
যারা আছ কর্মক্ষেত্রে
অভীজ্ঞতা নিয়ে বসে।
বন্ধু আমার তোমরা সবে
ভেবোনা তাই চাকুরী নিয়ে ।
চাকুরী হাড়ানোর ভয় না পেয়ে
কাজ শিখাও ভাই জুনিওরকে।
যেমন করে মুক্তিযুদ্ধে
মুক্তিযোদ্ধা মরছে হেসে
স্বাধীনতা পাওয়ার জন্যে।
তোমরাও ভাই তেমন করে
চালাও ট্রেনিং দেশের স্বার্থে
গড়তে শ্রমিক বেকার হতে।
অভাব হতে মুক্ত করতে
দেশের সকল বেকার গনকে।
----------------------------
ট্রেনিং পেলে হয় কি বেশ -০১
==============
জেনে রাখ স্বাধীন দেশ
ট্রেনিং পেলে হয় কি বেশ।
স্বাধীন স্বদেশ তৈরী করতে
ট্রেনিং নিল জনগনে ।
ট্রেনিং নিয়ে মাঠে ঘাটে
ধরল সবে বীরের বেশ।
ট্রেনিং পেয়ে লাংগল ছেরে
কৃষকরাও ছুরল বুলেট ,
শ্ত্রু সেনা নিধন করতে
বিদ্ধ করল বক্ষ তাদের ।
থাকল না কেউ অবশেষে
দক্ষ সেনা শোষক দলে
টিকতে পারে তারার মুখে
ট্রেনিং প্রাপ্ত জনগনের ।
হাত উঠাল সবাই মিলে
খোলে তাদের শোষক বেশ।
বুঝলে এবার স্বাধীন দেশ
করতে সাধন অসাধ্যকে
ট্রেনিংই হল আসল কেস ।
দাওনা ট্রেনিং কেন তবে
গড়তে শ্রমিক বেকার হতে ?
কাজে যে জন আছে লেগে
তাকে আরওদক্ষ করতে ?
যার বিনিময়ে তৈরী হবে
শক্তিশালী স্বাধীণ দেশ।
------------------------
ট্রেনিং পেলে হয় কি বেশ ০২
================
স্বাধীনতা তুমি গর্ব কর
সৈনীকেরা বিদেশেতে
সুনাম অর্জন করছে বলে ।
গর্ব তোমার আরও হত
গড়তে যদি শ্রমিক দেশে
উপযুক্ত ট্রেনিং দিয়ে ।
দখল করলে বহিঃবিশ্ব
ট্রেনিং প্রাপ্ত শ্রমিক যেয়ে
কোয়ালিটিফুল কাজের জোরে ।
আসত যদি অঢেল অর্থ
বিদেশ হতে
দক্ষ জনদের কাজের ফলে ।
দিনে দিনে বেরে উঠত
কল কারখানা দেশের মাঝে
শ্রমিক শ্রেনির উপার্জনে ।
সবার মুখে হাসি ফুটত
উপার্জনের সূযোগ পেয়ে ।
সকল শ্রেনি মুক্তি পেত
দারীদ্রতার কবল হতে।
======================


কারিগর ০১
=========
কারিগড়
মনটি তোমার যদিও ভাঙ্গে
নগ্ন বাক্য শুনে,
চামচা দলের ফাদে পরে
মালিক পক্ষ যখন বলে
ও আবার কে? ধোর
কিন্তু বন্ধুবর
এতেই যদি বন্ধ করি
মানুষ গড়ার কর্মসূচী।
তাহলে যে যাবে থামি
উন্নয়নেরও অগ্রগতি।
নাপাওয়াতে স্বদেশ খানি
উৎপাদন তার সোনা রুপী।
না পাওয়াতে যোগ্য কর্মী
দেশের কর্মস্থল ।
==================


কারিগড় ০২
=========
হলে কেহ কাড়িগড়
দেশ গঠনে মানুষ গড় ।
লাভ কি হবে কেদে বল
না পাওয়াতে যোগ্য স্থল ।
যাদের নিয়ে যেথায় আছ
ছরাও সেথাই জ্ঞ্যানের আলো
গড়তে তাদের দক্ষ বল ।
গড়তে পারলে তারাও কেহ
দেশের মাঝে বড় বড়
উৎপাদনশীল কর্মস্থল,
তবুওত হবে পূর্ন
মনের মাঝে পোষা স্বপ্ন
সে স্থলে পাওয়ায় কর্ম
দেশের বেকার জনগন ।
---------------------
চাওয়া আমার হতে পারে
============
কারিগড় হলেও, ভাবী মনে
মানুষ যে ভাই মানুষেরই জন্যে ।
কাজ শিখাই তাই স্বজতনে
গড়তে শ্রমিক দেশের জন্যে ।
সোনা ফলিয়ে কর্মক্ষেত্রে
স্বচ্ছলতা আনবে বলে ।
দেশটা যদি এগিয়ে যায়রে
অর্থনৈতিক উন্নয়নে,
তাদের কাজের বিনিমিয়ে ।
অভাব হতে মুক্তিপাবে
সাধারন সব জনগনে ।
এর চেয়ে আর বেশি কিরে
চাওয়া আমার হতে পারে ।
-------------------------



নতুন কারিগড়
============
কাড়িগড়
মূল্যায়ন তোর হয়নি বলে
ক্ষোভ রাখলে মনের মাঝে
ঠকবে জাতি, ঠকবে জনগন ।
চাওয়া পাওয়ার হিসেব ভুলে
কাজ শিখালে জুনিয়রকে,
তুই না পেলেও কিছু নিজে
সূযোগ পাবে দেশের ছেলে
হতে কাড়িগড় ।
যার বিনিময় তারই ঘড়ে
স্বচ্ছলতা আসবে চলে,
স্বচ্ছলতা জাতিও পাবে
দক্ষগনের কাজের ফলে ।
তোর পরেও জাতি পাবে
উন্নতি তার রাখতে ধরে
নতুন কাড়িগড় ।
----------------


