রাতের আঁধার দূর করে দেয় ভোরের নবীন আলো,
তেমনি তোমার জ্ঞানের প্রদীপ ঘুচায় মনের কালো।
সিংহ হৃদয়, দয়ার সাগর, অসীম সাহসী তুমি,
তোমার জ্ঞানের আলোক শিখায় ঋদ্ধ ভারত ভূমি।


বর্ণবাদের মূলোৎপাটন করেছ নিজের হাতে,
সাম্য বিহীন দ্বিজের প্রাচীর গুড়িয়েছ অভিঘাতে।
বিধবা বিয়ের প্রচলন করে নারীকে দিয়েছো মান,
নারী শিক্ষার অর্গল খুলে জীবন করেছ দান।


কন্যাদায়ের মর্ম পীড়িত পিতাকে করেছ মুক্ত,
হে মহান! তুমি পুণ্য কর্মে ছিলে সর্বদা যুক্ত।
কুষ্ঠ রোগীকে নিজের কান্ধে বাহিয়া দিয়েছ প্রাণ,
অভাব পীড়িতে, মহামারীতে স্বহস্তে দিয়েছ ত্রাণ।


মায়ের আদেশ পালন করতে জীবন করেছ তুচ্ছ,
ঝঞ্ঝা নিশিতে নদী সাঁতরায়ে শির-কে করেছ উচ্চ।
গণেশ যেমন তাঁর জননীকে ভেবেছে ধরনী তুল্য,
তুমিও তেমনি আপন মায়ের দিয়েছো সমান মূল্য।


অমিত সাহসী নির্ভীক তুমি ব্রিটিশে করনি ভয়,
সাহসের সাথে পাঞ্জা লড়েই পেয়েছো আত্ম জয়।
দেশ ছেয়ে গেছে ভণ্ড নেতায় আত্মস্বার্থে মগ্ন,
বিবেক বুদ্ধি বিকিয়ে দিয়েছে দৃষ্টি ওদের নগ্ন।


ভণ্ড নেতার লোভের আগুনে পুড়ছে এখন দেশ,
গরিবের কথা কেউ তো ভাবেনা সুখে আছে ওরা বেশ।
এই দুর্দিনে তোমাকেই স্মরি প্রণিপাত জোড় করে,
ষণ্ড-ভণ্ড পুরোহিত, নেতা যাকনা সবাই মরে।


দ্বিশত বর্ষে হে মহোত্তম! তোমায় নমস্কার,
তোমার আশিসে হোকনা ধ্বংস অন্ধ সংস্কার।


৩০/০৯/২০২০ ইং