মানুষ হইয়াছে দুনিয়ায় পার্থিবের দাস
লোক দেখিয়ে সুনাম বাজিয়ে করিতেছে বাস।
তাহাতে লাভ কি হইয়াছে?
ঈশ্বরকে দর্শক তারা বানিয়াছে।

তাহাকে সান্ত্বনা দেবার লক্ষ্যে উপাসনা করে যতো
লোক দেখিয়ে করে তাহা ঈশ্বরকে কোরে অপমান ততো।
মানব আজিকের দুয়ারে পার্থিব জীবনের করিতেছে দাসত্ব।
হয়নি তাহাদের মহা চরিত্র হইয়াছে মহা বিলুপ্ত।

শিক্ষিত হইয়া কেরানিগিরি করিয়া
নিজে বাঁচিয়া উদর কোমর ভরিয়া,
নিজে মহা পরিতৃপ্ত খাইয়া
এই প্রাণীটি যেন জন্মিছে জীবাশ্ম হইয়া।

তাহার শ্রেষ্ঠত্ব কিসে?
ভালো চাকুরীতে?
বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়িতে?
নাকি অভিনীত সমাজে দেখানো সারিতে,
মহা সম্মানে লোক মুখে সম্মান কাড়িতে?

তাহাই যদি হয়
মানবকুলে তাহাকে কেমনে সবে,
সেরা সৃষ্টি কয়?
তাহাতে বলিতে চাহি
হতদরিদ্র,অসহায়, অনাথ
নাম খানা সুমন সুজন না হইয়া উল্লুক ভাল্লুক হইতো নির্ঘাত।
তাঁহাতেও মানবকুলে মানব নামটি কাটা পড়িতো
অন্য জাতির বানর হওয়াটাও সত্য বলিয়া গন্য হইতো।

যাহা বলছিলুম
মানব যেন আজিকে কিসের মোহে পড়িয়া এ ধরার দাস?
সত্য লুকাইয়া মিথ্যায় ভর করিয়া তাহাদের বসবাস।

এই মোহ কাড়িয়া লইয়াছে
সত্য-মিথ্যা প্রভেদের বিবেক শক্তি।
বিবেকে তো ঢুকিয়াই রইয়াছে,
"জোড় যাহার মুল্লুক তাহার " এই মহা উক্তি।

চলিবে এ ধরায় যতদিন এ নীতি
অপরাধ কমিবে নাহি হইবে বিস্তৃতি।

ইহা কথক কিংবা লেখকের
বড় অজানা নহে
হয়তো জুলুমের স্বীকার সুরটা আক্ষেপের
তাইতো তাহাদের মন থেকে উক্ত বাক্যখানি কহে।



যাহাই হোক
মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব লইয়া
মোর কেবলি সন্দেহের উদ্রেক হয়
ইহা লোকচক্ষুর আড়ালে পাড়ি লুকাইয়া?
নাহি রাখিতে পারি আমি, হইলাম তাহাতেই ক্ষয়।

মোহাম্মদ হাবিব বেন আব্দুস ছোবান।