দক্ষ শ্রমিক গড়ার গুরুত্ব
=============
দক্ষ শ্রমিক না গড়লে যে
লাভ হবেনা মেশিন কিনে।
পুজির অংক গুটিয়ে নেবে
পুজিপতির লাভ না হলে।
কর্মসংস্থান আসবে কমে
না বেড়ে তা দিনে দিনে।
অশান্তিও বাড়বে দেশে
বেকারত্ব বাড়ার ফলে।
--------------------


দায়ীত্ব সচেতনতা


ফাঁকির বিনিময়
=============
লাভ কি কাজে ফাঁকি দিয়ে
পারিনা যে বাইরে ঘুরে
দু-চার মিনিট রিল্যাক্স করতে ।
দু-চার পয়সা বারতি পেতে
পারিনা যে বাইরে যেয়ে
অন্য কোন ধান্দা করতে ।
পাইনা কিছু কখনো যে
ফাঁকি দেয়ার বিনিময়ে
স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি করতে ।
দিলেও ফাঁকি আনমনাতে
কর্মক্ষেত্রে কাজের মাঝে
থাকার ফলে কাজেই লেগে ।
--------------------------


সালাম জানাই উন্নয়নকে
=============
কাজ না করে চুরি করলে
সময় কেহ কর্ম ক্ষেত্রে,
কর্ম ক্ষেত্র লুটিয়ে পরে
উৎপাদন তার কমার ফলে।
চাকুরী হারায় কাজের লোকে
কর্মক্ষেত্র লুটিয়ে পড়লে,
সময় চুরও পথে বসে
তালা লাগায় মিলের গেটে।
অতএব বন্ধু,এসো সবে
ফাকি না দেই নিজের কাজে।
সালাম জানাই উন্নয়নকে
শক্তিশালী দেশগঠনে।
দাড়াই আমরা তাদের পাশে
আসবে যারা ভবিষ্যতে
কর্ম সংস্থান বৃদ্ধি করে।
--------------------


খোদাভীতিতে অভাব মুক্তি
=============
খোদাভীতি যদি থাকে
করিনা কেন খোদার ভয়ে
সর্বশক্তি ন্যাস্ত সবে
নিজেই নিজের কাজের মাঝে।
করলে যাহা সোনা ফলবে
উৎপাদনশীল কর্মক্ষেত্রে।
জন জীবন মুক্তি পাবে
অভাব হতে,
লাগায় তাহা জন স্বার্থে।
---------------


প্রশ্ন আমার নিজের প্রতি
==================
বিধাতা জানে সবকিছুই
ভালমন্দ যাই করি,
সবাই ইহা বিশ্বাস করি
নাস্তিক কেহ নইত বলি।
জেনে বুঝে সব কিছুই
তবুও কেন দিয়ে থাকি,
নিজেই নিজের কাজে ফাকি
ফলোয়াপার না থাকলেই।
----------------------



ভূল ধারনা
=========
শ্রমীক শ্রেনি
ভাবতে পার বসে তুমি
কর্মস্থলে দিলে ফাকি
লচ খাবেতো বিনিয়োগকারী,
আমার তাতে যায় আসে কি?
ঠিক নহে যে এ ভাবনাটি
বুঝবে ঠিকই তখন তুমি,
যাবে যখন চাকুরি খানি
বন্ধ হওয়ায় কর্মস্থলটি।
--------------------



শ্রমিক শ্রেনি বুঝলে বাউ
=============
শ্রমিক শ্রেনি দেখ ভেবে
কর্মক্ষেত্র বন্ধ হলে
তুমিই শুধু চাকুরি হারাও।
গাড়ির চাকা ঠিকই ঘুরে
মালিক যেটা ইউজ করে
ব্যবসা তাহার বন্ধ হলেও।
অর্থ সম্পদ না থাকাতে
বেতন ভাতা বন্ধ হলে
তুমিই শুধু কষ্ট পাও।
অঢেল টাকার মালিক বলে
নতুন ব্যবসা চালু করতে
মালিক ছুটে অন্য কোথাও।
কাজ না করে ফাকি দিয়ে
কর্মসংস্থান বন্ধ করলে
ভূগ নিজেই মালিক নহে,
শ্রমিক শ্রেনী বুঝলে বাউ।
---------------------
ফিরতে হবে বেকার সেজে
==================
তরুন শ্রমিক দেখ ভেবে
দ্বিগুন হলেও খরচ ঘড়ে
শ্ত্রী তোমার আসার ফলে।
বেতন কিন্তু তাই পাবে
যেমন ছিল তেমন আগে।
ফলে তোমায় যেতে হবে
উপার্জনে কর্মক্ষেত্রে
একা নহে দুজন মিলে।
খাটবে তাই মনে প্রানে
কর্ম ক্ষেত্র বৃদ্ধি করতে।
তা না হলে ফিরতে হবে
বেকার সেজে এক জনাকে,
কর্ম খালী না থাকাতে।
---------------------


বেকারত্ব কমানোর মন্ত্র
=============
শোন দেশের শ্রমিক বৃন্ধ
শ্রম দিলেই কর্ম ক্ষেত্র
ছোট হতে হয় যে বড়।
কাজ খুজে পায় বেকার যত
বৃদ্ধি পাওয়ায় মেশিন পত্র
বড় হলেই কর্ম ক্ষেত্র।
কমিয়ে আনারও বেকারত্ব
দ্বীতীয় আর নাই যে মন্ত্র
বৃদ্ধি ছারা কর্ম ক্ষেত্র ।
কিন্তু শ্রমিক জেনে রেখ
তুমিই হলে আসল যন্ত্র
বৃদ্ধি করার কর্ম ক্ষেত্র
---------------------


