আজকের চোখটা বড্ড অগোছালো,
তিমির রাত্রির মাঝেও জ্বল জ্বল করে,
টিক টিক ঘড়ির কাটা,
রাত বেড়ে দশটা,
এভাবে বারটা একটা-তিনটা,
খুব তারা ঘড়িটার জানো তো!
অগেকার সময়গুলো পাখনা মেলে দিত,
তবে এখন কেন এমন করছে ?
আচ্ছা ধর আমি তোমায় বললাম,
ভালবাসি,ভালবাসি,
আর ওদিকে তুমি তোমার সব নিয়ে বসে আছো,
সব বলতে তোমার আশেপাশে যারা আছে !
তারা আজ তোমার পাশে,
হয়তো চারিধার তোমার খুশিতে,
এ সময় এমনটা হবে আমি জানতাম,
তবে একটা কথা কি জানো,
এক ফোঁটা চোখের জল ফেলো,
খুঁজে পাবে না কাউকে,
তোমার পাশটা তখন শূন্য,
আজ না হয় আমি অন্তরালে থাকলাম,
তবে ইচ্ছে হলে হাতটা বাড়িয়ে দিও,
ভাবতে হবে না সামনে কিংবা পিছনে,
আমায় পাবে হাত বাড়ালে,
ঠিক তখনি যদি স্মৃতিগুলো কড়া নাড়ে,
নতুবা একা থাকলে মন পড়ে আমায়,
থামিয়ে দিও না নিজেকে,
চলতে দিও আমার পথে,
আমি না হয় অন্তরালে রয়ে গেলাম,
তাতে কী?
তবে মন যা চায় তাই করবে,
এই একটু যা,
আমি অন্তরালে থেকে ঐ মলিন মুখে একটু হাসি
দেখতে চাই,
আর তার জন্যই এত বারণ ।
কিভাবে সহ্য করি বলো?
নিজের মানুষটাকে গর্তে কিভাবে পড়তে দিই?
আমি না চাইলেও যে আমার হাতটা অন্তরালে থাকে না,
অন্তরালে আমি থাকি,
আমি ।