হাত দু’টি-ই পুঁজি, পর দেশে চলা কাজে
শ্রমই ত্রাণ-সাধন, কোন ভাবে শ্রমিক বাঁচে ।
নিজের দমে সে চলে- দেখি না পরিত্রাণ ,
যাঁর কেউ নেই, তাঁর নাকি সাথী-ভগবান ।


"করোনা" কালে আপদ ,তাঁর কিবা দোষ
তবু অহরহ দোষারোপ, ওরা- শূন্যবোধ !
আর কত কাতর হবে, ভাবে- প্রেমপ্রীতি ?
সে চোখের জল ফেলে, জানায় আকুতি ।


ট্রেনে চড়ার আশায় ঠাঁয় কাতারে মাঠে ,
অভুক্ত, দাঁড়িয়ে, বিনা জলে শুষ্কঠোঁটে ।
অতি কষ্টে রেখেছে পরাণ- খাঁচায় ধরি ,
ঐকান্তিক ইচ্ছা কোন প্রকারে যাবে বাড়ী ।


বাতসে আভাস, সান্ত্বনার সুখদ সে বাণী ,
এত দুর্দিনে ও আজ- ছলে ভরিছে ধরণী ।


(ইং-০৩-০৫-২০২০)
সরকারী আদেশ পাওয়া সত্বেও , লকডাউনে, লক্ষ লক্ষ শ্রমিক যাঁরা ঘরে যেতে চেয়েও যেতে পারছে না ! দিনের পর দিন অভুক্তে, অপেক্ষায় কাতারে খোলামাঠে দাঁড়িয়ে !!
তাঁদের প্রতি সংবেদনা প্রকাশ করা ।