কষ্ট কমানোর মন্ত্র
===============
পূজনীয় শ্রমিক বৃন্ধ
বেকারগনতো তোমারই অংশ
কাজ পেলে যে পাবে অর্থ ।
নিজের আয়ে চললেইত
কাজ করে ঐ বেকার অংশ
কমে যাবে তোমার কষ্ট।
কাজেই বন্ধু শ্রমিক বৃন্ধ
ফাকিবাজি করে বন্ধ
খাটতে হবে নিয়ম মত।
ফলন বাড়িয়ে নিয়মিত
বৃদ্ধি করতে কর্ম ক্ষেত্র
কাজ যোগাতে তাদের জন্য।
----------------------------


কোথায় পাবে জায়গা খালি
===================
শুধুই যে শ্রমিক নইরে
বাবা ও আমি।
কাজেই আমায় ভাবতে হবে
কর্ম ক্ষেত্রে কাজে বসি।
নতুন ক্ষেত্র গড়তে হবে
যেখানেতে আসবে বসি,
সন্তান আমার বড় হয়ে
উপার্জনে অর্থ কড়ি।
শুধু মাত্র শ্রমিক নইরে
মা ও আমি।
তাইত ভাবি কর্মস্থলে
থাকলে মেশিন আর দু-চারটি,
আইভুরুদের হত গতি
হচ্ছে না যার বিয়ে সাদি।
শুধু মাত্র শ্রমিক নইরে
বোন ও আমি।
কর্মক্ষেত্রে কাজের ফাঁকে
বাড়তি যায়গা তাইত খুজি,
নেশাগ্রস্ত বেকার ভাইকে
চাকুরী দেব বলি।
শ্রমিক হলেও ভাবনা আছে
কোথায় পাবে জায়গা খালি,
কর্ম সংস্থান না বাড়ালে
আসছে যেসব দীগ্রিধারি ।
-----------------------


কল বসাবে খাটুনি দিলে
=================
শ্রমিক শ্রেনী
বন্ধু আমার, দেখ চেয়ে
লখ্য বেকার ঘুরছে দেশে।
নতুন মেশিন আসে যদি
তবেই তারা শ্রমিক হবে
কাজে লাগার সূযোগ পেয়ে।
সর্বদায়ী পূজিপতি
পূজি বৃদ্ধি করার লোভে
বিনিয়োগে তৈরী থাকে।
শ্রমিক শ্রেনী দেখাও যদি
পূজি বারে দিনে দিনে
খাটুনী দেওয়ায় মনে প্রানে।
মনে রেখ শ্রমিক শ্রেনী
পুজ়িপতি তবেই দেশে
নতুন নতুন কল বসাবে।
----------------------



খোঁজলে শ্রমিক মশাল নিয়ে
==================
বেকার শ্রমিক থাকলে বসে
পুজি পতির মিলের গেটে
কর্ম প্রাপ্তীর প্রেয়ার নিয়ে ।
ষোল আনা বেতন তাতে
পুজি পতি ধরবে নারে,
বার্গেনীঙ্গের চেষ্টা নিলে
ডাকবে আবার আরেক জনকে ।
ন্যায্য পাওনা পওয়া যাবে  
দড়া দড়ি করার পরে
শুধুমাত্র তবেই যে,
খোজলে শ্রমিক মশাল নিয়ে
মেশিন খালি থাকার ফলে ।
কিন্তু এ বেশ গড়তে দেশে
খাটতে হবে শ্রমিকগনকে
মন লাগিয়ে কর্ম স্থলে ।
অধিক লাভের লোভ দেখাতে
দেশের সকল ধনবানকে ।
------------------------------


কোয়ালিটির


উপড়ে উঠার মন্ত্র
=============
মন্ত্র শুনবে মন্ত্র
উপরে উঠার মন্ত্র।
পরিচ্ছন্ন পোষাক পর
চুলগুলোকে গুছিয়ে রাখ,
গোসল ছেরে ক্রীম মাখ
দেখতে লাগায় ভাল।
কথায় শব্দ গুছিয়ে বল
শালীনতা বজায় রাখ,
যাই বল ভেবে বল
মানুষ, বাসবে বলে ভাল।
কর্মকান্ডে চটপটে হও
ভাল ও মন্দের বিভেদ বুঝ
মন্দ ছেরে ভাল কর,
সবই হল উপরে উঠার শর্ত।
বললাম আমি যৎসামান্য
থাকল বাকি আরো অন্য।
মানলে যাহা হয় উন্নত
জীবন মান অধীক দ্রুত।
সমন্বয় যার সকল সর্ত
কোয়ালিটি নামে পরিচিত।
কাজ করে যা ক্রেনের মত
টেনে তুলতে জায়গা মত।
বলছি তাই অবিরত
কোয়ালিটি নয় শুধুই মন্ত্র,
রীতিমত উপরে উঠার যন্ত্র।
মন্ত্র শুনবে মন্ত্র
উপরে উঠার মন্ত্র।
-----------------
সুনাম অর্জনে বেকারত্ব কমে
================
শ্রমিক বৃন্দ বন্ধু মম
তোমরা যেমন হিসেব কর
কোন পোষাকে লাগবে ভাল।
শাড়ীর রংটি হলে গাঢ়
চুরী পরতেই বসে ভাব
কোন কালারটি হবে ভাল।
তেমনি যদি সবাই ভাব
থাক যখন কর্মরত
করতে কাজের মান উন্নত।
বাড়বে সুনাম তবেইত
কর্মক্ষেত্রের নামে দ্রুত।
করলে একাজ অবিরত
কর্মক্ষেত্র হবেই বড়।
বড় হলেই কর্মক্ষেত্র
কমবে দেশের বেকারত্ব।
--------------------


