=============================


বুকের সেই পুরাতন ক্ষতটা থেকে রক্ত ঝড়ছেই,
কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না রক্ত পড়া।
এত্তো রক্ত,
রক্তের পুকুর থেকে রক্তের নদী,
তারপরও আরক্ত লোনা পানি,
রক্তের সমুদ্র,
এমন কি দিগন্ত রেখার কাছেও আছে এক তুলি,
ভীষণ যন্ত্রনায় আদ্র রক্তলাল গোধূলি।
দীর্ঘ সময়ের রথে কত শত আরোহী,
পলাশী, দেশভাগ, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ
গণতন্ত্র মুক্তির সে উত্তাল আন্দোলন,
মঙ্গল পান্ডে, তিতুমীর, রফিক, জব্বার, রুহুল আমিন
কত অজস্র, কত সহস্র
কিন্তু রক্ত পড়াটা থামছে না কিছুতেই,
তালিকাটা শুধু লম্বাই হচ্ছে, ক্রমেই।


জননীর চোখ যে শুষ্ক নেই,
কি করে থামবে রক্ত ঝরা।
জননীর চোখের অশ্রু এক ফোটা,
জন্ম দিচ্ছে অজস্র বিপ্লবী রক্ত ফোটা,
কখনো বা রক্তের স্রোত।
সেই স্রোতে ভেসে যায়,
অনাচার অত্যাচার আছে যত।
  
কতবার ভেসে গেলো,
তারপর ও সারেনি বুকের ক্ষত।
রক্ত পড়াটা থামেনি কিছুতেই,
জননীর চোখ যে শুকায়নি এখনো?
মায়ের অশ্রু রক্ত ঋণ,
থামবে না কিছুতেই এ প্রলয় বিন,
যতদিন থাকবে এক ফোঁটা অশ্রু,
বইবে রক্তের স্রোত,
থামবে না কিছুতেই।


=====================================