بسم الله الرحمن الرحیم


*মোটক দিয়ে চোরা-আবিষ্কারকের মুখোশ টেনে দেখুন*
আশরাফুল ইসলাম


সংস্কৃতের আদলে মোটক যার গঠন হলো— ধিন তা/ তা ধিন/ তা তা অর্থাৎ বদ্ধাক্ষর মুক্তাক্ষর, মুক্তাক্ষর বদ্ধাক্ষর, মুক্তাক্ষর মুক্তাক্ষর৷ তবে এই গুলোকে গুরু, লঘুও বলা হয় আর লঘু-গুরুতে মুক্তাক্ষর বদ্ধাক্ষর বললে একটা সমস্যা দেখা দেয় কারণ অনেক মুক্তাক্ষরও গুরু হয় তাই 'ধিন তা তা ধিন তা তা' বলাই শ্রেয়৷ এই কাঠামোতে একটু সতর্কভাবে শব্দ চয়ন করলে প্রচলিত তিন বৃত্তেই পর্ব গঠন ও মাত্রা মেলানো সম্ভব৷ আর মোটক কাঠামো তো মিথ্যাদাবীদার কুবিষ্কারকের জন্মের অনেক পূর্বেই বাংলা সাহিত্যে ছিলো৷


উদাহরণ—
(ক)
ভণ্ডেরা চায় ভবে-
অল্পতে সব পাবে,
সত্যকে দেয় চাপা-
শান্তিতে খুব খাবে৷
বাস্তবে পায় ব্যথা,
চিন্তাতে যায় ফেঁসে;
অন্তরে ঘাত লাগে,
খান্নাসে বেশ হাসে৷


ধিন তা/ তা ধিন/ তা তা(বদ্ধ মুক্ত, মুক্ত বদ্ধ, মুক্ত মুক্ত)৷


উল্লেখ্য যে, ১০টি গণকে নাড়াচাড়া করলে অনেক অনেক রং ঢং হবে৷


(খ)
ফুলকলি ভুল করে-
পথমাঝে রয় ফোটে;
ঘ্রাণ পেয়ে হৃদমাঝে-
প্রেম এসে গান ধরে৷


ধিন    তা   তা  ধিন   তা  তা
ফুল    ক   লি  ভুল   ক  রে-
পথ     মা  যে   রয়  ফো টে;
ঘ্রাণ   পে   য়ে  হৃদ   মা ঝে-
প্রেম  এ    সে  গান   ধ  রে৷


মোকট নিয়ে কিছু কথা এখানেই শেষ হলো, আল্লাহ হাফিজ৷