অর্থনৈতিক শক্তি বৃদ্ধির মন্ত্র
===============
শহর কিংবা গ্রাম-গঞ্জতে
যে জায়গাটা ভাল বেশি
সবাই সেথায় আবাস গড়ে।
সমাজ কিংবা দেশের মাঝে
যে মানুসটি ভাল বেশি
সবাই তাকে ভালবাসে।
হাট বাজার ও শপিংমলে
যে বস্তটি ভাল বেশি
বিক্রী হয় তা অধিক দামে।
উপাদান তার মুখ্য নয়রে
তৈরি যেটা ভাল বেশি
বিক্রী হয় তা অধীক হারে।
পন্যদ্রব্য বিক্রি হলে
অধীক দামে বেশি বেশি
মূণাফা হয় অধীক হারে।
যে মুনাফায় গড়ে উঠে
শক্তিশালী অর্থনীতি।
অরথনৈতীক মূক্তী আনতে
প্রত্যেককেই নিজের কাযে
হওয়া উচিত তাই মনযোগী।
---------------------
মনযোগের গুরুত্ব
============
কর্মক্ষেত্র কর্মির গুনে
ভাল পন্য তৈরী করে।
যার বিনিময়ে অর্ডার বারে
কর্মক্ষেত্রে দিনে দিনে।
বেশী বেশী অর্ডার পেলে
শুধুমাত্র মালিক নহে,
কর্মীদেরও ভাগ্য ফিরে।
অর্ডার বেশি পাবার ফলে
উৎপাদন হার বৃ্দ্ধি করতে
বেকারগনও কাজে লাগে।
কিন্তু বাহে রেখ মনে
ভাল কাজটি করার জন্যে,
অধীক কোন খাটনী নহে
কর্মীবৃন্ধের মনযোগই যথেষ্ঠ যে।
=====================


কোয়ালিটির ভূমিকা
===============
মানব সম্পদ অনুপাতে
না থাকলেও দেশের মাঝে
জায়গা সম্পদ যথেষ্ট যে,
তবুওত খাবার লাগে
জীবন তাদের বাচিয়ে রাখতে ।
যে কারনেই আনতে হয়রে
কাজ কর্ম বিদেশ হতে,
দেশে বসেই মজুর দিতে ।
আমদানী ব্যয় কমিয়ে রাখতে
গড়লেও কিছু দেশের মাঝে
ভরা যে তা ভেজালেতে ।
রফতানী মুখী পন্য দেশে
যৎসামান্য যদিও হচ্ছে,
চলছে না তা বিদেশেতে
কোয়ালিটি লেচ হওয়ার ফলে ।
বিদেশ গেলেও মজুর দিতে
মিলছে না কাজ তেমন ভাবে
যেমনটিতে,
আশা পূরন হতে পারে ।
কারনটি তার একটিই যে
পিছিয়ে আছি কোয়ালিটিতে ।
===================



শ্রমিক মালিকের দায়ীত্ব  



চরম সত্য
========
শ্রমিক বৃন্ধ ভেবে দেখ
মালিক নহে শুধুমাত্র,
মজুরী রুপে লাভের অংশ
তোমরাও যে ডেইলী পাচ্ছ।
বলব তাই আছে যত
দেশের মাঝে কর্ম ক্ষেত্র,
মালিক তারই উভয় পক্ষ
পুজিপতি ও শ্রমিক বৃন্ধ ।
টিকিয়ে রাখার দায়ীত্বটিও
কর্মরত কর্মক্ষেত্র,
পুজিপতির নয় শুধুমাত্র
উভয় পক্ষের উপরই ন্যাস্ত ।
অর্জনে তাই অধিক অর্থ
রক্ষা করতে উভয়ের স্বার্থ,
দেশকে করতে অভাব মুক্ত
এটিই হল চরম সত্য ।
--------------------
উভয় হাতই গুরুত্বপূর্ন
================
ভেবনাকো শ্রমিকবৃন্দ
অশুভ কোন শক্তি এসে
ভাংলে মেশিন কর্ম ক্ষেত্রে,
আগুনে তা পুড়িয়ে দিলে
কি যায় আসে তোমার তাতে
তুমি যে তার কর্মি মাত্র ।
মনে রেখ শ্রমিক বৃন্ধ
চালু থাকলেই কর্ম ক্ষেত্র,
মাসের শেষে পাবে অর্থ
মিটবে তাতেই প্রয়জোন যত।
বন্ধ হলে কর্মক্ষেত্র
অপশক্তির আগ্রাসনে
তোমার রুজিও হবে বন্ধ ।
রক্ষা করতে কর্ম ক্ষেত্র
মালিক নহে শুধুমাত্র,
উভয় হাতই গুরুত্ব পূর্ন।
----------------------
ওদের ধরতে হবে
=============
কর্মসংস্থান কমে গেলে
শ্রমদাতাদের জীবন হতে
স্বচ্ছলতা কমতে থাকে ।
না পাওয়াতে দিনের শেষে
বেচে থাকার যোগানটিকে
খাটুনী বেচার বিনিময়ে ।
সুখ চলে যায় সমাজ হতে
বৃ্দ্ধি পাওয়ায় বেকার দেশে
কর্মখালি না থাকাতে ।
বাচাতে তাই শ্রমিকদলকে
সমাজ জীবন সুস্থ রাখতে
ওদের ধরতে হবে।
হানছে যারা আঘাত দেশে
কর্মক্ষেত্র বন্ধ করে
কর্মসংস্থান কমিয়ে আনতে ।
-------------------------



ওদের ধর
========
বন্ধ হলে কর্মক্ষেত্র
করের অর্থ হারায় রাষ্ট্র
মুনাফা হারায় মালিকগনও।
কাজেই ওদের ধর
যারা বন্ধ করে কর্ম ক্ষেত্র ।
মালিক নহে শুধুমাত্র
সুবিধা হারায় সর্বত্র
দেশের সকল জনগনও,
কম পাওয়াতে করের অর্থ
হওয়ার ফলে বাধাপ্রাপ্ত
উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড ।
টিকিয়ে রাখতে সবার স্বার্থ
মিলেমিশে ঐক্য গড়
চালু রাখতে কর্মক্ষেত্র,
ওদের ধর
যারা বন্ধ করে কর্মক্ষেত্র।
--------------------------



