পড়ন্ত বিকেলে যখন হাটি, রেললাইনের পথে!
মনের ভিতরে ঢেউ খেলে বারে বারে,
তোমার পুরোনো স্মৃতিগুলো মনে পড়ে।
কি এমন হতো এই রেললাইনের পথে যদি থাকতে
হাতটা ধরে আবার আগের মতো করে?
পড়ন্ত সেই বিকেলে, এলোমেলো বাতাসে,
চুলগুলো উড়তো বাসাতের বাজে।
কতই না স্মৃতি জমে আছে রেললাইনের সেই মেটো পথটাতে।
হাতে হাত রেখে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমায় বলতে,
কখনও ছেড়ে যাবে না জিবনের তরে,
শতবাদা বিপযয় আসোক গণিয়ে, ।
সেই তুমি আজ শীতের কুয়াশা
হয়ে গেলে অন্য বেলার ।
পড়ন্ত বিকালটাতে শূন্য রয়ে গেলাম।
ভালোবাসি বলে তোমায় আধারে খোঁজিলাম..!
বেগুনি শাড়ীর চকচকে কালার আর হাতের নীল চুরি পড়া সেই তুমি
নিজেকে বদলে নিয়ে রেখেছ ডুবন্ত সূর্যের মতো করি।
পড়ন্ত বিকেল শেষে,
আমি আসব একদিন তোমার সন্ধা নামার বেলকুনিতে,
দু-জন মিলে তারা গুনবো
মুক্ত আকাশের নিছে!
তুমি চিনবে কি আমায়?
সেই মিটি মিটি তারার আলোর মাঝে,
এই আমিটা কে,,?
মাথায় থাকবে লম্বা চুল,
মুখে গজালো দাড়ি
জানি, না চেনার বাহানাটাই থাকবে তোমার বেশি।
তোমারি অপেক্ষায় বসে আছি রেললাইনের পথে,
যদি আবার ফিরে আসো পড়ন্ত বিকেলটাতে,,?


পৃষ্ঠা -৪৯
,