সূচয়না, তুমি কি জানো কতদিন দেখিনি তোমায়,
হয়তো জানো না, আর জানতেও তুমি চাওনা।
জানে ঐ নদী নক্ষত্রের দেশের,  নীল আকাশের নক্ষত্রগুলো।  
আরও জানে ঐ অমাবস্যার রাতে বিস্তর জোনাকি।

সূচয়না, তুমি বিহীন এ আমার জীবন স্পন্দনহীন,
তোমার পরশ পেলে আমার এই নিথর দেহে প্রাণ ,
স্পন্দনে স্পন্দিত হয়,
তোমাকে বিহীন আজ আমার হৃদয়, বিধস্ত ট্রয়নগরীর মতো।


তোমার কথা মনে পড়লে প্যালেস্টাইনের শোকার্ত  জননীর মতো,
চিৎকার করে কাঁদত আমার ইচ্ছে করে।
সূচয়না, তুমি হয়ো না কো পাষাণী,
পত্র ঝরা বৃক্ষের নিচের বিদীর্ণ প্রহরে একটু দেখা দিয়ো।


সূচয়না, তুমি হয়ো না কো হৃদয়হীনা,
তাহলে আমি হয়ে যাব ঐ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মতো,বাস্তুচ্যুত।
সূচয়না, তুমি আমারে ফেরারি জীবন দিয়ো না,
আমি তোমায় নিয়ে সুখে স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন পারি দেব,
এটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অভিলাষ ।




রচনাকালঃ
১২/০৪/২০২১