মেশিন হল আসল সদাই
=================
শ্রমিক যে জন মজুরী আমার
মজুরী পেতে মেশিন চালায়,
মালিক যে জন মুনাফা তাহার
মুনাফা পেতেই মেশিন বাড়ায় ।
মেশিন বাড়লে শ্রমিক লাগে
কমে তাতে শ্রমিক ছাটাই ।
উপরন্ত মালিকগনে
বেকার হতে শ্রমিক গড়ে
বেকার তাতে করে কামাই ।
জীবন মানের উন্নয়নে
মেশিন যে তাই আসল সদাই ।
তার মানে কি
মালিক পক্ষ ও শ্রমিক শ্রেনি
মিলেমিশেই ভোগ করি
মেশিন চলার ফায়দাখানি ।
উচিৎ তাই উভয় মিলি
চালু রাখা মেশিন গুলি ।
রক্ষা করাও মেশিনগুলি  
ফায়দা পেতে উভয়েই ।
---------------------


হিসেবের ভূলে
===========
পুজিপতি লাভের মোহে
বিনিয়োগে মেশিন কিনে।
মজুরী দিয়ে শ্রমিক রাখে
যার বিনিময় মুনাফা করে।
মুনাফা পেলেও পুজিপতি
শ্রমিকরাও পায় মজুরী।
পায় তারা তা যথারীতি
মেশিন কেনায় পুজিপতি ।
তবুও তারা হিসেব ভূলে
মেশিন ফেলে শ্লোগান ধরে ।  
কাজের হিসেব যদি চাহে
পুজিপতি তাদের কাছে ।
রুজীর কথা ভূলে সবে
পুড়ায় মেশিন আগুন দিয়ে ।
ভাবেনা কেউ কেমন করে
ফলবে সোনা কর্মক্ষেত্রে ।
----------------------


মিড ম্যানেজমেন্ট
=============
কর্মক্ষেত্র ছোট হলে
মালিক শ্রমিক উভয় মিলে
কাজ করে তার উন্নয়নে ।
কিন্তু ক্ষেত্র বড় হলে
ভায়া বসে উভয় মাঝে
মিড ম্যানেজমেন্ট তাকেই বলে ।
-----------------------------



পুজিপতির দায়ীত্ব
=============
পুজিপতির দায়ীত্ব যে
রাখতে নিজের ব্যবসা ধরে
ব্যবসা বড় করার কাজে,
গড়ে তোলা সবার আগে  
মিডম্যানেজমেন্ট শক্ত করে ।
ব্যাক্টেরিয়া থাকলে তাতে
ভ্যাক্সিন দিয়ে মারতে হবে ।
থাকলেও সে আপন হয়ে
ভূয়া নুথির মুখোশ পরে ।
তা না হলে খাবেই সে
দেশ ও দশের প্রাপ্য চূষে ।
------------------------


মিডম্যানেজমেন্ট গড়ার কাজে
================
মালিক শ্রমিক উভয় মাঝে,
যদি কভূ ভায়া বসে
মিড ম্যানেজমেন্ট নামটি ধরে ।
মিড ম্যানেজমেন্ট তখই যে
অকর্মন্য শ্রমিক টানে
অধিক বেতন ধরে দিয়ে ।
ঠিক তখনই বিপদ আসে
অকর্মন্যদের আক্রমনে
তারই ঘারে,
কাজ করে যে দক্ষ হাতে
শ্রমিক গড়ে বেকার হতে
কর্ম স্থলের উন্নয়নে ।
সচেতন তাই থাকতে হবে
মালিকগনকে সবসময়ে
মিড ম্যানেজমেন্ট গড়ার কাজে ।
----------------------------
মেশিন বন্ধের আসল চাবি
================
নিম্ন শেনীর কর্মচারী
ক্লিনার, সুইপার যাই বলি
তারাও কাজে দিলে ফাকি,
রাস্তাঘাট ও অলিগলি
আবর্জনায় যায় যে ভরি।
সহজেই যা সবাই বুঝি।
এমন কিছু ঘটে যদি
ছাটাই হবে সে আবশ্যই
যে দিয়েছে কাজে ফাঁকি।
জি.এম,পি.এম যাই বলি
উচ্চ শ্রেনীর কর্মচারী ।
যাদের কথায় শ্রমিক শ্রেনী
উৎপাদনে আনে গতি ।
তারাও কাজে দিলে ফাকি
বিচার হবেঅবশ্যই ।
অন্যথায় যে যাবে থামি
উৎপাদনের অগ্রগতি।
ম্যানেজম্যান্টের নজরদারী
হতে হবে এমন ভারী
যেই করুক ফাঁকিবাজি
ভাবতে হবে, হবে সেই
মেশিন বন্ধের আসল চা্যাঁটে
-----------------------
লাগলে তালা মিলের গেটে
===============
বেতন কভু আটকে গেলে
হিসেব করবে সবাই মিলে
মালিক পক্ষ দিনে দিনে
লোকসানে কি পরল তবে?
শ্রমিকগনকেই খুজতে হবে
এর পিছনের দায়ীজন কে?
করবে ফ্যায়ার খুজে তাকে
কর্মসংস্থান রক্ষা করতে ।
করবে বন্ধু এই ভেবে যে,
শ্রমিক শ্রেনীরই বিপদ হবে
লাগলে তালা মিলের গেটে।
----------------------


সম্পর্ক ও দাবী দাওয়া প্রসঙ্গ


ক্ষুধার যোগান দাতা
==============
মালিক পক্ষ মেশিন কিনলে
শ্রমিক চালায় তাহা।
যার বিনিময় শ্রমিক পায়রে
উপার্জনের জায়গা।
চললে মেশিন কর্মক্ষেত্রে
চলে দেশের চাঁকা ।
উপার্জিত অর্থ দিয়ে
শ্রমিক মিটায় ক্ষুধা ।
মালিকপক্ষ শোষন করে
বলে বেড়ান যারা,
লাগলে ক্ষুধা বেকার ঘুরে
দেয়না খেতে তাঁরা ।
ক্ষুধার জ্বালায় প্রমান মিলে
শোষক নহে মেশিনওয়ালা ,
প্রকৃতপক্ষে তারাই যে
ক্ষুধার যোগান দাতা ।
================



শত্রু
=====
রাষ্ট্র যখন দেয়নি তোমায়
উপার্জনের ক্ষেত্র।
সমাজ যখন দিল তোমায়
বেকার নামটি মাত্র।
তখন যেজন ডাকল তোমায়
বানিয়ে কর্মক্ষেত্র,
কর্মদিয়ে করল তোমার
বেকার নামটি উড্র
সেইত মালিক, নয় সে তোমার শ্ত্রু।
শ্ত্রুত ভাই সমাজপতি
কাজ না দিয়ে দিল বলি
বেকার নামের খেতাব খানি।
শ্ত্রু হলে মালিক শ্রেনী
কর্ম দিয়ে ছিরত সেকি
বেকারত্বের শিকল খানি?
===============


শ্রমদাতারা শত্রু নহে
==============
শ্রমদাতারা শত্রু নহে
কাজেই তারা খাটুনি খাটে
নিয়ম মাফিক কর্মস্থলে।
দেহবলকে উজাড় করে
খাটুনি খাটে মনে প্রানে
কর্মস্থলের উন্নয়নে ।
বসলে তাই সভাকক্ষে
কর্মস্থলের শ্রমিকগনে
বারতি দাবীর ভাবনা নিয়ে,
বাজার নীতির বিবর্তনে
বল হাড়ালে তেলের টানে
তেল বীহনে ভোগার ফলে ।
পূজিপতি ভেবনাহে
বাড়তি কিছু চাওয়ার ফলে
শ্রমদাতাদের শত্রু বলে ।
বল পেতে যে তেল লাগে হে
যোগান দেয়া তা শ্রমদাতাকে
তোমাদেরই দায়ীত্ব যে।
=============


পুজি বৃদ্ধির আসল শর্ত
================
মালিক বৃন্ধ
শ্রমিক শ্রেনী কাজ করে যে
সর্বদায়ী তোমার জন্য।
ভেবে দেখ
কাজেই তারা ভিন্ন নহে
হিসেব মতে তোমারই অংশ।
নিপাত গেলে শ্রমিক বৃন্ধ
তোমার মেশিনই বন্ধ হবে
না পাওয়াতে বাচার পন্য।
মরবে যদিও শ্রমিকবৃন্ধ
গড়তে তুমিও পারবেনা যে
শ্রমিক খাটিয়ে অঢেল অর্থ।
মনে রেখ মালিকবৃন্ধ
শ্রমিক পূজির সমন্বয়ই যে
পূজি বৃদ্ধির আসল শর্ত ।
==============
সম্পর্কের অবনতি
=============
যদিও জানি
মালিকপক্ষ ও শ্রমিকশ্রেনী
একে অন্যের উপকারী।
ঝগড়া বাধে তবুও দেখি
জীবন যাপন করার লাগি
উত্থাপনে নতুন দাবী।
ঠিক থাকাতে বাজার নীতি
প্রাপ্ত টাকায় ভরলে হাড়ি
শ্রমিক শ্রেনীর সব সময়ই,
শ্রম আইনের নিয়ম নীতি
মেনে চললে পূজিপতি
ঘটতনা যা কোনদিনই ।
-------------


বিবাদের কারন
=============
দ্রব্য মুল্যের উর্ধগতি
ক্রয় ক্ষমতা কমায় বলি,
পেট পোরনে শ্রমিকশ্রেনী
তৈরী করে নতুন দাবী।
মানেনা যা মালিকশ্রেনী
মুনাফা তার হয়না বলি।
উভয় মাঝে চলে তাই
উন্নয়ন নয়, মারামারি।
===============



লাগাম ধারীর গলা চাপী
===================
শ্রমিক যেমন নয়রে দায়ী
দ্রব্য মূল্যের উর্ধ গতির।
যে করনে শ্রমিকশ্রেনী
ফর্দ বানায় বারতি দাবীর।
মালিকগনও নয় তেমনি
যেমন নয়রে শ্রমিকশ্রেনী।
লাগাম টেনে প্রশাসনই
চালাতে তার খরচ খানি,
সর্বদায়ী করে দেখি
দ্রব্যমুল্য উর্দ্ধ গামী।
তবুও দেশের শ্রমিকশ্রেনী
না পুড়নে নিজের দাবী,
জ্বালায় কেন কর্মস্থলটি
না ধরে কেউ লাগামধারীর গলা চাপী ।
-----------------------
স্বচ্ছলতা যদি চাও
==============
শ্রমিকশ্রেনী,
বারতি দাবী আদায় করতে
আলোচনায় মিট না হলে
কর্মস্থলে ঢিল চালাও।
কর্মক্ষেত্র রক্ষা করতে
মালিক পক্ষ শক্ত হলে
কর্মক্ষেত্রে আগুন দাও।
শ্রমিক শ্রেনী,
ঠান্ডা মাথায় দেখ ভেবে
কর্মক্ষেত্র পুড়িয়ে দিলে
বেকার দেশে বাড়বে আরও।
কাজেই বন্ধু শ্রমিকশ্রেনী,
জ্বালাও পূড়াও ছেরে দিয়ে
আসতে হবে মীমাংসাতে
সচ্ছলতা যদি চাও।
-------------
মালিক তোমায় নামতে হবে
==============
মালিক তোমার শ্রমিক নিয়ে
নামতে হবে আন্দোলনে
দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধি পেলে।
ধরতে হবে শক্ত করে
মালিক শ্রমিক উভয় মিলে
প্রশাসনের গলাচিপে।
তা না হলে,
কমবে গতি উৎপাদনে
মাসের শেষে বেতন দিয়ে
শ্রমিকশ্রেনীর না পোষালে।
নামবে শ্রমিক রাজপথে
বেচে থাকার যোগান পেতে
বেতন বৃদ্ধির শ্লোগান নিয়ে।
তখন মালিক তুমিই নিজে
পরবে ভীষন মছিবতে
আয়ের অংক না বাড়াতে।
-------------------------------




আন্দোলন


ব্যতিক্রম
=======
লেখক লীডার সবাই বলে
শ্রমিক বাচাও শিল্প বাচবে।
কিন্তু কেহ ভাবেনা যে
শিল্প আগে শ্রমিক পরে।
শ্রমিকশ্রেনী তৈরী হয় যে
শিল্প গড়ে কাজে ডাকলে।
================
দারীদ্রতার শোষন হতে
================
লীডার সাবরা ভাষন মারে
বিকল্প পথ গড়ার আগে
শোষন বন্ধ করতে হবে।
শ্রমদাতারা ভাষন শুনে
কথায় কথায় বন্ধ করে
কর্মক্ষেত্রে মেশিন সবে।
লীডার সাবরা ভাবে নারে
মেশিন দেশে বন্ধ হলে
শ্রমিক কোথায় খাবার পাবে।
কথায় কারো পাইনে খুজে
দায়ীত্ব কি কর্মক্ষেত্রে
শিল্প টিকিয়ে রাখার কাজে।
শিল্প বিনে কেমন করে
দারীদ্রতার শোষন হতে
শ্রমিক শ্রেনি মুক্তি পাবে ।
------------------------
প্রশ্ন
====
কাজ করেও যার যোগার হয়না
জীবন যাপন করতে যাহা।
ধরে নিলাম তাকে আমরা
শোষন কারী করছে হামলা।
কাজ না পেয়ে ভোগছে যারা
না পাওয়াতে কিছুই তারা।
তাদের শোষন করছে কারা
জবাব দেবেন সুধীজনরা?
-----------------------
মুক্তি কভূ আসবেনারে
================
শ্রমিকশ্রেনি ছাটাই হলে
যে নেতারা ফায়দা পেতে
উস্কানী দেয় মামলা দিতে।
না যেয়ে কেউ তদন্ততে
ছাটাই কারক কর্মক্ষেত্রে
ছাটাইএর কারন উদ্ঘাটনে ।
শিক্ষা দেয়না শ্রমিকদেরকে
সোনা ফলিয়ে কর্মক্ষেত্রে
কর্ম সংস্থান বৃদ্ধি করতে,
কোয়ালিটফুল কাজের জোরে
শ্রমবাজার দখল করে
কর্মক্ষেত্র টিকিয়ে রাখতে ।
সেই নেতাদের ভাসন শুনে
নামলে শ্রমিক আন্দোলোনে
মুক্তি কভূ আসবেনারে ।
-------------------
আসবে মুক্তি কেমন করে
=================
যে নেতারা কাজ না করে
শ্রমিক শোষনের দোহাই দিয়ে
দাবীদাওয়া বানায় বসে।
মন্ত্র পড়ায় শ্রমিকগনকে
চালু মেশিন বন্ধ করতে
দাবী আদায় করার নামে ।
না দেখেই হিসেব করে
লাগলে তালা কোন গেটে
বিকল্প তার আছে কিহে?
শ্রমিকগন কি পাবে খুজে
লাগলেও তালা এক গেটেতে  
আরও ভাল অন্য গেটে?
সেই নেতাদের মন্ত্র শুনে
নামলে শ্রমিক আন্দোলনে
আসবে মুক্তি কেমন করে ।
---------------------------


ভন্ড নেতার কর্মকান্ড
===============
ভন্ড নেতার মন্ত্র শুনে
যেওনা কেউ তাদের পিছে।
কারন তাদের জীবন চলে
পুজিপতির অনুগ্রহে।
যেওনা কেউ আন্দোলনে
ভন্ড নেতার হুকুম পেয়ে।
ভন্ডনেতা ফায়দা পেতে
চালু মেশিন বন্ধ করে।
উস্কানি দেয় শ্রমিকদেরকে
অরাজকতা তৈরী করতে।
আশার বানী শোনায় সবে
মাঠটি তাদের গড়ম করতে।
পরলেই কিছু পকেটেতে
আলোচনার অজুহাতে,
কেটেপরে ধীরে ধীরে
বিপ্লবীদের পিছন হতে।
--------------------------
শ্রমিক নেতা এমন হলে
================
শ্রমিক নেতা এমন হলে
মদদ দাতা শ্রমিক নহে,
পুজিপতির পিছে হাটে
কাজ না করে পেট চালাতে।
শ্রমিক নেতা এমন হলে
মেশিন যাও আছে দেশে,
তাও তারা বন্ধ করে
ভাষন দিয়ে মঞ্চে বসে ।
শ্রমিক নেতা এমন হলে
পূজিপতির আহব্বানে,
পিছিয়ে যায় ধীরে ধীরে
মঞ্চে দেয়া ভাষন হতে।
শ্রমিক নেতা এমন হলে
যায়না কভূ আদালতে,
কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করে
বেকারত্ব কমিয়ে আনতে ।
শ্রমিকবৃন্ধ দেখ ভেবে
শ্রমিক নেতা এমন হলে
কর্মসংস্থান কি বাড়বে দেশে?
কর্মহীন কি পাবে খুজে
নতুন ক্ষেত্র উপার্জনে?
---------------------



সেই নেতাই দেশে
=============
এসো বেকার শ্লোগান ধরি
সেই নেতারই পিছে,
বিপ্লবী যে দেশের মাঝে
কর্মসংস্থান গড়তে।
এসো শ্রমিক শ্লোগান ধরি
সেই নেতারই পিছে,
বিপ্লবী যে চালু করতে
বন্ধ মেশিন দেশে।
এসো কৃষক শ্লোগান ধরি
সেই নেতারই পিছে,
পরিবর্তন আনতে চায় যে
কৃষি প্রযুক্তিতে।
ছাত্র, কৃষক ও শ্রমিক মিলি
এসো তাই গড়ে তুলি
সেই নেতাই দেশে,
লড়বে যে জন গড়তে শুধুই
কর্মক্ষেত্র বেশী বেশী
দেশের উন্নয়নে।
----------------



আত্ন নিবেদন


ভূল বোঝনা
------------
কাজের কথা বলি বলে
ভূল বুঝনা বন্ধু ।
কাজ না করে বসে থাকলে
ঘুচবেনা যে অভাব কভূ ।
----------
ফলবে সোনা অবশ্যই
===============
বন্ধু আমার শ্রমিক শ্রেনি
শত্রু নহে বিনিয়োগকারী
এমন করে ভেবে যদি,
মালিক শ্রমিক উভয় মিলি
কর্মক্ষেত্রে খাটনি খাটি ।
বিশ্বাস আমার তাহলেই
ফলবে সোনা অবশ্যই।
-----------------------



পাত্র ভাঙ্গার আওয়াজ শুনে
==================
শুন্য পাত্র ভর আগে
ভাগাভাগি হবে পরে।
থাকলে কিছু পাত্র মাঝে
কমবেশী যে পাবেই ভাগে।
শুন্য পাত্র ভাংলে সবে
ক্ষুধা কারো মিটবেনা যে,
পাত্র ভাঙ্গার আওয়াজ শুনে।
কিন্তু পাত্র ভরতে হলে
প্রানপনে খাটতে হবে
সোনা ফলাতে কর্মক্ষেত্রে।
------------
শ্রষ্টাতো নও, সৃষ্টিই তুমি
=================
পুজিপতি
যতই থাকুক অর্থকড়ি
শ্রষ্টাতো নও, সৃষ্টিই তুমি।
তোমার উপর আছে জানি
সৃষ্টিকর্তার বিশেষ বানী।
মেনে যদি চল তাই
ঠকবেনা কেউ কোন দিনই।
না ঠকলেই শ্রমিকশ্রেনী
কাজে হবে মনযোগী।
বিনিময়ে লাভ তোমারই
হওয়ায় কাজে ফলন বেশী।
==================
বলবে কিছু সবার হয়ে
================
বুদ্ধিজীবি
যদিও তোমার বুদ্ধি আছে,
তবুও তুমি
মুক্ত নহ ক্ষুধা হতে ।
কাজেই তুমি
দেবে একটু সময় দেশে,
তত্ববাদী ধান্দা রেখে
উৎপাদন হার বারে যাতে
এমন কোন উপায় খুজতে?
বলবে কিছু দেশ চালককে
কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করতে?
খাটলে বেকার যেখানেতে
ক্ষুধা মুক্তির উপায় হবে ।
তোমার হাতের কলম দিয়ে
লিখবে কিছু সুদ কমাতে
ঋন দাতাদের জ্ঞ্যান দানেতে?
পরামর্শ দেবে তুমি
পুজিপতির মনের মাঝে
নতুন খাতে বিনিয়োগে?
বলবে কিছু সবার হয়ে
দাঁড়িয়ে কোন মুক্ত মঞ্চে,
মালিক শ্রমিকের সমন্বয়ে
উৎপাদনে গতি বাড়িয়ে
আয় উপার্জন বৃদ্ধি করতে?
================
নেতা নেত্রী
=========
নেতা নেত্রী
তৈরী হও যে করবে বলি
দেশ ও দশের উন্নতি।
নির্যাতীত ও নিম্ন শ্রেনী
মাথায় তোমার পরায় তাই
জনদরদি নামের মুকুটখানি।
কিন্তু মোদের জনদরদী
তবুও দেখি
অর্থ কষ্টে ভোগছে আজি
দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠী।
না থাকাতে জায়গা খালি
উপার্জনে অর্থ কড়ি।
প্রানের প্রীয় জনদরদী
রাখনা ভাই কথা খানি
বৃদ্ধি করে কর্ম খালি ।
মুক্ত কর তাদের তুমি
যারা দেশে মরছে ধুকি
দাড়িদ্রতার হয়ে সাথী ।
না করে ভাই রেশারেশী
শিল্পায়নের ক্ষেত্র গড়ি
কর না ভাই সবাই মিলি
দেশ ও দশের উন্নতি।
===============


নামতে হবে কাফন পরি
===============
শ্রমিক শ্রেনী
না থাকাতে অর্থ কড়ি
অন্ন কষ্টে ভোগবে তুমি
বন্ধ হলে কর্মস্থলটি।
ভাই বোন ও সন্তানাদি
বেকারত্বের হবে বলি
না পাওয়াতে কর্ম খালি ।
কাজেই বলি
আমলা মন্ত্রী ও ধনপতি
যদিও তারা থাকে বসি,
কাজের যায়গা করতে বৃদ্ধি
টিকিয়ে রাখতে কর্ম স্থলটি
দায়ীট্ব ভাই তোমারই বেশী ।
খাটতে হবে তোমাকেই
উৎপাদন হার করতে বৃদ্ধি ।
টানতে হবে ধনপতি
বিনিয়োগে অর্থ কড়ি
লাভের অংক দেখিয়ে বেশী।
নামতে হবে কাফন পরি
রক্ষা করতে কর্মস্থলটি
আঘাত হানলে অপশক্তি।
-----------------------